হায়েযের 240 ঘণ্টা কখন পূরণ হয়েছে ধরব ?

Taharah Purity · Hanafi

Question No: 5807
Questioner: Taj
Question Asked: 22 Sep 2026, 12:58 PM
Reviewed & Published: 22 Sep 2026, 02:42 PM
Views: 9
Tokens: 3,855
This answer is according to the 'Hanafi' school of thought.
This answer was reviewed and published by .

Question

আমার হায়েজ শুরু হয়েছিল ১০ দিন আগে দুপুরের দিকে যোহরের ওয়াক্তে আজকে দশ দিন পূর্ণ হয়েছে আজকে থেকে সালাত আদায় করতে হবে এখন আজকের দিনের ফজর সালাতও সালাতো কি ওযু করে পড়ার কথা নাকি এটা মকর কারণ আমার শুরু হয়েছিল ১১ তারিখ জোহরের ওয়াক্ত ে আর যেহেতু ২৪০ ঘন্টা পূর্ণ হয় লাগবে সে তো আজকে যোহরের ওয়াক্তে মা 240 ঘন্টা পূরণ হবে তো সেই হিসেবে আমার কি আজকে ফজল সালাত পড়তে হতো আমি কি পড়তে হবে না ?

Answer

হায়েজ ২৪০ ঘণ্টা (১০ দিন) পূর্ণ হওয়ার হিসাব ও নামাজ শুরু করার বিধান


সঠিক মাসআলা

১. হায়েজের সর্বোচ্চ মেয়াদ ১০ দিন

হানাফি মাযহাবে হায়েজের সর্বোচ্চ মেয়াদ ১০ দিন ১০ রাত। এর বেশি হলে তা হায়েজ নয়, বরং ইস্তিহাযা (অসুস্থতার রক্ত) হিসেবে গণ্য হবে।

রেফারেন্স:

  • আল-হিদায়া — “হায়েজের সর্বনিম্ন মেয়াদ ৩ দিন ৩ রাত, সর্বোচ্চ ১০ দিন ১০ রাত।”
  • রাদ্দুল মুহতার (ইবনে আবিদীন), খণ্ড ১, কিতাবুত তাহারাত — “وَالْحَيْضُ عَشَرَةُ أَيَّامٍ”
  • ফাতাওয়া আলমগিরি, খণ্ড ১, পৃ. ৩৫

**হায়েজের মেয়াদ গণনা হয় দিন-রাত হিসেবে। সুতরাং আজকে যোহরের ওয়াক্ত আসা মাত্র আপনার দশ দিন পূর্ণ হয়েছে। এ ক্ষেত্রে জোহরের ওয়াক্ত চলাকালীন সময়েও যদি আপনার ব্লিডিং চলতে থাকে, সেক্ষেত্রে আপনি পূর্বের মাসগুলোর অভ্যাস অনুপাতে এ মাসে হায়েজ ধরবেন।

বাকি দিনগুলিকে ইস্তেহাজা ধরবেন,ইস্তিহাজার দিন গুলির নামাজের কাজা আদায় করবেন।

আর যদি আজকে যোহরের ওয়াক্ত আসার আগেই আপনি পবিত্র হয়ে যান, সে ক্ষেত্রে ফরজ গোসল করে আপনি যোহরের ওয়াক্ত হতে নামাজ আদায় করবেন।

ইবনে আবিদীন (রহ.) — রাদ্দুল মুহতার

“হায়েজের সর্বোচ্চ মেয়াদ ১০ দিন। এর বেশি হলে তা ইস্তিহাযা।”

মুফতি তাকি উসমানি — ফাতাওয়া উসমানি

“হায়েজের মেয়াদ দিন-রাত হিসেবে গণনা করা হয়। ১০ দিন ১০ রাত পূর্ণ হলে হায়েজ শেষ।”

মুফতি মুহাম্মদ শফি — ইমদাদুল ফাতাওয়া

“যদি ১০ দিনের মধ্যে রক্ত বন্ধ না হয়, তবে ১০ দিন পূর্ণ হলে গোসল করে নামাজ শুরু করবে।”

আশরাফ আলী থানভী — বেহেশতী জেওর

“হায়েজ সর্বোচ্চ ১০ দিন। এর পর রক্ত আসলে তা ইস্তিহাযা, নামাজ মাফ নয়।”


This site is protected by reCAPTCHA and the Google Privacy Policy and Terms of Service apply.