কাগজে কী লেখা ছিল না জেনে এবং চাপ/জোরের মধ্যে স্বাক্ষর করলে শুধুমাত্র সেই স্বাক্ষরের মাধ্যমে তালাক সংঘটিত হয় কি?

Marriage and Divorce · Hanafi

Question No: 5575
Questioner: Jahid Hasan
Question Asked: 17 Sep 2026, 02:35 AM
Reviewed & Published: 17 Sep 2026, 05:52 AM
Views: 8
Tokens: 11,507
This answer is according to the 'Hanafi' school of thought.
This answer was reviewed and published by .

Question

**বরাবর**
সম্মানিত মুফতি সাহেব

**আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ।**

জনাব, একটি বিবাহ ও তালাক-সংক্রান্ত বিষয়ে কুরআন, সহিহ হাদিস ও নির্ভরযোগ্য ফিকহের আলোকে লিখিত ফতোয়া প্রার্থনা করছি।

**ঘটনার সংক্ষিপ্ত বিবরণ:**
রাকিবের বয়স বিবাহের সময় ২১ বছর এবং রাহিমার বয়স ১৭ বছর ছিল। তারা নিজেদের ইচ্ছায় বাড়ি থেকে চলে গিয়ে বিবাহ করেন। রাহিমার বাবা-মা বিবাহের সময় উপস্থিত ছিলেন না এবং তারা এই বিবাহে সম্মত ছিলেন না। তবে রাহিমা নিজ ইচ্ছায় রাকিবকে বিবাহ করতে সম্মত ছিলেন।

বিবাহের সময় **২ জন পুরুষ ও ১ জন মহিলা সাক্ষী** উপস্থিত ছিলেন। **দেনমোহর ১,০০,০০০ টাকা** নির্ধারণ করা হয় এবং সাক্ষীদের সামনে রাকিব ও রাহিমা পরস্পরকে বিবাহের প্রস্তাব ও গ্রহণ করেন এবং “কবুল” বলেন।

বিবাহের প্রায় ৭ দিন পর একটি **নীল কাগজ/ডায়েরির মতো কাগজে** কিছু লেখা হয় এবং রাকিব ও রাহিমার কাছ থেকে স্বাক্ষর নেওয়া হয়। তাদেরকে কাগজের সম্পূর্ণ লেখা পড়তে দেওয়া হয়নি এবং তারা কাগজে কী লেখা ছিল তা জানতেন না। স্বাক্ষর নেওয়ার সময় **চাপ/জোর প্রয়োগ করা হয়েছিল**। রাকিব নিজে তালাক দেওয়ার উদ্দেশ্যে কোনো স্পষ্ট তালাকের বাক্য উচ্চারণ করেছিলেন কি না, সেটিও নিশ্চিত নয়।

**অনুগ্রহ করে নিম্নের প্রশ্নগুলোর উত্তর দিন:**

১. রাহিমার বাবা-মায়ের সম্মতি ও উপস্থিতি না থাকলেও তার নিজের ইচ্ছায় এই বিবাহ শরিয়াহ অনুযায়ী সহিহ হয়েছে কি?

২. ২ জন পুরুষ ও ১ জন মহিলা সাক্ষী, নির্ধারিত দেনমোহর এবং ইজাব-কবুলের মাধ্যমে বিবাহের শরয়ী শর্ত পূরণ হয়েছে কি?

৩. কাগজে কী লেখা ছিল না জেনে এবং চাপ/জোরের মধ্যে স্বাক্ষর করলে শুধুমাত্র সেই স্বাক্ষরের মাধ্যমে তালাক সংঘটিত হয় কি?

৪. স্বামী যদি কাগজের বিষয়বস্তু না জানেন এবং তালাক দেওয়ার নিয়ত না করেন, তাহলে তার স্বাক্ষরের শরয়ী হুকুম কী?

৫. যদি তালাক সংঘটিত না হয়ে থাকে, তাহলে রাকিব ও রাহিমা বর্তমানে শরিয়াহ অনুযায়ী স্বামী-স্ত্রী হিসেবে বহাল আছেন কি?

৬. যদি তালাক সংঘটিত হয়ে থাকে, তাহলে সেটি **রাজঈ না বায়েন**, এবং পুনরায় সংসার করার শরয়ী পদ্ধতি কী?

