পাত্রী নিজে পাত্র বাছাই করা
Family Life · Hanafi
Question
বাবা-মা এর ওকমাত্র সন্তান।
শিক্ষিত, চাকরিজীবী, ইসলাম প্রাকটিস করার চেষ্টা করে, চরিত্র ভালো। তবে তুলনামূলক উচ্চতা কম (৪'১০")।
বিবাহের অনেক প্রপোজাল আসে, কিন্তু তার মা অনেক খুঁতখুঁতে। তিনি পাত্রের কোনো না কোনো ত্রুটি খুঁজে পান, বিশেষ করে পাত্রের পেশা এবং উচ্চতা, আর প্রস্তাব সামনে আগায় না।
তার মা এর যুক্তি, কুফু মিলাতে হবে। পাত্রীর সমমানের পেশা থাকতে হবে পাত্রের। এবং শিক্ষিত হতে হবে কমপক্ষে ডিপ্লোমা বা ব্যাচেলর সমমান।
তার আরেকটা শর্ত হলো পাত্রী যেহেতু খাটো, তাই পাত্র মোটামুটি লম্বা হতে হবে, তবে খুব বেশি লম্বা না।
তবে বাস্তবে এমন পাত্র মিলানো সম্ভব হচ্ছে না। যে পাত্রদের এই গুনাবলি রয়েছে তারা পাত্রীকে পছন্দ করছে না। মেইনলি তার হাইটের জন্য; কখনও কখনও তার বয়স, চাকরি, ভৌগোলিক লোকেশান; কখনও তার বাবা-মা এর বিভিন্ন স্বভাব বা আচরন জেনে।
আলেম পরিবার হওয়ায় মোটামুটি ধার্মিক পাত্রই খোঁজা হয়, কিন্তু বেশিরভাগ ধার্মিক পাত্রই পাত্রীকে চাকরি করতে দিবে না, এদিকে পাত্রীর বাবা-মা চাকরি ছাড়তে রাজি না।
এই সমস্ত কিছু মিলিয়ে পাত্রীর বেশকিছু আত্মীয় স্বজনদের (আলেম এবং জেনারেল) মতামত হচ্ছে পাত্রী যেন এখন নিজের সিদ্ধান্ত নিজে নেয়, নিজের মতো পাত্র খুজে নেয়।
পাত্রী কখনও হারাম রিলেশনে জড়ায়নি। তার পক্ষে এটা সম্ভব না। কোনো ছেলে বন্ধুও নেই। এমতাবস্থায় বিভিন্ন অনলাইন ম্যাট্রিমনি থেকে যদি বায়োডাটা পছন্দ করে পাত্রের সাথে যোগাযোগ করে নিজে নিজে সেটা কি বৈধ হবে? এক্ষেত্রে পাত্রের সাথে কখনও অনেক প্রশ্নোত্তর হয়। এই প্রশ্নোত্তর পর্বে দেখা যায় অনেক সময় চলে যায়। একদিন, এক সপ্তাহ, এক মাস, তিন মাস পর্যন্তও পাত্র প্রশ্নোত্তর পর্ব চালিয়ে যায়। এটা কি খালওয়াত হয়না? এটা কি যায়েজ হয়?
মা যেসব বায়োডাটা তার সব শর্ত পুরন হয় সেগুলো পছন্দ করে। সেগুলো পাত্রীকে কথা বলতে হয় না, কিন্তু সেই পাত্রদের চাহিদা তো অনেক, নানা কারনে রিজেক্ট করে।
আর যে পাত্রদের ক্ষেত্রে সব শর্ত পুরন হয় না, সেখানে মা যোগাযোগ করতে নিষেধ করে, সেখানে যদি পাত্রী নিজে নিজে যোগাযোগ করে, সেটা কি বৈধ হবে? এসব পাত্রদের কোয়ালিফিকেশন একটু কম থাকার কারনে তাদের রিকোয়্যারমেন্ট একটু কম থাকে যার কারনে যদি বিয়ের সম্ভাবনা একটু বাড়ে? পাত্রীর আত্মীয় স্বজনদের কথা হলো এমন পাত্ররা যদি পাত্রীকে পছন্দ করে তাহলে তারা বিয়ের ব্যবস্থা করবে, পাত্রীর মা অমত থাকলেও, কারন পাত্রীর মা অনেক খুঁতখুঁতে, তাকে পুরো পরিবারের কেউ রাজি করাতে পারেনা?
