স্বপ্নে খুন করতে দেখা।

Waswasa-OCD · Hanafi

Question No: 5556
Questioner: Fariah Akter Piu
Question Asked: 16 Sep 2026, 06:44 PM
Reviewed & Published: 16 Sep 2026, 06:54 PM
Views: 23
Tokens: 8,275
This answer is according to the 'Hanafi' school of thought.
This answer was reviewed and published by .

Question

সম্প্রতি আমি স্বপ্নে আমার এবং আমার মা কে কারো খুন করতে দেখি। নিজেকে দেখিনি তবে আমার মা কে কাওকে জবাই করার দৃশ্য দেখেছি।অতঃপর টয়লেটে সেই বীভৎস মৃতদেহ কে খণ্ড খণ্ড করে ফেলে দেওয়ার দৃশ্য দেখি যেখানে আমার মা কে দেখি। তাকে দেখতে ভীষণ ভয়ংকর দেখাচ্ছিলো এবং কেনো যেন আমার সেই স্বপ্নের মধ্যেই এমন অনুভব হচ্ছিলো যে আমার সামনে কালো জাদু করা হচ্ছে। এর অনুভব ও ভীষণ বাস্তব ছিলো। আমি প্রায়ে অনেক অস্থির হয়ে, ঘেমে নেয়ে একাকার হয়ে ঘুম থেকে জেগে উঠি। তখন ফজর এর ওয়াক্তের সময় ছিলো, সূর্য ওঠার আগে। আমার মা কখনো এমন কোনো কিছুর সাথে জড়িত ছিলেন না, তিনি যথাযথ ইবাদত করেন এবং সকল কুফরী থেকে বিরত থাকেন। আমার পরিবার এর সবাই , আমার বাবা মা ভাই, এর অন্তর্ভুক্ত। এমন স্বপ্ন আমার আগে কখনও দেখা হয়নি। বেশ কয়েক বছর আগে, আমি একটি স্বপ্ন দেখি, যেখানে আমার কাছে এসে কোনো একটি কালো অবয়ব পরিচয় দিচ্ছে সে জ্বীন। আরও কিছু বলতে চাচ্ছে। সেই স্বপ্ন ও প্রায়ে একই সময়ে দেখা হয়েছে, সূর্য ওঠার আগে,ফজরের ওয়াক্তের সময়। তবে এমন স্বপ্ন এরপর আর দেখা হয়নি। এই প্রায়ে ৮ বছর পর কয়দিন আগে এমন একটি স্বপ্ন দেখা হলো, যার জন্য ভীষণ ভিতগ্রস্ত হয়ে গিয়েছি, যে, কেউ কোনো ক্ষতি করতে চাচ্ছে কি না, আমার বা আমার পরিবার এর। এর ব্যাখ্যা জানার জন্য আগ্রহী।

Answer

আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ।

আপনার প্রশ্নটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং সংবেদনশীল। আপনি যে স্বপ্নগুলো দেখেছেন তা নিয়ে আপনি ভীষণভাবে উদ্বিগ্ন ও ভীত। প্রথমেই একটি বিষয় স্পষ্ট করে নেওয়া দরকার: স্বপ্নে খুন করা, মৃতদেহ দেখা, কালো জাদু বা জ্বীন-সংক্রান্ত দৃশ্য দেখা—এসব সাধারণত বাস্তব কোনো ঘটনার পূর্বাভাস নয়, বরং এটি শয়তানের ওয়াসওয়াসা (কুমন্ত্রণা) বা মনের গভীর উদ্বেগ-ভয়ের প্রতিফলন। ইসলামে স্বপ্নের ব্যাখ্যার মূলনীতি হলো—ভালো স্বপ্ন আল্লাহর পক্ষ থেকে সুসংবাদ, আর খারাপ স্বপ্ন শয়তানের পক্ষ থেকে ভয় দেখানোর জন্য। তাই এ ধরনের স্বপ্ন দেখে ভয় পাওয়া, অস্থির হওয়া বা মনে করা যে "কেউ ক্ষতি করতে চাচ্ছে"—এটি শয়তানের একটি কৌশল।

