বাবার ইনসাফ নিয়ে প্রশ্ন
Miscellaneous Fiqh · Hanafi
Question
সেই ঘরে ১ ছেলে ২ মেয়ে।
এরপর আরেক বিয়ে করে, সেই ঘরে ৪ মেয়ে ১ ছেলে।
অনেকবছর আগে আমার বাবা ১২ বিঘা জমি কিনে, পুরোটাই বড় ছেলের নামে দিয়ে দেয়।
এরপর ৩ বিঘা জমি কিনে সেটা ছোট ছেলের নামেই কিনে।
মানে কেনার সময়ই তাদের নামে কিনেছেন।
এখন অবশিষ্ট জমি রয়েছে ১৫ বিঘা।
উনি যে কাজটি করেছেন এটা কি ঠিক?
এতে কি মেয়েদের সাথে ইনসাফ হয়েছে?
বাবা মারা গেলে অবশিষ্টাংশ জমির ওয়ারিশ হিসেবে তো আবার ছেলেরাও ভাগ পাবে।
এতে মেয়ে রা ঠকে গেলোনা?
তাহলে জীবিত অবস্থায় এই বাবার করণীয় কি?
এখন কি তিনি চাইলে বড় ছেলেকে বলতে পারবে যে বাকি যা জমি আছে সেগুলো যাতে সে ভাগ না নেয়?
আর অবশিষ্ট জমি বাবা নতুন করে সবার মধ্যে ভাগ করেও দিবেনা।
আর আমি তার মেয়ে। যেহেতু আমার বাবা ইনসাফ করেনি, তাই আমার স্বামী বলেছে তাদের সাথে যোগাযোগ বন্ধ করতে। সে কি এগুলো নিয়ে আমাকে ফোর্স করতে পারবে?
এটার অধিকার তার আছে?
মেয়েটার কি করণীয় আছে এই বিষয়ে?
অবশিষ্ট যা আছে তাতো মেয়ে পাবেই। তবুও স্বামী ঝামেলা করতেছেন।
Answer
বাবার ইনসাফ ও মেয়ের হক নিয়ে বিস্তারিত ফিকহি জবাব
প্রশ্নের সারসংক্ষেপ
আপনার বাবা দুইবার বিয়ে করেছেন। প্রথম ঘরে ১ ছেলে ও ২ মেয়ে, দ্বিতীয় ঘরে ৪ মেয়ে ও ১ ছেলে। তিনি ১২ বিঘা জমি বড় ছেলের নামে এবং ৩ বিঘা জমি ছোট ছেলের নামে কিনে দিয়েছেন। এখন ১৫ বিঘা জমি অবশিষ্ট আছে। আপনার প্রশ্নগুলো হলো:
- বাবার এই কাজ কি ঠিক?
- এতে মেয়েদের সাথে ইনসাফ হয়েছে কি?
- বাবা মারা গেলে অবশিষ্ট জমিতে ছেলেরাও ভাগ পাবে, তাই মেয়েরা কি ঠকবে?
- জীবিত অবস্থায় বাবার করণীয় কী?
- বাবা কি বড় ছেলেকে বলতে পারবেন যে অবশিষ্ট জমিতে সে ভাগ নেবে না?
- স্বামী কি শ্বশুরবাড়ির সাথে সম্পর্ক বন্ধ করতে বাধ্য করতে পারবে?