**অনুরোধ:**
দয়া করে প্রতিটি প্রশ্নের উত্তর **কুরআনের আয়াত, সহিহ হাদিস ও নির্ভরযোগ্য ফিকহের সূত্রসহ** প্রদান করবেন এবং মতভেদ থাকলে বিশেষ করে **হানাফি মাযহাবের মতামত** উল্লেখ করবেন।

আল্লাহ আপনাকে উত্তম প্রতিদান দান করুন।

Answer

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম

আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহ

সম্মানিত প্রশ্নকর্তা, আপনার প্রশ্নগুলোর উত্তর হানাফি ফিকহের নির্ভরযোগ্য কিতাবাদির আলোকে ধারাবাহিকভাবে প্রদান করা হচ্ছে।


ভূমিকা: বিবাহের শরয়ী রুকন ও শর্তাবলি

হানাফি মাযহাব অনুযায়ী বিবাহ (নিকাহ) সহিহ হওয়ার জন্য নিম্নলিখিত বিষয়গুলো আবশ্যক:

১. ইজাব ও কবুল (প্রস্তাব ও গ্রহণ) — একই মজলিসে। ২. দুইজন মুসলিম, প্রাপ্তবয়স্ক, বিবেকবান সাক্ষী — পুরুষ হোক বা এক পুরুষ ও দুই মহিলা। ৩. মহর নির্ধারণ (মহর না উল্লেখ করলেও নিকাহ সহিহ, তবে মহরুল মিছল ধার্য হবে)। ৪. বিবাহের ঘোষণা (গোপন না রাখা)।

দলিল: আল্লাহ তা‘আলা বলেন — "তোমরা তোমাদের মধ্যে অবিবাহিতদের বিবাহ দিয়ে দাও..." (সূরা আন-নূর: ৩২)

"তোমরা দুইজন ন্যায়পরায়ণ সাক্ষী রাখো..." (সূরা আত-তালাক: ২)

রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেন:

"সাক্ষী ছাড়া কোনো নিকাহ নেই।" (সুনানে তিরমিজি: ১১০৪, সুনানে বায়হাকি)


প্রশ্ন ১: রাহিমার বাবা-মায়ের সম্মতি ও উপস্থিতি না থাকলেও তার নিজের ইচ্ছায় এই বিবাহ শরিয়াহ অনুযায়ী সহিহ হয়েছে কি?

উত্তর:

হ্যাঁ, বিবাহ সহিহ হয়েছে। হানাফি মাযহাব অনুযায়ী প্রাপ্তবয়স্কা (বালিগা) নারীর নিজের ইচ্ছায় বিবাহ সহিহ হওয়ার জন্য অভিভাবকের (ওয়ালি) সম্মতি শর্ত নয়। তবে অভিভাবকের সম্মতি ছাড়া বিবাহ করা সুন্নাহ পরিপন্থী এবং সামাজিকভাবে নিন্দনীয়।

দলিল:

কুরআন:

"তোমরা নারীদেরকে তাদের সম্মতিতেই বিবাহ করো..." — এখানে নারীর সম্মতিকে মূল ধরা হয়েছে।

হাদিস: রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেন:

"কুমারী মেয়ের সম্মতি ছাড়া তার বিবাহ দেওয়া যাবে না।" (সহিহ বুখারি: ৫১৩৬, সহিহ মুসলিম: ১৪১৯)

আরেক হাদিসে:

"আয়িমা (পূর্বে বিবাহিতা বা প্রাপ্তবয়স্কা) নারীর ব্যাপারে তার সম্মতি ছাড়া বিবাহ দেবে না, আর কুমারীর সম্মতি নেবে।" (সহিহ মুসলিম: ১৪১৯)

হানাফি ফিকহ:

  • আল-হিদায়া: "বালিগা নারীর নিজের বিবাহ নিজেই করতে পারে, ওয়ালির অনুমতি ছাড়াও।" (আল-হিদায়া, কিতাবুন নিকাহ)
  • রাদ্দুল মুহতার (ইবনে আবিদিন): "বালিগা, বিবেকবান নারীর নিকাহ নিজের ইজাব-কবুলে সহিহ হয়, ওয়ালির সম্মতি শর্ত নয়।" (রাদ্দুল মুহতার: ৩/৫৫)
  • ফাতাওয়া আলমগিরি: "বালিগা নারীর নিজের বিবাহ নিজে করা জায়েজ।" (ফাতাওয়া আলমগিরি: ১/২৮৩)

তবে গুরুত্বপূর্ণ: অভিভাবকের সম্মতি ছাড়া বিবাহ করা সুন্নাহ ও আদব পরিপন্থী। রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:

"যে নারী ওয়ালির অনুমতি ছাড়া বিবাহ করে, তার বিবাহ বাতিল, তার বিবাহ বাতিল, তার বিবাহ বাতিল।" (সুনানে আবু দাউদ: ২০৮৩, সুনানে তিরমিজি: ১১০২)

হানাফি মাযহাবের ব্যাখ্যা: এই হাদিসটি ফাসিদ (ত্রুটিপূর্ণ) অর্থে প্রযোজ্য, বাতিল অর্থে নয়। অর্থাৎ ওয়ালির অনুমতি ছাড়া বিবাহ সহিহ, তবে গুনাহ ও সামাজিকভাবে নিন্দনীয়। (শরহু মা'আনিল আসার, তুহফাতুল আহওয়াজি)

সারসংক্ষেপ: রাহিমার বাবা-মায়ের সম্মতি না থাকলেও তার নিজের ইচ্ছায় বিবাহ সহিহ হয়েছে, তবে তারা গুনাহগার হয়েছেন।


প্রশ্ন ২: ২ জন পুরুষ ও ১ জন মহিলা সাক্ষী, নির্ধারিত দেনমোহর এবং ইজাব-কবুলের মাধ্যমে বিবাহের শরয়ী শর্ত পূরণ হয়েছে কি?

