রমজানের কাজা রোযা সম্পর্কিত

Siyam-Fasting · Ahle Hadith / Salafi

Question No: 7334
Questioner: Zannatul Ferdous Sharia
Question Asked: 24 Oct 2026, 09:44 AM
Reviewed & Published: 24 Oct 2026, 10:52 AM
Views: 15
Tokens: 3,482
This answer is according to the 'Ahle Hadith / Salafi' school of thought.
This answer was reviewed and published by .

Question

রমজানের ১৭তম দিনের একটি রোজা কাজা হয়েছে। সেই রোজার কাজা আদায় করার জন্য অন্য কোনো একদিন কাজা রোজার নিয়ত করে রোজা রাখলাম, কিন্তু পরে রোজাটি ভেঙে ফেললাম। যদিও রোজাটি পূর্ণ করার ইচ্ছা ছিল, তবুও রাখতে পারিনি।

এখন আমার প্রশ্ন হলো, অন্য কোনো দিন রমজানের ১৭তম দিনের কাজা রোজাটি রাখলেই কি যথেষ্ট হবে? নাকি যেদিন কাজা রোজার নিয়ত করে ভেঙে ফেলেছিলাম, সেই দিনের জন্য আরও একটি রোজা রাখতে হবে? এ ক্ষেত্রে কি কোনো কাফফারা দিতে হবে?

Answer

রোজার কাজা ভেঙে ফেলার বিধান

উত্তর

প্রশ্নে উল্লেখিত ছুরতে অন্য কোনো দিন রমজানের ১৭তম দিনের কাজা রোজাটি রাখলেই যথেষ্ট হবে।

নফল/কাজা রোজা শুরু করার পর ভেঙে ফেলার বিধান

রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:

«الصَّائِمُ المُتَطَوِّعُ أَمِينُ نَفْسِهِ، إِنْ شَاءَ صَامَ وَإِنْ شَاءَ أَفْطَرَ»

"স্বেচ্ছায় (নফল) রোজা রাখা ব্যক্তি নিজের আমানতদার; সে চাইলে রোজা রাখবে, চাইলে ভেঙে ফেলবে।"

— সুনান আবু দাউদ ২৪৫৫, সুনান তিরমিজি ৭৩২ (শাইখ আল-আলবানি সহিহ বলেছেন)

তবে ফরজ বা কাজা রোজা শুরু করার পর তা ভেঙে ফেলা জায়েয নয়; এটি একটি গুনাহ। আর ভেঙে ফেললে সেই রোজা অবশ্যই কাজা করতে হবে।

শাইখ ইবন উসাইমিন (রহ.)-এর ফতোয়া

শাইখ মুহাম্মাদ ইবন সালিহ আল-উসাইমিন (রহ.) বলেন:

"যদি কোনো ব্যক্তি রমজানের ফরজ রোজার কাজা শুরু করে, তারপর তা ভেঙে ফেলে, তাহলে তার উপর ওয়াজিব হলো সেই রোজাটি পুনরায় কাজা করা। কেননা সে রোজাটি শুরু করার মাধ্যমে তা নিজের উপর আবশ্যক করে নিয়েছে।"

— মাজমুউ ফাতাওয়া ওয়া রাসাইল ইবন উসাইমিন, ১৯/১২৩


This site is protected by reCAPTCHA and the Google Privacy Policy and Terms of Service apply.