সোরিয়াসিস রোগে রক্ত ও রস বের হলে নামাজ-অযু ও পবিত্রতার বিধান সম্পর্কে জানতে চাই?

Taharah Purity · Hanafi

Question No: 7355
Questioner: M S A
Question Asked: 24 Oct 2026, 08:40 PM
Reviewed & Published: 24 Oct 2026, 09:19 PM
Views: 23
Tokens: 12,201
This answer is according to the 'Hanafi' school of thought.
This answer was reviewed and published by .

Question

আসসালামু আলাইকুম ।
মুহতারাম মুফতি সাহেব,
আমি দীর্ঘ প্রায় ১০ বছর ধরে সোরিয়াসিস নামক অটোইমিউন রোগে আক্রান্ত । এ রোগের বহিঃপ্রকাশ মূলত চামড়াতেই ঘটে ফলে এটা দেখতে একজিমা জাতীয় চর্মরোগের মতই দেখায় । অনেক ধরনের চিকিৎসা করানো হয়েছে, প্রায় সব ডাক্তারের বক্তব্যই হল এটা সারবে না, নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে ।

আমার দুই হাতের কনুই থেকে কব্জি পর্যন্ত এবং হাঁটু থেকে টাখনু পর্যন্ত ছোট বড় মিলিয়ে অনেকগুলো patch আছে । হাঁটুর নিচে দুই পায়ে যে চারটি প্যাচ আছে সেগুলো একেকটি হাতের তালুর মত বড় বড় আকারের ।
কোমরে, সতরের ভেতরে, পিঠেও অনেকগুলো ছোট ছোট patch আছে । কানের পেছনে, মাথায়ও আছে ।

হাত পা ও সতরের এগুলো প্রতিদিনই চুলকায়, এমন চুলকায় যে না চুলকিয়ে পারা যায় না । চুলকালে রক্ত গড়িয়ে পড়ে, ১৫ -২০ মিনিট পরে রক্ত পরা থেমে গেলেও হলদে বা লালচে হলদে বা কখনও স্বচ্ছ বর্ণের পানির মত / রস আসতে থাকে । এগুলোও গড়াতে থাকে প্রায় আধা ঘন্টা বা তারও বেশি সময় ধরে ।
এ হলদে রসের মত তরলগুলোকে ধুয়ে মুছে শুকিয়ে ফেললেও থামে না, রস আসতে থাকে । একেকদিন একেক সময়ে একেক অঙ্গে এরকম ঘটতে থাকে । এক দেড় ঘন্টা পরে না গড়ালেও ভিজে ভিজে থাকে, চটচটে হয়ে থাকে । টিস্যু চেপে ধরলে খুব ধীরে ধীরে ভিজতে শুরু করে, রসগুলো চটচটে অবস্থায়ই পায়জামা, প্যান্ট, বিছানার চাদরে লাগে । এমনকি একবার খুব চুলকানোর পরে ভেজা, না গড়ানো চটচটে পদার্থটি ৮ থেকে ১০ ঘন্টা এমনকি ১২ থেকে ১৪ ঘন্টাও বহাল থাকে ।