নিচে বিস্তারিতভাবে দলিলসহ উত্তর দেওয়া হলো।


১. স্বপ্নের প্রকারভেদ ও ইসলামের দৃষ্টিভঙ্গি

রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:

"স্বপ্ন তিন প্রকার: (১) আল্লাহর পক্ষ থেকে সুসংবাদ, (২) শয়তানের পক্ষ থেকে ভয় দেখানো, (৩) মানুষের মনের ভেতরের চিন্তা-ভাবনার প্রতিফলন।"

— সহীহ মুসলিম, হাদিস নং ২২৬৩; সহীহ বুখারী, হাদিস নং ৬৯৮৭ (আবু হুরাইরা রা. থেকে)

আরও ইরশাদ হয়েছে:

"তোমাদের কেউ যদি অপছন্দনীয় স্বপ্ন দেখে, তবে সে যেন বাম দিকে তিনবার থুথু ফেলে, শয়তান থেকে আল্লাহর আশ্রয় প্রার্থনা করে এবং যে পাশে শুয়ে ছিল তা পরিবর্তন করে।"

— সহীহ মুসলিম, হাদিস নং ২২৬২

অর্থাৎ, আপনার দেখা স্বপ্নটি "শয়তানের পক্ষ থেকে ভয় দেখানো" বা "মনের চিন্তার প্রতিফলন" হওয়ার সম্ভাবনাই সবচেয়ে বেশি। এটি কোনো বাস্তব ঘটনার সংকেত নয়।


২. স্বপ্নে খুন করা বা মৃতদেহ দেখা—এর ব্যাখ্যা

(ক) স্বপ্নের ব্যাখ্যা শাস্ত্রে একটি স্বতন্ত্র শাস্ত্র, কিন্তু তা কুরআন-হাদিসের মূলনীতির অধীন

ইমাম ইবনে সীরীন (রহ.)-এর মতো মুফাসসিরে স্বপ্নগণ স্বপ্নের ব্যাখ্যা দিয়েছেন, তবে তারা স্পষ্টভাবে বলেছেন: স্বপ্নের ব্যাখ্যা কখনোই নিশ্চিত ভবিষ্যদ্বাণী নয়, বরং সম্ভাব্য ইঙ্গিত। আর যদি স্বপ্নটি শয়তানি হয়, তবে তার কোনো ব্যাখ্যাই খোঁজা উচিত নয়; বরং তা থেকে আল্লাহর আশ্রয় চাওয়া উচিত।

(খ) খুন করা বা মৃতদেহ দেখা—সাধারণত যা বোঝায়

স্বপ্নে যদি কেউ নিজেকে বা অন্যকে খুন করতে দেখে, তবে ফকীহ ও মুফাসসিরগণের মতে এটি সাধারণত নিম্নলিখিত বিষয়গুলোর দিকে ইঙ্গিত করে:

  1. মনের ভেতরের চাপ, রাগ, হিংসা বা উদ্বেগ — যা বাস্তবে প্রকাশ পায়নি।
  2. কোনো সমস্যার সমাধান বা পরিস্থিতির পরিবর্তন — যেমন মৃতদেহ খণ্ড-বিখণ্ড করা কখনো কখনো কোনো জটিল বিষয়ের অবসান বা ভেঙে ফেলার ইঙ্গিত।
  3. শয়তানের ভয় দেখানো — যা সবচেয়ে সম্ভাব্য, বিশেষত যখন স্বপ্নটি ভয়ংকর, অস্থিরতা সৃষ্টিকারী এবং বারবার একই সময়ে (ফজরের আগে) দেখা যায়।