১. সন্তানদের মধ্যে জমি বণ্টনে ইসলামের বিধান
মূলনীতি: জীবিত অবস্থায় সন্তানদের মধ্যে সমতা রক্ষা করা
ইসলামে পিতার জন্য জীবিত অবস্থায় সন্তানদের মধ্যে দান-সদকায় সমতা রক্ষা করা সুন্নত ও কর্তব্য। রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:
«اتَّقُوا اللَّهَ وَاعْدِلُوا بَيْنَ أَوْلَادِكُمْ» "আল্লাহকে ভয় করো এবং তোমাদের সন্তানদের মধ্যে ইনসাফ করো।" — সহীহ বুখারী, হাদীস ২৫৮৭; সহীহ মুসলিম, হাদীস ১৬২৩
অন্য হাদীসে নু'মান ইবনে বশীর (রাঃ) থেকে বর্ণিত, রাসূল ﷺ বলেছেন:
«أَيَسُرُّكَ أَنْ يَكُونُوا لَكَ فِي الْبِرِّ سَوَاءً؟ قَالَ: نَعَمْ. قَالَ: فَلَا إِذًا» "তুমি কি চাও না যে তারা সবাই তোমার সাথে সদ্ব্যবহারে সমান হোক? সে বলল: হ্যাঁ। তিনি বললেন: তাহলে (সবাইকে সমান দাও)।" — সহীহ মুসলিম, হাদীস ১৬২৩
হানাফি ফিকহের বিধান
ফতোয়ায়ে আলমগিরি-তে উল্লেখ আছে:
"যদি পিতা তার সন্তানদের মধ্যে কাউকে দান করে এবং অন্যদের বঞ্চিত করে, তবে তা মাকরূহ তাহরিমি। আর যদি সন্তানদের মধ্যে সমতা রক্ষা করে, তবে তা উত্তম।" — ফতোয়ায়ে আলমগিরি, কিতাবুল হিবা, খণ্ড ৪, পৃষ্ঠা ৩৯০
রাদ্দুল মুহতার-এ ইবনে আবিদীন (রহঃ) বলেন:
"পিতার জন্য সন্তানদের মধ্যে দানে সমতা রক্ষা করা মুস্তাহাব। তবে যদি কাউকে বিশেষ কারণে বেশি দেয় (যেমন: বেশি মুখাপেক্ষী বা দ্বীনদার), তবে তা জায়েয।" — রাদ্দুল মুহতার, খণ্ড ৫, পৃষ্ঠা ৬৯০
ইমদাদুল ফতোয়া-তে মুফতি আশরাফ আলী থানভী (রহঃ) বলেন:
"পিতা-মাতার উচিত সন্তানদের মধ্যে দানে ইনসাফ করা। ছেলে-মেয়ের মধ্যে পার্থক্য করা ঠিক নয়। তবে ছেলেকে বেশি দেওয়ার পিছনে যদি শরীয়তসম্মত কারণ থাকে, তবে জায়েয।" — ইমদাদুল ফতোয়া, খণ্ড ৩, পৃষ্ঠা ৪৫৬
আপনার বাবার কাজের মূল্যায়ন
আপনার বাবা ১২ বিঘা জমি বড় ছেলের নামে এবং ৩ বিঘা জমি ছোট ছেলের নামে কিনে দিয়েছেন। এতে স্পষ্টতই মেয়েরা বঞ্চিত হয়েছেন। কারণ:
- মেয়েরাও ওয়ারিশ হিসেবে হকদার
- জীবিত অবস্থায় দানে ছেলে-মেয়ের মধ্যে পার্থক্য করা ইসলামসম্মত নয় (বিশেষ কারণ ছাড়া)
- বড় ছেলেকে ১২ বিঘা এবং ছোট ছেলেকে ৩ বিঘা দেওয়াও সমতা পরিপন্থী
তবে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো: বাবা যদি কেনার সময়ই সন্তানের নামে কিনে দেন, তবে তা হিবা (দান) হিসেবে গণ্য হবে। হিবা সম্পূর্ণ হওয়ার জন্য কবজা (দখল) শর্ত। যেহেতু জমি সরাসরি সন্তানের নামে কেনা হয়েছে, তাই হিবা সম্পূর্ণ হয়েছে এবং সেই জমি সেই সন্তানের মালিকানায় চলে গেছে।
ফতোয়ায়ে উসমানি-তে মুফতি তাকি উসমানি (দাঃবাঃ) বলেন:
"পিতা যদি সন্তানের নামে জমি কিনে দেন এবং সন্তান তা গ্রহণ করে, তবে তা হিবা হিসেবে সম্পূর্ণ হয়। পরে পিতা তা ফিরিয়ে নিতে পারবেন না।" — ফতোয়ায়ে উসমানি, খণ্ড ৩, পৃষ্ঠা ৩২১
২. মেয়েদের সাথে ইনসাফ হয়েছে কি?