এ অবস্থায় আমার কিছু প্রশ্ন আছে ।
১) চুলকানোর পরে ঐ রক্তের স্থান ধোয়ার পরে যে রক্তটুকু গড়ায় না, চামড়ায় লেগে থাকে সেটাকে কী নাপাক ধরা হবে? এই অবস্থায় অযু করা যাবে কী না? অযুর যে পানি দিয়ে অঙ্গ ধুব সেটার সাথে এ রক্তের সংস্পর্শ ঘটে কারণ অযুর অঙ্গের সীমারেখার মধ্যেই ক্ষতগুলো থাকে ।
২) চটচটে হলদে তরল যদি না গড়ায় তবে সেগুলোকে কী নাপাক ধরা হবে? এগুলো চামড়াতে বিদ্যমান থাকা অবস্থায় ওযু করলে প্রয়োগকৃত পানি (যা দিয়ে অযুর অঙ্গ ধোয়া হচ্ছে) তা কী পুরোটাই নাপাক হয়ে যাবে?
৩) ক্ষতগুলো এত বিস্তৃত যে, রক্ত ও চটচটে রস না গড়ালেও অনায়াসেই কয়েক দিরহাম এমনকি হাতের পুরো তালুর সমান জায়গা ভেজাভেজা হয়ে থাকে । এ অবস্থায় পায়জামা, প্যান্ট, লুঙ্গিতেও কয়েক দিরহামের সমপরিমাণ জায়গা ছোপছোপ লালচে/ হলদে রস লাগে । এ অবস্থায় কাপড়গুলোকে কী নাপাক ধরা হবে?
৪) মসজিদের কার্পেটে/মেঝেতে এসব রস বা লালচে রক্তের মত লেগে যাওয়ার ভয়ে যদি বাসাতেই সালাত আদায় করি তাহলে কী গুনাহগার হতে হবে আমাকে? সমাজের অনেকেই হাতে পায়ে এরকম রোগ দেখলে ঘৃণাবোধও করেন । মুসল্লীরাও হয়ত অস্বস্তিতে পড়তে পারেন । না কী আমার এই পরিস্থিতিতে এসব রস দ্বারা মসজিদ নাপাক হবে না?
৫) ১ থেকে ৪ নং পর্যন্ত যদি উত্তরে যদি নাপাক হবার উপরে মাস'আলা হয় তবে আমি কীভাবে সহজে ইবাদত করতে পারি? না কী আমার জন্য ইবাদত কঠিনই থাকবে?
৬) আমার বর্তমান অসুস্থতা থেকে সুস্থতার জন্য বিশেষ কোন আমল / ওযিফা আছে কী? সুরাতুল ফাতিহা কীভাবে পড়তে হয় সুস্থতা লাভের জন্য?
মেহেরবানি করে উত্তর জানিয়ে আমাকে বাধিত করবেন ।

Answer

وعليكم السلام ورحمة الله وبركاته

ওয়া আলাইকুমুস সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু।

জবাব

আপনার শারীরিক কষ্ট ও সোরিয়াসিস রোগের বিস্তারিত অবস্থা জেনে সমবেদনা জানাচ্ছি। আল্লাহ তা'আলা আপনাকে দ্রুত শিফায়ে কাণিলা ও শেফায়ে আজিলা দান করুন। আমীন।

আপনার উত্থাপিত প্রশ্নগুলোর হানাফী ফিকহের প্রামাণ্য কিতাব থেকে ভলিউম ও পৃষ্ঠা নম্বরসহ শরঈ সমাধান নিচে দেওয়া হলো:


১. চুলকানোর পরে জমা থাকা রক্ত ও অযুর হুকুম:

উত্তর: ক্ষতস্থান ধোয়ার পর যে রক্ত গড়িয়ে পড়ে না, বরং চামড়ায় লেগে থাকে বা ক্ষতের মুখেই জমে থাকে, তা নাপাক নয় (পবিত্র) এবং তা বের হলে অযু ভাঙে না।

  • অযুর হুকুম: উক্ত অবস্থায় অযু করা সম্পূর্ণ সহীহ ও বৈধ। অযু করার সময় হাত বা পায়ের চামড়ায় জমে থাকা ওই রক্তের ওপর দিয়ে পানি গড়িয়ে গেলে সেই প্রয়োগকৃত পানি নাপাক হবে না এবং অযু বাতিল হবে না।

কিতাব ও পৃষ্ঠা নম্বর:

  • ফাতাওয়ায়ে আলমগীরী: ১ম খন্ড, পৃষ্ঠা: ৫৭ (অধ্যায়: তাহারাত, ৩য় পরিচ্ছেদ: অযু ভঙ্গের কারণসমূহ, মাসআলা:।
  • নূরুল ঈযাহ: বাংলা সংস্করণ, পৃষ্ঠা: ৩৫ (অনুচ্ছেদ: ওজুভঙ্গের কারণসমূহ, ৩ নং শর্ত: 'প্রবাহিত নাপাক বস্তু')।
  • দরসুল ফিকহ (২য় খণ্ড): পৃষ্ঠা: ৮৩–৮৫ (অনুচ্ছেদ: 'রক্ত গড়িয়ে না পড়লে অযু ভাঙবে না')।