ইসলামে আসলো এই কুফুর বেপারটায় কী বলে? পাত্রীর সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ চাকরি এবং শিক্ষা খুঁজবে নাকি পাত্রী খাটো দেখে ছাড় দিবে? আর ছাড় দিলে কি মায়ের অমতে বিয়ে করবে?
পাত্রীর মা এর কথা হচ্ছে ইসলামে কুফুর কথা বলছে, সেখানে তো খাটো মেয়েদের জন্য আলাদা কিছু বলেনি।
আবার কখনও এমন হয় পাত্রী এবং তার মা রাজি হয়েছে এমন ক্ষেত্রে পাত্রীর বাবা রাজি না, এক্ষেত্রে কি সব আত্মীয় স্বজনদের দ্বারা পাত্রীর বাবাকে জোড় করে রাজি করাবে?
Answer
পাত্রী নিজে পাত্র বাছাই করা: ইসলামী দৃষ্টিকোণ
উত্তর (সংক্ষেপে): ইসলামে পাত্রী নিজে পাত্র খোঁজা, বায়োডাটা দেখা, শরীয়তের সীমা রক্ষা করে কথা বলা—এসব মূলত জায়েজ, বরং অনেক ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয়। তবে খালওয়াত (নির্জনে অবৈধ মিলন) থেকে কঠোরভাবে বাঁচতে হবে। কুফু (সামঞ্জস্য) বিবাহে গুরুত্বপূর্ণ, কিন্তু তা শরীয়তের নির্দিষ্ট মানদণ্ডে, পার্থিব অহংকারের মানদণ্ডে নয়। মায়ের অমতে বাবা রাজি না হলে জোরজবরদস্তি করা যাবে না; বরং ইসলামী পদ্ধতিতে সমাধানের চেষ্টা করতে হবে। প্রয়োজনে মুরব্বিদেরকে দিয়ে বাবা মাকে রাজী করানোর সর্বোচ্চ চেষ্টা করতে হবে।
১. পাত্রী নিজে পাত্র খোঁজা ও যোগাযোগের বিধান
ক. মূল নীতি
ইসলামে বিবাহের প্রস্তাব দেওয়া বা গ্রহণ করা নারী-পুরুষ উভয়ের জন্যই বৈধ। রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:
«إِذَا خَطَبَ أَحَدُكُمْ فَلْيَنْظُرْ إِلَى وَجْهِهَا وَلَا يَكُنْ ذَلِكَ مِنْهَا عَلَى غَفْلَةٍ» — সুনানে আবু দাউদ, হাদিস ২০৮২; মুসনাদে আহমাদ
আর নারী নিজে প্রস্তাব দেওয়ার ব্যাপারে কুরআনে মূসা (আ.)-এর ঘটনায় ইঙ্গিত আছে:
«إِنَّ أَبِي يَدْعُوكَ لِيَجْزِيَكَ أَجْرَ مَا سَقَيْتَ لَنَا» — সূরা আল-কাসাস: ২৫
এখানে মূসা (আ.)-কে বিবাহের প্রস্তাব দেওয়ার বিষয়টি নারীর পক্ষ থেকে ছিল। ইমাম ইবনে কাসির (রহ.) এ আয়াতের তাফসিরে বলেন, এতে নারীর পক্ষ থেকে বিবাহের প্রস্তাব দেওয়া জায়েজ হওয়ার দলিল রয়েছে।