উত্তর:

হ্যাঁ, শর্ত পূরণ হয়েছে। হানাফি মাযহাব অনুযায়ী নিকাহ সহিহ হওয়ার জন্য দুইজন পুরুষ সাক্ষী অথবা একজন পুরুষ ও দুইজন মহিলা সাক্ষী আবশ্যক। এখানে ২ জন পুরুষ ও ১ জন মহিলা সাক্ষী উপস্থিত ছিলেন — যা শর্তের চেয়ে অতিরিক্ত এবং সম্পূর্ণ বৈধ।

দলিল:

কুরআন:

"তোমরা দুইজন ন্যায়পরায়ণ সাক্ষী রাখো..." (সূরা আত-তালাক: ২)

হাদিস:

"সাক্ষী ছাড়া কোনো নিকাহ নেই।" (সুনানে তিরমিজি: ১১০৪)

হানাফি ফিকহ:

  • আল-হিদায়া: "নিকাহর জন্য দুইজন পুরুষ অথবা একজন পুরুষ ও দুইজন মহিলা সাক্ষী আবশ্যক।" (আল-হিদায়া, কিতাবুন নিকাহ)
  • রাদ্দুল মুহতার: "দুইজন পুরুষ সাক্ষী থাকলে নিকাহ সহিহ, তাতে কোনো সন্দেহ নেই।" (রাদ্দুল মুহতার: ৩/৫৯)
  • ফাতাওয়া আলমগিরি: "নিকাহর সাক্ষী দুইজন পুরুষ বা এক পুরুষ ও দুই মহিলা।" (ফাতাওয়া আলমগিরি: ১/২৮৪)

দেনমোহর: ১,০০,০০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে — যা সহিহ ও বৈধ। মহর নির্ধারণ নিকাহর শর্ত নয়, তবে সুন্নাহ। আল্লাহ বলেন:

"তোমরা নারীদেরকে তাদের মহর সন্তুষ্টচিত্তে দাও..." (সূরা আন-নিসা: ৪)

ইজাব-কবুল: সাক্ষীদের সামনে প্রস্তাব ও গ্রহণ এবং "কবুল" বলা — এতে ইজাব-কবুল সম্পন্ন হয়েছে

সারসংক্ষেপ: বিবাহের جميع শরয়ী শর্ত পূরণ হয়েছে। নিকাহ সহিহ ও বৈধ


প্রশ্ন ৩: কাগজে কী লেখা ছিল না জেনে এবং চাপ/জোরের মধ্যে স্বাক্ষর করলে শুধুমাত্র সেই স্বাক্ষরের মাধ্যমে তালাক সংঘটিত হয় কি?

উত্তর:

না, শুধুমাত্র স্বাক্ষরের মাধ্যমে তালাক সংঘটিত হয় না। তালাক সংঘটিত হওয়ার জন্য স্পষ্ট তালাকের বাক্য উচ্চারণ অথবা স্পষ্ট লিখিত তালাক আবশ্যক, যা স্বামী জেনে-বুঝে ও ইচ্ছাকৃতভাবে করেন।

দলিল:

কুরআন:

"তালাক দুইবার..." (সূরা আল-বাকারা: ২২৯)

হাদিস: রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেন:

"নিশ্চয়ই আল্লাহ তা‘আলা আমার উম্মতের ভুল, বিস্মৃতি এবং জোরপূর্বক কাজের উপর (গুনাহ) উঠিয়ে নিয়েছেন।" (সুনানে ইবনে মাজাহ: ২০৪৩, সুনানে বায়হাকি)

হানাফি ফিকহ:

  • আল-হিদায়া: "তালাক সংঘটিত হওয়ার জন্য স্বামীর ইচ্ছা ও জ্ঞান শর্ত। জোরপূর্বক তালাক সংঘটিত হয় না।" (আল-হিদায়া, কিতাবুত তালাক)
  • রাদ্দুল মুহতার: "জোরপূর্বক (ইকরাহ) তালাক সংঘটিত হয় না, কারণ তালাক একটি ইচ্ছাকৃত কাজ।" (রাদ্দুল মুহতার: ৩/২৩০)
  • ফাতাওয়া আলমগিরি: "ইকরাহর মাধ্যমে তালাক সংঘটিত হয় না।" (ফাতাওয়া আলমগিরি: ১/৩৫০)
  • ফাতাওয়া উসমানি: "জোরপূর্বক স্বাক্ষর বা ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে তালাক সংঘটিত হয় না।" (ফাতাওয়া উসমানি: ২/৩৩০)