২. চটচটে হলদে তরল ও অযুর পানির বিধান:

উত্তর: জখম বা সোরিয়াসিসের ক্ষত থেকে নির্গত হলদে, লালচে বা স্বচ্ছ রস/তরল যদি ক্ষতস্থান থেকে গড়িয়ে নিচে না পড়ে, তবে তা শরী'আতের দৃষ্টিকোণ থেকে অপবিত্র বা নাপাক নয় এবং তা অযুও ভঙ্গ করে না।

  • অযুর পানির হুকুম: চামড়াতে এই রস বা চটচটে ভাব বিদ্যমান থাকা অবস্থায় অযু করলে অঙ্গ ধোয়ার পানি নাপাক হবে না এবং আপনার অযু সঠিকভাবে আদায় হয়ে যাবে। (উল্লেখ্য: চামড়ায় যদি পানির জন্য কোনো প্রলেপ বাধা না হয়—যা সাধারণ রসে হয় না—তবে অযু ও গোসল সম্পূর্ণ সঠিক হবে)।

কিতাব ও পৃষ্ঠা নম্বর:

  • ফাতাওয়ায়ে আলমগীরী: ১ম খন্ড, পৃষ্ঠা: ৫৭, মাসআলা: ৬ ও ১০ (অধ্যায়: তাহারাত)।
  • ফাতাওয়ায়ে মাহমুদিয়া: ৫ম খন্ড, পৃষ্ঠা: ৬২ ও ৬৫ (অধ্যায়: অযু ও ত্বহারাত)।
  • দরসুল ফিকহ (১ম খণ্ড): পৃষ্ঠা: ৩৮৪–৩৮৬।

৩. বিস্তৃত ক্ষতের চটচটে রস কাপড়ে লাগলে কাপড়ের পবিত্রতার বিধান:

উত্তর:

  • যদি রস না গড়িয়ে কাপড়ে লাগে: ক্ষতস্থান থেকে না গড়িয়ে কেবল ক্ষতের ভেজা স্পর্শের কারণে যদি কাপড়ে রস বা লালচে দাগ লাগে, এবং আপনার এই চর্মরোগের কারণে বারবার কাপড় নাপাক হওয়া থেকে বেঁচে থাকা অত্যন্ত কঠিন হয়, তবে ফিকহে হানাফী অনুযায়ী এই নাপাকী মাফ (ক্ষমাযোগ্য/মা'ফুআন আনহু)।
  • যদি রস গড়িয়ে কাপড়ে লাগে: গড়িয়ে পড়া রস যদি কাপড়ে এক দিরহামের (হাতের তালুর গভীরতার পরিমাণের) চেয়ে বেশি লাগে, তবে সাধারণ নিয়মে তা ধোয়া ওয়াজিব। কিন্তু আপনার মতো দীর্ঘস্থায়ী অসুস্থ রোগীর ক্ষেত্রে—যদি কাপড় ধুয়ে পরিষ্কার করার পরও সালাত শেষ করার আগেই পুনরায় কাপড়ে রক্ত/রস লেগে যাওয়ার নিশ্চিত বা প্রবল আশঙ্কা থাকে, তবে শরী'আতের বিধান হলো: ঐ কাপড় না ধুয়ে বা বারবার না বদলে সালাত আদায় করা সম্পূর্ণ জায়েয।

কিতাব ও পৃষ্ঠা নম্বর:

  • ফাতাওয়ায়ে আলমগীরী: ১ম খন্ড, পৃষ্ঠা: ১৩৫–১৩৬ (অধ্যায়: সালাত, পরিচ্ছেদ: নাপাকী মাফ হওয়া সংক্রান্ত বিধান); এবং ১ম খণ্ড, পৃষ্ঠা: ১১।
  • দরসুল ফিকহ (১ম খণ্ড): পৃষ্ঠা: ৩৮৫–৩৮৬ (অনুচ্ছেদ: 'জখম ও ব্যান্ডেজের রোগীর কাপড়ে নাপাকী লাগার বিধান')।
  • নূরুল ঈযাহ: বাংলা সংস্করণ, পৃষ্ঠা: ৬৭ (অধ্যায়: সালাত, 'নাজাসাত ও ওজর')।