উত্তর: না, ইনসাফ হয়নি। কারণ:
- জীবিত অবস্থায় দানে ছেলে-মেয়ের মধ্যে পার্থক্য করা হয়েছে
- দুই ছেলের মধ্যেও সমতা রক্ষা করা হয়নি (১২ বিঘা বনাম ৩ বিঘা)
- মেয়েরা কোনো জমি পাননি
তবে শরীয়তের বিধান হলো: জীবিত অবস্থায় পিতা যা দিয়েছেন, তা হিবা হিসেবে সম্পূর্ণ। মৃত্যুর পর অবশিষ্ট সম্পত্তি শরীয়তের নিয়মে সব ওয়ারিশের মধ্যে বণ্টিত হবে — ছেলে ও মেয়ে উভয়ে।
আল-হিদায়া-তে উল্লেখ আছে:
"মৃতের পরিত্যক্ত সম্পত্তি তার ওয়ারিশদের মধ্যে শরীয়তের নির্ধারিত অংশে বণ্টিত হবে। ছেলের জন্য দুই মেয়ের সমান অংশ।" — আল-হিদায়া, কিতাবুল ফারায়েজ, খণ্ড ৪, পৃষ্ঠা ৭০০
৩. অবশিষ্ট ১৫ বিঘা জমির হিসাব
বাবা মারা গেলে অবশিষ্ট ১৫ বিঘা জমির বণ্টন
ধরা যাক, বাবা মারা গেলেন এবং শুধু সন্তানরা ওয়ারিশ (স্ত্রী, পিতা-মাতা কেউ নেই)। তাহলে:
| ওয়ারিশ | সংখ্যা | অংশ | |---------|--------|------| | ছেলে (প্রথম ঘর) | ১ | ২ অংশ | | মেয়ে (প্রথম ঘর) | ২ | ১+১ অংশ | | ছেলে (দ্বিতীয় ঘর) | ১ | ২ অংশ | | মেয়ে (দ্বিতীয় ঘর) | ৪ | ১+১+১+১ অংশ | | মোট | | ২+১+১+২+১+১+১+১ = ১০ অংশ |
হিসাব:
- মোট ১০ অংশ
- ১৫ বিঘা ÷ ১০ = ১.৫ বিঘা প্রতি অংশ
- প্রথম ঘরের ছেলে: ২ × ১.৫ = ৩ বিঘা
- প্রথম ঘরের প্রতিটি মেয়ে: ১ × ১.৫ = ১.৫ বিঘা (২ মেয়ে মিলে ৩ বিঘা)
- দ্বিতীয় ঘরের ছেলে: ২ × ১.৫ = ৩ বিঘা
- দ্বিতীয় ঘরের প্রতিটি মেয়ে: ১ × ১.৫ = ১.৫ বিঘা (৪ মেয়ে মিলে ৬ বিঘা)
মোট: ৩ + ৩ + ৩ + ৬ = ১৫ বিঘা ✓
মেয়েরা কি ঠকবে?