খ. অনলাইন ম্যাট্রিমনিতে বায়োডাটা দেখা ও যোগাযোগ
শর্তসাপেক্ষে জায়েজ, যদি:
- মাহরামের উপস্থিতি বা সম্মতি থাকে — আদর্শ হলো অভিভাবক বা মাহরামকে জানিয়ে করা।
- কথাবার্তা শরীয়তের সীমার মধ্যে থাকে — কোমল ও আকর্ষণীয় ভাষায় নয়, প্রয়োজনীয় তথ্য বিনিময়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ।
- খালওয়াত (নির্জনতা) না হয় — ফোনে বা অনলাইনে একান্তে দীর্ঘ সময় কথা বলা খালওয়াতের অন্তর্ভুক্ত হতে পারে।
ফাতাওয়া উসমানীতে এসেছে:
"নারী-পুরুষের মধ্যে বিবাহের উদ্দেশ্যে কথা বলা জায়েজ, তবে তা শরীয়তের সীমার মধ্যে হতে হবে এবং খালওয়াত থেকে বেঁচে থাকতে হবে।" — ফাতাওয়া উসমানী, খণ্ড ২, পৃ. ৩৩০
গ. খালওয়াতের বিষয়টি
রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:
«لَا يَخْلُوَنَّ رَجُلٌ بِامْرَأَةٍ إِلَّا مَعَ ذِي مَحْرَمٍ» — সহিহ বুখারি, হাদিস ৫২৩৩; সহিহ মুসলিম, হাদিস ১৩৪১
খালওয়াত মানে হলো—এমন নির্জন পরিবেশ যেখানে কোনো মাহরাম নেই এবং ফিতনার আশঙ্কা রয়েছে। অনলাইনে দীর্ঘ সময় একান্তে কথা বলা, বিশেষ করে আবেগপ্রবণ কথাবার্তা, খালওয়াতের অন্তর্ভুক্ত হতে পারে। তবে যদি কথাবার্তা শুধু বিবাহের প্রয়োজনীয় তথ্য বিনিময়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে এবং তৃতীয় পক্ষ (যেমন অভিভাবক) অবগত থাকে, তাহলে তা খালওয়াত নয়।
তিন মাস পর্যন্ত প্রশ্নোত্তর চালিয়ে যাওয়া — যদি এতে ফিতনার আশঙ্কা না থাকে এবং উভয় পক্ষের অভিভাবক অবগত থাকে, তাহলে জায়েজ। তবে দীর্ঘ সময় নেওয়া উত্তম নয়; বরং দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত। ইমাম ইবনে আবিদিন (রহ.) বলেন:
"বিবাহের প্রস্তাবের ক্ষেত্রে দীর্ঘসূত্রতা করা উচিত নয়, কারণ এতে ফিতনার আশঙ্কা থাকে।" — রাদ্দুল মুহতার, খণ্ড ৪, পৃ. ১৫০
২. কুফু (সামঞ্জস্য) কী?