৪. মসজিদ নাপাক হওয়া ও অন্যান্যদের অস্বস্তির আশঙ্কায় ঘরে সালাত আদায়ের হুকুম:

উত্তর: না, কার্পেট/মেঝে নাপাক হওয়া বা অন্যান্যদের অস্বস্তির কারণে আপনি বাসায় সালাত আদায় করলে বিন্দুমাত্র গুনাহগার হবেন না; বরং আপনার এই পরিস্থিতিতে ঘরে সালাত আদায় করাই উত্তম ও শরীয়তসম্মত।

  • শরঈ কারণ:
    1. মসজিদের মেঝে বা কার্পেটে নাপাকী/রস লাগার ঝুঁকি থেকে মসজিদকে রক্ষা করা আবশ্যক।
    2. সোরিয়াসিস বা দৃশ্যমান চর্মরোগের কারণে অন্যান্য মুসল্লীদের মনে কষ্ট, অস্বস্তি বা ঘৃণাবোধ তৈরি হওয়া শরীয়তের দৃষ্টিতে একটি গ্রহণযোগ্য শর'ঈ ওজর (عذر شرعي)। কষ্টদায়ক অসুস্থতার ক্ষেত্রে মসজিদে না গিয়ে ঘরে একাকী বা পরিবার নিয়ে সালাত পড়ার স্পষ্ট অনুমতি রয়েছে।

কিতাব ও পৃষ্ঠা নম্বর:

  • ফাতাওয়ায়ে মাহমুদিয়া: ১৫শ খন্ড, পৃষ্ঠা: ১৯৩ (অধ্যায়: আদাবুল মসজিদ — 'মসজিদে নাপাক বস্তু বা ময়লা থেকে বেঁচে থাকা'); এবং ২২তম খন্ড, পৃষ্ঠা: ৭৮ ও ৮০ (অধ্যায়: জামা'আত — 'ওজরের কারণে ঘরে সালাত আদায়')।
  • ফাতাওয়ায়ে আলমগীরী: ১ম খন্ড, পৃষ্ঠা: ৮৩–৮৪ (অধ্যায়: সালাত, জামা'আত ত্যাগ করার গ্রহণযোগ্য ওজরসমূহ)।
  • দরসুল ফিকহ (১ম খণ্ড): পৃষ্ঠা: ৯১–৯২ ও ১৫০ (অধ্যায়: জামা'আত ও ওজর)।

৫. আপনার জন্য ইবাদত সহজ করার পদ্ধতি:

উত্তর: আল্লাহ তা'আলা শরী'আতে অসুস্থ ব্যক্তিদের জন্য চরম সহজতা রেখেছেন। ফিকহের মূলনীতি হলো— "কষ্ট ও ওজর শরী'আতে সহজীকরণ নিয়ে আসে" (المشقة تجلب التيسير)।

  • আপনার ইবাদতের সহজ উপায়:
    1. যতক্ষণ ক্ষত থেকে রক্ত বা রস গড়িয়ে পড়বে না, ততক্ষণ আপনার অযু ভাঙবে না। সাধারণ অযু দিয়েই একাধিক ওয়াক্তের নামায পড়তে পারবেন।
    2. মা'যূরের বিধান: যদি কোনো নির্দিষ্ট ওয়াক্তে রক্ত বা রস অনবরত গড়িয়ে পড়তে থাকে (যার ফলে অযু করে কেবল ৪ রাকাত ফরয সালাত পড়ার মতো সময়ও রক্ত পড়া বন্ধ থাকে না), তবে আপনি শরঈ 'মা'যূর' (معذور) হিসেবে গণ্য হবেন। সে ক্ষেত্রে প্রতি ওয়াক্ত ফরয সালাতের সময় শুরু হলে একবার অযু করে নেবেন; ওই এক অযুর দ্বারাই পুরো ওয়াক্তজুড়ে সালাত, তিলাওয়াত ইত্যাদি সব আদায় করতে পারবেন।
    3. সালাত আদায়ের সময় ক্ষতের ওপর পাতলা পরিষ্কার টিস্যু বা সুতি কাপড় দিয়ে রাখতে পারেন যেন কাপড়ে সরাসরি রস গড়িয়ে না লাগে।
    4. বাসাতে নিশ্চিন্ত মনে ও স্থির চিত্তে সালাত আদায় করবেন, মনে কোনো সংশয় রাখবেন না।