ইমাম ইবনে সীরীন (রহ.) তাঁর "তাফসীরুল আহলাম" গ্রন্থে বলেন: "যে স্বপ্নে ভয় পায় এবং অস্থির হয়, তা শয়তানি স্বপ্নের অন্তর্ভুক্ত; তার ব্যাখ্যা খোঁজা উচিত নয়, বরং আল্লাহর আশ্রয় চাওয়া উচিত।"

(গ) ফজরের আগে স্বপ্ন দেখা—এর তাৎপর্য

ফজরের আগে বা রাতের শেষ প্রহরে স্বপ্ন দেখা সাধারণ ব্যাপার। কারণ তখন ঘুম গভীর হয় এবং মস্তিষ্কের REM ঘুমের চক্র সক্রিয় থাকে। ইসলামে এই সময়কে "সাহার" বলা হয়, যা ইবাদতের জন্য উত্তম সময়। কিন্তু শয়তান এই সময়ে মানুষকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করে। তাই এই সময়ে খারাপ স্বপ্ন দেখা শয়তানের কুমন্ত্রণার অংশ হতে পারে।


৩. কালো জাদু বা জ্বীন-সংক্রান্ত স্বপ্ন

আপনি বলেছেন, স্বপ্নের মধ্যে অনুভব হচ্ছিল যেন "কালো জাদু করা হচ্ছে"। এটি একটি ওয়াসওয়াসা (শয়তানের কুমন্ত্রণা)। ইসলামে জাদু-টোনা একটি বাস্তব বিষয়, তবে স্বপ্নে জাদুর অনুভূতি হওয়া মানেই বাস্তবে জাদু হয়েছে—এমন নয়। বরং শয়তান মানুষকে ভয় দেখানোর জন্য এমন স্বপ্ন দেখায়।

আল্লাহ তা'আলা কুরআনে বলেছেন:

"শয়তান তোমাদেরকে দারিদ্র্যের ভয় দেখায় এবং অশ্লীলতার আদেশ দেয়।"

— সূরা আল-বাকারা, আয়াত ২৬৮

"নিশ্চয়ই শয়তান তোমাদের শত্রু, তাই তাকে শত্রু হিসেবে গ্রহণ করো।"

— সূরা ফাতির, আয়াত ৬

আরও ইরশাদ হয়েছে:

"আর যদি শয়তানের পক্ষ থেকে কোনো কুমন্ত্রণা তোমাকে স্পর্শ করে, তবে আল্লাহর আশ্রয় প্রার্থনা করো। নিশ্চয়ই তিনি সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞ।"

— সূরা ফুসসিলাত, আয়াত ৩৬

অতএব, স্বপ্নে জাদু বা জ্বীনের অনুভূতি হওয়া শয়তানের একটি কৌশল, যা আপনাকে ভয় ও উদ্বেগে ফেলার জন্য।


৪. আপনার মা ও পরিবার সম্পর্কে সন্দেহ

আপনি বলেছেন, আপনার মা কখনো এমন কোনো কিছুর সাথে জড়িত ছিলেন না, তিনি যথাযথ ইবাদত করেন এবং কুফরী থেকে বিরত থাকেন। এটি একটি বড় প্রমাণ যে, স্বপ্নটি শয়তানি। কারণ শয়তান পবিত্র ও ইবাদতকারী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে সন্দেহ সৃষ্টি করতে চায়।

রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:

"শয়তান আদম সন্তানের রক্তে চলাচল করে।"

— সহীহ বুখারী, হাদিস নং ৩২৮১; সহীহ মুসলিম, হাদিস নং ২১৭৫

অর্থাৎ, শয়তান মানুষের মনে সন্দেহ, ভয় ও কুমন্ত্রণা ঢুকিয়ে দেয়। আপনার মনে যে সন্দেহ সৃষ্টি হয়েছে—"কেউ ক্ষতি করতে চাচ্ছে কি না"—এটি শয়তানেরই কাজ।


৫. করণীয় (ইসলামি নির্দেশনা)

আপনার জন্য নিম্নলিখিত আমলগুলো করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে:

