PCOS রোগিণীর বাদামি স্রাব নিয়ে ইসলামী মাসআলা: হায়েজ না ইস্তিহাযা?

Taharah Purity · Hanafi

Question No: 5759
Questioner: Asphiya 0646
Question Asked: 21 Sep 2026, 11:52 AM
Reviewed & Published: 21 Sep 2026, 11:59 AM
Views: 8
Tokens: 5,722
This answer is according to the 'Hanafi' school of thought.
This answer was reviewed and published by .

Question

আসসালামু আলাইকুম। আমার একটি প্রশ্ন ছিলো। আমার হরমোনের সমস্যা অর্থাৎ pcos। আমি ডক্টর দেখালে ডাক্তার আমাকে একমাসের ওষুধ দেন।। ওষুধ খাওয়ার পর আমার পিরিয়ড হয় আট তারিখে। কোন রকম blood যায়নি তবে বাদামি স্রাব যেতো সেটা টিস্যু দিয়ে মুছলেই হতো। প্যাড লাগতো না। এমনই চলে 14 তারিখ পযর্ন্ত। পরে ভালো হয়ে যাইহ। আমার অভ্যাস 7দিন পরে নামাজ ও শুরু করি। কিন্তু 19 তারিখ থেকে আবার সেই বাদামি স্রাব বের হচ্ছে। একটু হাটাহাটি করলেই বের হয়।। এবং হঠাৎ হঠাৎ বেশি হয়। আবার কখন ও দেখা ও যায়। এখন আমি কি নামাজ পরতে পারবো? আর আমার কি প্রতিবার ই কি ফরজ গোসল করতে হবে। যেমন আমি সকালে দেখেছি এমন আসছে বিকেলে নাই। আবার পরদিন দেখা যাচ্ছে তাহলে কি করবো?

Answer

হায়েজ ও ইস্তিহাযা সম্পর্কিত মাসআলা — PCOS রোগিণীর বাদামি স্রাব

উত্তর

بسم الله الرحمن الرحيم الحمد لله رب العالمين، والصلاة والسلام على أشرف الأنبياء والمرسلين، محمد وعلى آله وصحبه أجمعين، أما بعد:

আপনার বর্ণনা অনুযায়ী — ৮ তারিখ থেকে ১৪ তারিখ পর্যন্ত বাদামি স্রাব,এটি হায়েজ বলে গন্য হবে।

তারপর ১৯ তারিখ থেকে বাদামি স্রাব — এ অবস্থায় আপনি ১৯ তারিখ থেকে ইস্তিহাযার (অসুস্থতার রক্ত) রোগিণী হিসেবে গণ্য হবেন।

ইস্তিহাযার স্রাব নামাজ-রোজা বন্ধ করে না, এবং প্রতিবার ফরজ গোসলও ওয়াজিব হয় না। মা'যুর হলে শুধু প্রত্যেক নামাজের ওয়াক্তে একবার অযু করবেন এবং স্রাব বের হওয়া সত্ত্বেও নামাজ পড়তে পারবেন।

রাসূলুল্লাহ ﷺ ফাতিমা বিনতে আবু হুবাইশ (রাযি.)-কে বলেছিলেন:

«إِنَّ دَمَ الْحَيْضِ دَمٌ أَسْوَدُ يُعْرَفُ، فَإِذَا كَانَ ذَلِكَ فَأَمْسِكِي عَنِ الصَّلَاةِ، فَإِذَا كَانَ الْآخَرُ فَتَوَضَّئِي وَصَلِّي، فَإِنَّمَا هُوَ عِرْقٌ»

"হায়েজের রক্ত কালো ও চেনা যায়। যখন তা হয়, নামাজ থেকে বিরত থাকো। আর যখন অন্য রকম হয়, অযু করে নামাজ পড়ো; কারণ তা শুধু একটি শিরা (ইস্তিহাযা)।"

সুনানে আবু দাউদ, হাদিস ২৮৬; সুনানে নাসাঈ, হাদিস ৩৫৫; মুসনাদে আহমাদ ইমাম আবু হানিফা (রহ.) বলেন, ইস্তিহাযার রোগিণী প্রত্যেক নামাজের জন্য অযু করবে। (আল-হিদায়া, খণ্ড ১, পৃ. ৩৪; রাদ্দুল মুহতার, খণ্ড ১, পৃ. ২৯৮)


This site is protected by reCAPTCHA and the Google Privacy Policy and Terms of Service apply.