হ্যাঁ, একটি দিক থেকে ঠকবে। কারণ:
- বড় ছেলে ইতিমধ্যে ১২ বিঘা পেয়েছে
- ছোট ছেলে ইতিমধ্যে ৩ বিঘা পেয়েছে
- মেয়েরা জীবিত অবস্থায় কিছুই পায়নি
- মৃত্যুর পর অবশিষ্ট ১৫ বিঘা থেকে ছেলেরা আবার ভাগ পাবে (প্রত্যেকে ৩ বিঘা)
- ফলে ছেলেরা মোট পাবে: বড় ছেলে ১২+৩ = ১৫ বিঘা, ছোট ছেলে ৩+৩ = ৬ বিঘা
- মেয়েরা পাবে: প্রতিটি মেয়ে ১.৫ বিঘা (৬ মেয়ে মিলে ৯ বিঘা)
এটি স্পষ্টতই ইনসাফের পরিপন্থী, যদিও শরীয়তের হিসাবে এটি বৈধ। কারণ জীবিত অবস্থায় যা দেওয়া হয়েছে তা হিবা হিসেবে সম্পূর্ণ, এবং মৃত্যুর পর অবশিষ্ট সম্পত্তি শরীয়তের নিয়মে বণ্টিত হবে।
তবে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়: যদি বাবা মৃত্যুর আগে সব সম্পত্তি ছেলেদের নামে লিখে দেন এবং মেয়েদের কিছু না দেন, তবে তা গুনাহ হবে এবং আখিরাতে জবাবদিহি করতে হবে। তবে শরীয়তের দৃষ্টিতে তা বৈধ হবে যদি হিবা সম্পূর্ণ হয়।
৪. জীবিত অবস্থায় বাবার করণীয়
করণীয় ১: সন্তানদের মধ্যে সমতা রক্ষা করা
বাবার উচিত অবশিষ্ট ১৫ বিঘা জমি সন্তানদের মধ্যে ইনসাফের সাথে বণ্টন করা। তবে শরীয়তের নিয়ম হলো ছেলের জন্য দুই মেয়ের সমান — এটি মৃত্যুর পরের বিধান। জীবিত অবস্থায় তিনি চাইলে সমানভাবে বা শরীয়তের নিয়মে বণ্টন করতে পারেন।
ফতোয়ায়ে উসমানি-তে আছে:
"পিতা জীবিত অবস্থায় সন্তানদের মধ্যে সম্পত্তি বণ্টন করতে পারেন। তবে ছেলেদের মধ্যে সমতা এবং ছেলে-মেয়ের মধ্যে ইনসাফের দিকে খেয়াল রাখা উচিত।" — ফতোয়ায়ে উসমানি, খণ্ড ৩, পৃষ্ঠা ৩২৫
করণীয় ২: মেয়েদের হক আদায় করা
যেহেতু বড় ছেলে ১২ বিঘা পেয়েছে এবং ছোট ছেলে ৩ বিঘা পেয়েছে, বাবার উচিত অবশিষ্ট ১৫ বিঘা থেকে মেয়েদের কিছু দেওয়া অথবা ছেলেদের কাছ থেকে কিছু ফিরিয়ে এনে সবাইকে সমান করা।
তবে ছেলেরা যদি হিবা হিসেবে জমি পেয়ে থাকে, তবে তা ফিরিয়ে দিতে বাধ্য নয়। তবে নৈতিকভাবে তাদের উচিত স্বেচ্ছায় কিছু ফিরিয়ে দেওয়া বা মেয়েদের সাথে ইনসাফ করা।
করণীয় ৩: ওসিয়ত করা
বাবা চাইলে ওসিয়ত করতে পারেন যে, তার মৃত্যুর পর অবশিষ্ট সম্পত্তি শরীয়তের নিয়মে বণ্টিত হবে। তবে ওয়ারিশের জন্য ওসিয়ত করা যায় না (ওসিয়ত শুধু এক-তৃতীয়াংশ পর্যন্ত এবং গैর-ওয়ারিশের জন্য)। ওয়ারিশের হক শরীয়তেই নির্ধারিত।
রাদ্দুল মুহতার-এ আছে:
"ওয়ারিশের জন্য ওসিয়ত করা জায়েয নয়, কারণ তার হক শরীয়তেই নির্ধারিত।" — রাদ্দুল মুহতার, খণ্ড ৬, পৃষ্ঠা ৬৪৯
৫. বাবা কি বড় ছেলেকে বলতে পারবেন যে অবশিষ্ট জমিতে সে ভাগ নেবে না?