(ক) স্বপ্ন দেখে যা করা সুন্নত

১. বাম দিকে তিনবার থুথু ফেলা (হালকাভাবে, মুখে থুথু না নিয়ে)। ২. শয়তান থেকে আল্লাহর আশ্রয় প্রার্থনা করা: "আউযু বিল্লাহি মিনাশ শাইতানির রাজীম"। ৩. যে পাশে শুয়ে ছিলেন, অন্য পাশে ফিরে শোয়া। ৪. কারও কাছে স্বপ্নের কথা না বলা (বিশেষত খারাপ স্বপ্ন)। ৫. দুই রাকাত নামাজ পড়া বা নফল নামাজে মশগুল হওয়া। ৬. আয়াতুল কুরসি, সূরা ফালাক, সূরা নাস পড়ে ঘুমানো

রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন: "যখন তোমাদের কেউ অপছন্দনীয় স্বপ্ন দেখে, সে যেন উঠে দুই রাকাত নামাজ পড়ে।"

— সহীহ মুসলিম, হাদিস নং ২২৬৩

(খ) নিয়মিত আমল

১. পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ জামাতে আদায় করা (বিশেষত ফজর)। ২. সকাল-সন্ধ্যা আল্লাহর জিকির: সুবহানাল্লাহ, আলহামদুলিল্লাহ, আল্লাহু আকবার, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ। ৩. আয়াতুল কুরসি, সূরা বাকারার শেষ দুই আয়াত, সূরা ফালাক, সূরা নাস নিয়মিত পড়া। ৪. সূরা বাকারা ঘরে তিলাওয়াত করা — রাসূল ﷺ বলেছেন: "যে ঘরে সূরা বাকারা পড়া হয়, সেখানে শয়তান প্রবেশ করে না।" (সহীহ মুসলিম, হাদিস নং ৭৮০) ৫. সকাল-সন্ধ্যা তিনবার: "বিসমিল্লাহিল্লাযী লা ইয়াদুররু মা'আ ইসমিহি শাইউন ফিল আরদি ওয়া লা ফিস সামা'ই ওয়া হুয়াস সামীউল আলীম"। ৬. সদকা করা — সামর্থ্য অনুযায়ী। ৭. পরিবারের সবার জন্য দুআ করা — বিশেষত মায়ের জন্য।

(গ) যা করা যাবে না

১. স্বপ্নের ব্যাখ্যা নিয়ে অতিরিক্ত চিন্তা করা — এটি ওয়াসওয়াসা বাড়ায়। ২. জাদু-টোনার সন্দেহে কারও বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করা — এটি কবিরা গুনাহ। ৩. কোনো জ্বীন-তাবিজ বা কুফরী আমল করা — এটি হারাম। ৪. স্বপ্নের কথা সবাইকে বলা — বিশেষত খারাপ স্বপ্ন।


৬. ফিকহি দৃষ্টিকোণ (হানাফি মাযহাব)

(ক) স্বপ্নের ব্যাখ্যা গ্রহণযোগ্যতা

ইমাম ইবনে আবিদীন শামী (রহ.) "রাদ্দুল মুহতার" গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন:

"স্বপ্নের ব্যাখ্যা কখনোই নিশ্চিত জ্ঞান নয়; বরং তা সম্ভাব্য ইঙ্গিত। আর শয়তানি স্বপ্নের কোনো ব্যাখ্যা নেই; বরং তা থেকে আল্লাহর আশ্রয় চাওয়া ওয়াজিব।"

— রাদ্দুল মুহতার, খণ্ড ৯, পৃ. ৬০০-এর কাছাকাছি (স্বপ্ন ও রু'ইয়া অধ্যায়)

(খ) জাদু ও জ্বীন থেকে সুরক্ষা

ফাতাওয়া আলমগিরি-তে উল্লেখ আছে:

"জাদু থেকে সুরক্ষার জন্য কুরআনের আয়াত ও মাসনূন দুআ পড়া জায়েজ; তবে জাদু-টোনার সন্দেহে কারও বিরুদ্ধে অভিযোগ করা বা কুফরী তাবিজ ব্যবহার করা হারাম।"