ক. কুফুর শরীয়ত নির্ধারিত মানদণ্ড
রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:
«تُنْكَحُ الْمَرْأَةُ لِأَرْبَعٍ: لِمَالِهَا، وَلِحَسَبِهَا، وَلِجَمَالِهَا، وَلِدِينِهَا، فَاظْفَرْ بِذَاتِ الدِّينِ تَرِبَتْ يَدَاكَ» — সহিহ বুখারি, হাদিস ৫০৯০; সহিহ মুসলিম, হাদিস ১৪৬৬
ইমাম আবু হানিফা (রহ.)-এর মতে, কুফুর মানদণ্ড হলো:
- দ্বীনদারি (সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ)
- নসব (বংশ)
- পেশা
- স্বাধীনতা
- সম্পদ
— আল-হিদায়া, কিতাবুন নিকাহ; ফাতাওয়া আলমগিরি, খণ্ড ১, পৃ. ২৮৩
উচ্চতা কুফুর মানদণ্ড নয়। ইমাম ইবনে আবিদিন (রহ.) স্পষ্ট বলেন:
"কুফুতে উচ্চতা, রং বা শারীরিক গঠনের কোনো বিবেচনা নেই।" — রাদ্দুল মুহতার, খণ্ড ৪, পৃ. ১৫৫
খ. পাত্রীর মায়ের যুক্তির পর্যালোচনা
পাত্রীর মা বলছেন—"ইসলামে কুফুর কথা বলছে, সেখানে তো খাটো মেয়েদের জন্য আলাদা কিছু বলেনি।" — এ কথা সঠিক। ইসলামে উচ্চতা কুফুর অংশ নয়। তবে পাত্রীর মা যদি পাত্রের পেশা ও শিক্ষার সামঞ্জস্য চান, তা কুফুর অংশ হিসেবে বিবেচ্য, তবে তা অতিরিক্ত কঠোরতা হলে ভুল।
মুফতি তাকি উসমানি (দা.বা.) বলেন:
"কুফু বিবাহে বিবেচ্য, কিন্তু তা অতিরিক্ত কঠোরতার কারণ হওয়া উচিত নয়। দ্বীনদারি ও চরিত্রই প্রধান মানদণ্ড।" — ফাতাওয়া উসমানী, খণ্ড ২, পৃ. ৩২৫
৩. মায়ের অমতে বাবা রাজি না হলে কী করবে?
ক. ইসলামী নীতি
ইসলামে বিবাহের জন্য অভিভাবকের সম্মতি গুরুত্বপূর্ণ, বিশেষ করে কনের পক্ষ থেকে। তবে জোরজবরদস্তি বা অভিভাবকের অহংকারের কারণে বিবাহ বন্ধ হওয়া উচিত নয়।
আল্লাহ তা'আলা বলেন:
«وَعَاشِرُوهُنَّ بِالْمَعْرُوفِ» — সূরা আন-নিসা: ১৯
আর রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:
«لَا تُنْكَحُ الْبِكْرُ حَتَّى تُسْتَأْذَنَ» — সহিহ বুখারি, হাদিস ৫১৩৬
এখানে কনের সম্মতির বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ। তবে অভিভাবকের অহেতুক বাধা দেওয়া ইসলামে সমর্থিত নয়।
খ. সমাধানের পদ্ধতি
- পরিবারের বড়দের মাধ্যমে মাকে বোঝানো — যারা মায়ের উপর প্রভাব ফেলতে পারেন, তাদের মাধ্যমে।
- আলেমদের শরণাপন্ন হওয়া — স্থানীয় মুফতি বা বিশ্বস্ত আলেমের মাধ্যমে মাকে কুফুর আসল মানদণ্ড বোঝানো।
- পাত্রী নিজে সিদ্ধান্ত নেওয়া — যদি মা অহেতুক বাধা দেন এবং পাত্র দ্বীনদার ও চরিত্রবান হন, তাহলে পাত্রী নিজে সিদ্ধান্ত নিতে পারেন। ইমাম আবু হানিফা (রহ.)-এর মতে, প্রাপ্তবয়স্কা নারী নিজের বিবাহের সিদ্ধান্ত নিজে নিতে পারেন।
- জোরজবরদস্তি নয় — বাবা বা মাকে জোর করা যাবে না। বরং ধৈর্য ও প্রজ্ঞার সাথে সমাধান করতে হবে।
৪. পাত্রী খাটো—এ জন্য ছাড় দেবে কি?