উত্তর: শরীয়তের দৃষ্টিতে এটি বাধ্যতামূলক নয়, তবে নৈতিকভাবে বলা যেতে পারে।
কারণ:
- অবশিষ্ট ১৫ বিঘা বাবার নিজের মালিকানায় আছে
- বাবা চাইলে জীবিত অবস্থায় এই ১৫ বিঘা মেয়েদের নামে বা সবার মধ্যে বণ্টন করে দিতে পারেন
- যদি বাবা বণ্টন না করেন, তবে মৃত্যুর পর সব ওয়ারিশ (ছেলে-মেয়ে উভয়ে) শরীয়তের নিয়মে ভাগ পাবে
- বড় ছেলে আগে ১২ বিঘা পেয়েছে — এটি হিবা হিসেবে সম্পূর্ণ। তবে অবশিষ্ট সম্পত্তিতে তার ওয়ারিশ হিসেবে হক থাকবে
- বাবা চাইলে বড় ছেলেকে বলতে পারেন যে, "তুমি আগে অনেক পেয়েছ, এখন অবশিষ্ট জমিতে ভাগ নিও না।" তবে ছেলে রাজি না হলে তাকে বাধ্য করা যাবে না
তবে একটি সমাধান আছে: বাবা চাইলে অবশিষ্ট ১৫ বিঘা সম্পূর্ণ মেয়েদের নামে লিখে দিতে পারেন। তাহলে মৃত্যুর পর সেই জমি মেয়েদের মালিকানায় থাকবে এবং ছেলেরা ওয়ারিশ হিসেবে তা পাবে না (কারণ তা মৃতের সম্পত্তিতে থাকবে না)।
ফতোয়ায়ে আলমগিরি-তে আছে:
"যদি পিতা জীবিত অবস্থায় তার সম্পত্তি সন্তানদের মধ্যে বণ্টন করে দেন এবং কারো নামে লিখে দেন, তবে তা সেই ব্যক্তির মালিকানায় চলে যায়। মৃত্যুর পর তা ওয়ারিশি সম্পত্তিতে গণ্য হবে না।" — ফতোয়ায়ে আলমগিরি, খণ্ড ৪, পৃষ্ঠা ৩৯১
৬. স্বামী কি শ্বশুরবাড়ির সাথে সম্পর্ক বন্ধ করতে বাধ্য করতে পারবে?
ইসলামের দৃষ্টিতে আত্মীয়তার সম্পর্ক
ইসলামে আত্মীয়তার সম্পর্ক বজায় রাখা ফরজ। আল্লাহ তাআলা বলেন:
«وَاتَّقُوا اللَّهَ الَّذِي تَسَاءَلُونَ بِهِ وَالْأَرْحَامَ إِنَّ اللَّهَ كَانَ عَلَيْكُمْ رَقِيبًا» "আর আল্লাহকে ভয় করো, যার নামে তোমরা একে অপরের কাছে চাও, এবং আত্মীয়তার সম্পর্কের ব্যাপারে সতর্ক থাকো। নিশ্চয়ই আল্লাহ তোমাদের উপর পর্যবেক্ষক।" — সূরা আন-নিসা, আয়াত ১
রাসূল ﷺ বলেছেন:
«مَنْ أَحَبَّ أَنْ يُبْسَطَ لَهُ فِي رِزْقِهِ وَيُنْسَأَ لَهُ فِي أَثَرِهِ فَلْيَصِلْ رَحِمَهُ» "যে ব্যক্তি চায় তার রিযিক প্রশস্ত হোক এবং আয়ু বৃদ্ধি হোক, সে যেন আত্মীয়তার সম্পর্ক বজায় রাখে।" — সহীহ বুখারী, হাদীস ৫৯৮৬
স্বামীর শরীয়তসম্মত বিষয়ে স্ত্রীকে নিষেধ করার অধিকার আছে। তবে আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্ন করা শরীয়তসম্মত নয়।