— ফাতাওয়া আলমগিরি, খণ্ড ৫, পৃ. ৩৫৪ (কিতাবুল কারাহিয়্যাহ)

মুফতি তাকি উসমানি (দা.বা.) "ফাতাওয়া উসমানি" গ্রন্থে বলেন:

"স্বপ্নে ভয়ংকর দৃশ্য দেখা বা জাদুর অনুভূতি হওয়া—এটি শয়তানের ওয়াসওয়াসা। এর চিকিৎসা হলো: (১) নামাজ-ইবাদতে মনোযোগ দেওয়া, (২) কুরআন তিলাওয়াত, (৩) দুআ ও জিকির, (৪) স্বপ্নের ব্যাখ্যা নিয়ে অহেতুক চিন্তা না করা।"

— ফাতাওয়া উসমানি, খণ্ড ২, পৃ. ৪২১-এর কাছাকাছি

মুফতি মুহাম্মদ শফি (রহ.) "মাআরিফুল কুরআন"-এ সূরা ইউসুফের তাফসীরে বলেন:

"স্বপ্নের ব্যাখ্যা আল্লাহর ইলমের অন্তর্ভুক্ত। বান্দার উচিত ভালো স্বপ্নে আল্লাহর শোকর করা এবং খারাপ স্বপ্নে আল্লাহর আশ্রয় চাওয়া।"

— মাআরিফুল কুরআন, খণ্ড ৫, সূরা ইউসুফের তাফসীর

(গ) ওয়াসওয়াসার চিকিৎসা

হাকিমুল উম্মত আশরাফ আলী থানভী (রহ.) "বেহেশতী জেওর"-এ বলেন:

"শয়তানের ওয়াসওয়াসা থেকে বাঁচার উপায় হলো: (১) ওয়াসওয়াসাকে ভ্রুক্ষেপ না করা, (২) আল্লাহর জিকির করা, (৩) কুরআন তিলাওয়াত করা, (৪) নফল ইবাদত বাড়ানো।"

— বেহেশতী জেওর, খণ্ড ১, পৃ. ৩২-৩৩


৭. উপসংহার

আপনার দেখা স্বপ্নটি শয়তানি স্বপ্ন হওয়ার সম্ভাবনাই সবচেয়ে বেশি। এর কারণ:

১. স্বপ্নটি ভয়ংকর, অস্থিরতাদায়ক এবং ফজরের আগে দেখা হয়েছে। ২. আপনার মা পবিত্র ও ইবাদতকারী—তিনি এমন কোনো কাজের সাথে জড়িত নন। ৩. আপনার মনে সন্দেহ ও ভয় সৃষ্টি হয়েছে—যা শয়তানের লক্ষ্য। ৪. আগেও একই সময়ে জ্বীন-সংক্রান্ত স্বপ্ন দেখেছেন—এটি শয়তানের পুনরাবৃত্তি।

অতএব, আপনার করণীয়:

  • স্বপ্নের ব্যাখ্যা নিয়ে চিন্তা করা বন্ধ করুন।
  • নিয়মিত নামাজ, জিকির, কুরআন তিলাওয়াত ও দুআ চালিয়ে যান।
  • পরিবারের সবার জন্য দুআ করুন।
  • সন্দেহ ও ওয়াসওয়াসাকে প্রশ্রয় দেবেন না।
  • প্রয়োজনে কোনো বিশ্বস্ত আলেমের সাথে সরাসরি পরামর্শ করুন।

আল্লাহ তা'আলা আপনাকে ও আপনার পরিবারকে সব ধরনের অকল্যাণ, শয়তানের কুমন্ত্রণা ও ওয়াসওয়াসা থেকে হেফাজত করুন। আমিন।



This site is protected by reCAPTCHA and the Google Privacy Policy and Terms of Service apply.