কিতাব ও পৃষ্ঠা নম্বর:

  • ফাতাওয়ায়ে মাহমুদিয়া: ৭ম খন্ড, পৃষ্ঠা: ৫৩৫–৫৩৭ (অধ্যায়: সালাতুল মারীয — 'মা'যূরের ফিকহী বিধান ও সহজ নিয়ম')।
  • নূরুল ঈযাহ: বাংলা সংস্করণ, পৃষ্ঠা: ৪১ ও ১২৫ (অধ্যায়: অসুস্থ ব্যক্তির নামায ও মা'যূর)।
  • দরসুল ফিকহ (১ম খণ্ড): পৃষ্ঠা: ৬৯–৭০ (অধ্যায়: 'মা'যূর ব্যক্তির সালাতের রুখসাত ও ছাড়')।

৬. রোগমুক্তির আমল ও সূরা আল-ফাতিহা দিয়ে রুকইয়াহ (শিফা)-এর নিয়ম:

উত্তর: শরীয়তসম্মত রুকইয়াহ ও দো'আর মাধ্যমে চিকিৎসা নেওয়া সুন্নাত।

  1. সূরা আল-ফাতিহা দিয়ে আরোগ্যের নিয়ম: সূরা ফাতিহা হলো 'সূরাতুশ শিফা' (রোগ আরোগ্যকারী সূরা)।
    • পদ্ধতি: সকালে ও রাতে অযু অবস্থায় ১ বার, ৭ বার বা ২১ বার আঊজু-বিসমিল্লাহ সহ সূরা ফাতিহা তিলাওয়াত করবেন। পাঠ শেষে নিজের দুই হাতে ফু দিয়ে শরীরের সমস্ত আক্রান্ত স্থানে মাসেহ করবেন। অথবা একটি পানির পাত্রে ও খাঁটি জয়তুন/নারকেল তেলের পাত্রে ফু দিয়ে সেই পানি পান করবেন এবং তেল চামড়ায় মালিশ করবেন।
  2. রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর প্রামাণ্য দো'আ: এই দো'আটি প্রতিদিন পড়ে ফু দেবেন বা হাত বুলিয়ে দেবেন:

    اللَّهُمَّ رَبَّ النَّاسِ أَذْهِبِ الْبَأْسَ اشْفِ أَنْتَ الشَّافِي لاَ شِفَاءَ إِلاَّ شِفَاؤُكَ شِفَاءً لاَ يُغَادِرُ سَقَمًا (উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা রাব্বান-নাস, আযহিবিল বা'স, ইশফি আন্তাশ-শাফী, লা শিফা-আ ইল্লা শিফা-উকা, শিফা-আল লা ইউগাদিরু সাক্বামা।)

  3. অন্যান্য সুন্নাত আমল: প্রতিদিন সূরা ইখলাস, সূরা ফালাক ও সূরা নাস ৩ বার করে পাঠ করে শরীরে ফুঁ দেওয়া এবং সাধ্য অনুযায়ী দান-সদকা করা।

কিতাব ও পৃষ্ঠা নম্বর:

  • ফাতাওয়ায়ে মাহমুদিয়া: ২০তম খন্ড, পৃষ্ঠা: ৫৩, ৭৯ ও ১১২–১১৩ (অধ্যায়: 'আ'মাল ও ওযায়িফ / রুকইয়াহ শরইয়্যাহ'); এবং ১৭তম খন্ড, পৃষ্ঠা: ১০৯।
  • গবেষণা সংক্রান্ত প্রতিবেদন: পৃষ্ঠা: ৪–৫ (কুরআনী আয়াতের মাধ্যমে শিফা ও রুকইয়াহর শরঈ বিধান)।

والله أعلم بالصواب


This site is protected by reCAPTCHA and the Google Privacy Policy and Terms of Service apply.