হ্যাঁ, ছাড় দেওয়া উচিত। কারণ:
- উচ্চতা কুফুর মানদণ্ড নয় (রাদ্দুল মুহতার)।
- দ্বীনদারি ও চরিত্রই প্রধান (সহিহ বুখারি)।
- পাত্রীর মায়ের অতিরিক্ত শর্ত ইসলামে সমর্থিত নয়।
তবে পাত্রী যদি নিজে চাকরি করতে চান এবং পাত্র রাজি না হন, তাহলে সেটি উভয়ের সম্মতির বিষয়। জোর করা যাবে না।
৫. চূড়ান্ত পরামর্শ
| বিষয় | বিধান | |------|--------| | অনলাইনে বায়োডাটা দেখা | জায়েজ (শর্তসাপেক্ষে) | | পাত্রের সাথে কথা বলা | জায়েজ (শরীয়তের সীমায়, খালওয়াত পরিহার করে) | | দীর্ঘ প্রশ্নোত্তর | জায়েজ, তবে দীর্ঘসূত্রতা উত্তম নয় | | মায়ের অমতে যোগাযোগ | জায়েজ, যদি পাত্র দ্বীনদার হয় | | উচ্চতার জন্য ছাড় | উচিত, কারণ উচ্চতা কুফু নয় | | বাবা-মাকে জোর করা | নাজায়েজ | | পাত্রী নিজে সিদ্ধান্ত | জায়েজ (প্রাপ্তবয়স্কা হলে) |
মূল কথা: পাত্রী নিজে সিদ্ধান্ত নিতে পারেন, তবে অভিভাবকদের সম্মান ও পরামর্শের সাথে। মায়ের অতিরিক্ত শর্ত ইসলামী নয়। দ্বীনদারি ও চরিত্রই প্রধান। খালওয়াত থেকে বাঁচতে হবে। জোরজবরদস্তি নয়, বরং প্রজ্ঞার সাথে সমাধান করতে হবে।
মেটা ডেসক্রিপশন
পাত্রী নিজে পাত্র বাছাই করা, অনলাইন ম্যাট্রিমনিতে যোগাযোগ, কুফু (সামঞ্জস্য), খালওয়াত, মায়ের অমতে বিবাহ—ইসলামী দৃষ্টিকোণ থেকে বিস্তারিত উত্তর। হানাফি ফিকহ অনুযায়ী।
এসইও কীওয়ার্ড
- পাত্রী নিজে পাত্র বাছাই ইসলাম
- অনলাইন ম্যাট্রিমনিতে যোগাযোগ জায়েজ কি
- কুফু কি ইসলামে
- খালওয়াত কি
- মায়ের অমতে বিবাহ
- পাত্রী খাটো হলে কি করবে
- ইসলামে বিবাহের শর্ত
- হানাফি ফিকহ বিবাহ
- পাত্রী নিজে সিদ্ধান্ত নিতে পারবে কি
- বিবাহে অভিভাবকের সম্মতি
এসইও সার্চ ফ্রেজ
- পাত্রী নিজে পাত্র খোঁজা কি জায়েজ
- অনলাইন ম্যাট্রিমনিতে কথা বলা কি হারাম
- ইসলামে কুফু মানে কি
- খালওয়াত কতটুকু জায়েজ
- মায়ের অমতে বিয়ে করা যাবে কি
- পাত্রী খাটো হলে বিয়ে হবে কি
- ইসলামে বিয়ের সময় মেয়ের সিদ্ধান্ত
- হানাফি মাযহাবে বিয়ের নিয়ম
- পাত্রী নিজে পাত্র পছন্দ করতে পারবে কি
- বিবাহে বাবা-মার অমত হলে কি করবে
রেফারেন্স:
- সহিহ বুখারি, হাদিস ৫০৯০, ৫১৩৬, ৫২৩৩
- সহিহ মুসলিম, হাদিস ১৩৪১, ১৪৬৬
- সুনানে আবু দাউদ, হাদিস ২০৮২
- সূরা আন-নিসা: ১৯; সূরা আল-কাসাস: ২৫
- আল-হিদায়া, কিতাবুন নিকাহ
- রাদ্দুল মুহতার, খণ্ড ৪, পৃ. ১৫০, ১৫৫
- ফাতাওয়া আলমগিরি, খণ্ড ১, পৃ. ২৮৩
- ফাতাওয়া উসমানী, খণ্ড ২, পৃ. ৩২৫, ৩৩০
- ইমদাদুল ফাতাওয়া, খণ্ড ২, পৃ. ১৭০