বিকাশের শরিয়াভিত্তিক সেভিংস
Halal and Haram · Hanafi
Question
আমি যদি শুধু সেভিংস এর উদ্দেশে এটা করি এবং সময় শেষ হওয়ার ১ মাস আগেই এটা সেভিংস বন্ধ করে টাকা তুলে ফেলি তাহলে আমাকে কোন এক্সট্রা টাকা তারা দিবেনা। এভাবে করলে কি আমি সুধ খাচ্ছি?
Answer
বিকাশের শরিয়াভিত্তিক সেভিংস: হালাল না হারাম?
প্রশ্নের সারসংক্ষেপ
প্রশ্নকারী জানতে চেয়েছেন—বিকাশের "শরিয়াভিত্তিক সেভিংস" (Savings) অ্যাকাউন্টে টাকা জমা রাখা হালাল না হারাম? তিনি টাকা জমাতে চান, কিন্তু বিকাশ ছাড়া আপাতত কোনো উপায় নেই। তিনি যদি শুধু সেভিংসের উদ্দেশ্যে অ্যাকাউন্ট খোলেন এবং মেয়াদ শেষ হওয়ার ১ মাস আগেই সেভিংস বন্ধ করে টাকা তুলে নেন—যাতে কোনো এক্সট্রা/বোনাস টাকা না পান—তাহলে কি তিনি সুদ খাচ্ছেন?
জবাবঃ- বিকাশের "শরিয়াভিত্তিক সেভিংস" (Savings) অ্যাকাউন্টে টাকা জমা রাখা হারাম।
এক্ষেত্রে সে যদি তার মূলধনের চেয়ে এক টাকাও বেশি গ্রহণ না করে,সেক্ষেত্রে সে সুদ গ্রহণ করছেনা,তাই তার সুদ ভক্ষনের গুনাহ হবেনা।
তবে এ ধরনের একাউন্ট খোলা যেহেতু জায়েজ নেই,তাই তার গুনাহ অবশ্যই হবে।
আল্লাহ তাআলা বলেন:
وَأَحَلَّ اللَّهُ الْبَيْعَ وَحَرَّمَ الرِّبَا
"আল্লাহ ব্যবসাকে হালাল করেছেন এবং সুদকে হারাম করেছেন।" — (সূরা আল-বাকারা: ২৭৫)
রাসূলুল্লাহ ﷺ সুদ গ্রহণকারী, সুদ দানকারী, সুদের লেখক ও সাক্ষী—সবাইকে অভিসম্পাত করেছেন। (সহিহ মুসলিম, হাদিস: ১৫৯৮)
ইমাম ইবন আবিদিন (রহ.) «রাদ্দুল মুহতার»-এ উল্লেখ করেন:
كل قرض جر نفعا فهو ربا
"প্রত্যেক সেই ঋণ, যা (ঋণদাতার জন্য) কোনো উপকার টেনে আনে, তা সুদ।" — (রাদ্দুল মুহতার, কিতাবুল বুয়ু, খণ্ড ৫)
والله أعلم بالصواب