গুরুত্বপূর্ণ: যদি কাগজে তালাকের কথা লেখা থাকে এবং স্বামী না জেনে স্বাক্ষর করেন, তাহলে তালাক সংঘটিত হবে না। কারণ তালাকের জন্য নিয়ত ও জ্ঞান আবশ্যক।

সারসংক্ষেপ: শুধুমাত্র স্বাক্ষরের মাধ্যমে তালাক সংঘটিত হয়নি।


প্রশ্ন ৪: স্বামী যদি কাগজের বিষয়বস্তু না জানেন এবং তালাক দেওয়ার নিয়ত না করেন, তাহলে তার স্বাক্ষরের শরয়ী হুকুম কী?

উত্তর:

স্বাক্ষরের কোনো শরয়ী মূল্য নেই। তালাক সংঘটিত হওয়ার জন্য নিয়ত ও জ্ঞান অপরিহার্য। যেহেতু রাকিব কাগজের বিষয়বস্তু জানতেন না এবং তালাকের নিয়তও করেননি, তাই তার স্বাক্ষর তালাক হিসেবে গণ্য হবে না

দলিল:

হাদিস:

"নিশ্চয়ই আল্লাহ তা‘আলা আমার উম্মতের ভুল, বিস্মৃতি এবং জোরপূর্বক কাজের উপর (গুনাহ) উঠিয়ে নিয়েছেন।" (সুনানে ইবনে মাজাহ: ২০৪৩)

হানাফি ফিকহ:

  • রাদ্দুল মুহতার: "তালাকের জন্য নিয়ত শর্ত। নিয়ত ছাড়া তালাক সংঘটিত হয় না।" (রাদ্দুল মুহতার: ৩/২৩২)
  • আল-হিদায়া: "তালাক সংঘটিত হওয়ার জন্য স্বামীর ইচ্ছা ও জ্ঞান শর্ত।" (আল-হিদায়া, কিতাবুত তালাক)
  • ফাতাওয়া উসমানি: "কাগজে কী লেখা আছে না জেনে স্বাক্ষর করলে তালাক সংঘটিত হয় না।" (ফাতাওয়া উসমানি: ২/৩৩২)

সারসংক্ষেপ: রাকিবের স্বাক্ষর তালাক হিসেবে গণ্য নয়। তালাক সংঘটিত হয়নি।


প্রশ্ন ৫: যদি তালাক সংঘটিত না হয়ে থাকে, তাহলে রাকিব ও রাহিমা বর্তমানে শরিয়াহ অনুযায়ী স্বামী-স্ত্রী হিসেবে বহাল আছেন কি?

উত্তর:

হ্যাঁ, তারা বর্তমানে শরিয়াহ অনুযায়ী স্বামী-স্ত্রী হিসেবে বহাল আছেন। যেহেতু তালাক সংঘটিত হয়নি, তাই তাদের নিকাহ সহিহ ও বহাল আছে।

দলিল:

কুরআন:

"তোমরা নারীদেরকে তাদের মহর সন্তুষ্টচিত্তে দাও..." (সূরা আন-নিসা: ৪)

হাদিস:

"সাক্ষী ছাড়া কোনো নিকাহ নেই।" (সুনানে তিরমিজি: ১১০৪)

হানাফি ফিকহ:

  • রাদ্দুল মুহতার: "তালাক সংঘটিত না হলে নিকাহ বহাল থাকে।" (রাদ্দুল মুহতার: ৩/২৩৫)
  • ফাতাওয়া উসমানি: "তালাক সংঘটিত না হলে স্বামী-স্ত্রী সম্পর্ক বহাল থাকে।" (ফাতাওয়া উসমানি: ২/৩৩৫)

সারসংক্ষেপ: রাকিব ও রাহিমা স্বামী-স্ত্রী হিসেবে বহাল আছেন। তাদের পৃথক হওয়া বা পুনরায় বিবাহ করার প্রয়োজন নেই।


প্রশ্ন ৬: যদি তালাক সংঘটিত হয়ে থাকে, তাহলে সেটি রাজঈ না বায়েন, এবং পুনরায় সংসার করার শরয়ী পদ্ধতি কী?

উত্তর:

যেহেতু তালাক সংঘটিত হয়নি,তাই পুনরায় সংসার করার পদ্ধতির প্রশ্নই উঠেনা।

তাদের বর্তমান ঘর সংসার বৈধ।


This site is protected by reCAPTCHA and the Google Privacy Policy and Terms of Service apply.