শরীরে নাপাকি লাগলে একবার পানি দিলেই কি হবে? এবং বিবিধ প্রশ্ন ?
Taharah Purity · Hanafi
Question
আমি আসলে অনেকগুলো প্রশ্ন করছি হয়তো কিন্তু আমার মনে আরও অনেক প্রশ্ন, ঈদানীং প্রেগন্যান্ট হালতে আমার অনেক ফতোয়া ঘাটাঘাটি, সব বিষয়ে চিন্তা হয় হয়তো।আপাতত পবিত্রতা নিয়ে কিছু প্রশ্ন করতে চাই।
https://ifatwa.info/141575
এই ফতোয়ায় আই ফতোয়ার বলা হয়েছে যে শরীর নাপাক হলে একবার ধুলেই হয়ে যায় যদিও ৩ বার ধোয়া উচিত ও উত্তম আমি আগে ভালোভাবে ধুতাম ক বার না গুনে হয়তো আর আশেপাশেও কোথাও লাগছে মনে হলে ধুতাম বাট হয়তো একবার ভালোভাবে পানি ঢেলে, এর বেশিও হতে পারে এরকমই যেহেতু নিয়ম জানতাম না চেষ্টা করতাম পবিত্র থাকার। বাট এখন আই ফতোয়ায় কোথাও দেখি ১ বার, কোথাও দেখি ৩ বার।কোথাও দেখি ডলে ডলে ধুতে হয়।এক জায়গায় পাইছি না ডললেও হয় ভালোভাবে পানি দিলে চলে গেলেই হয়।বাট শুকিয়ে গেলে ডলা ভালো। এখন আমি যদি ৩ বার ধুতে যাই তাহলে কখনো কাপড়ে লেগে যায়৷ সেই কাপরের অংশ ধুতে গিয়ে অন্য অংশে লেগে যায়,পায়ে শরীরে লাগে, ঐ গুলো ধুতে গেলে আবার এভাবে পুরো শরীর, কাপড় ধুতে হয় হিসেবে প্রতি বার।আর শরীরের সব অংশে ডলাও সম্ভব তো হয় না মে বি ডলতে গেলে পা উঠানোতে পেটেও চাপ পড়ে প্রেগ্নেন্সিতে,আর সব জায়গায় হাত তো যায়ও না।
এখন আমি এক বার ধোয়ার ফতোয়া মেনে আর না ডলে ভালোভাবে পানি দিলে পরিষ্কার হয় মেনে, যদি মোটামুটি ভালোভাবে পানি দিয়ে বাথরুম এর পরে ধুই আর যতটুকু পারি ডলি একদম যেখানে লেগে আছে অত না ডলি ও পরে কোন নাপাকি লেগে আছে বলে বুঝা না যায় তাহলে কি পাক ধরতে পারব??
বাড়ির সবাই অত পাক নাপাক তো মানে না, বাথরুম তাদের সাথে একটা ও হাই কমোড ব্যাবহার করলে ভেতরে গিয়ে যদি গন্ধ বা স্পষ্ট নাপাকি না পাই তাহলে কি পাক ধরতে পারব?পানি লেগে থাকলেও ঐ পানিকে কি পাক ধরতে পারব।কমোডের উপরের পানিও ঐ রকম একদম নাপাক না মনে হলে?
আর নাপাকি কখনো লাগলেও একবার ভালোভাবে পানি ডাললো নিষ্কাশিত হতে থাকলে বা ট্যাপ ছেড়ে পানি দিতে থাকলে পানি যেতে থাকলে কি পাক করা ধরে নিতে পারব?আর মগ বালতি নাপাক মনে হলে একবার খলিয়ে ধুলেই কি হবে?আই ফতোয়াতে বিভিন্ন জায়গায় বিভিন্ন রকম দেওয়া মনে হয়, কোথাওকার মতে মনে হয় এ ভাবে করলেও হবে।
https://ifatwa.info/110866/
https://ifatwa.info/27484/
এগুলো মতে মনে হয় ঐ ভাবে হবে।
https://ifatwa.info/27484/
কাপড় ধোয়ার ক্ষেত্রে শেষ এ এমনভাবে নিংড়াতে বলে কোথাও যাতে আর নিংড়ালেও পানি না বের হয় বাট কাপড় তো যতই নিংড়াই ততই যেন পানি বের হয়। সেক্ষেত্রে নিংড়ানোতে যদি মোটামুটি ভালোভাবে চেষ্টা করে নিংড়াই আর নিংড়ানোর পর নরমালি ছেড়ে দিলে সাথে সাথে পানি না পড়ে তাহলে কি হয়ে গেছে পাক ধরতে পারব?
একটু পর তো পানি পড়ে বাট ঐ পানিকে তো পাকই ধরব তাই না?
মগে যদি কাপর আটে, মেয়েদের জামা একটা একটা করে মগে কি ধোয়া যাবে বালতিতে না ধুয়ে?একটু হয়তো চাপ দিয়ে পুরো মগে ডুকিয়ে একটু নাড়াচাড়া ও করা যায়।আর তখন উপরে ট্যাপ ছাড়া থাকলে ট্যাপ এর পানি পড়তে থাকলে মগে?
আর এমন সময় ট্যাপ ছাড়া অবস্থায় কিছু কাপড়ে পড়ে ছড়ায়,কিছু হাতে, কিছু মগে, এভাবে মগে পড়লে, ঐ কাপড় ধুতেই তো সব তাহলে যেভাবেই পড়ুক সমস্যা তো হবার কথা না তাই না?
আর ধোয়ার সময় ট্যাপ বন্ধ ও চালু করার সময় কি ট্যাপ নাপাক হয়ে আবার কাপড় নাপাক হয়ে যাবে?
এখন এসব ভেবে অনেক ভয় লাগে এভাবে ধুতে ট্যাপ নাপাক, মগ নাপাক ইত্যাদি ভাবনা আরে, আর কাপড়ও চিপকানোর সময় হাতের পানিযুক্ত অংশে লাগলে মনে হয় নাপাকি লাগলো কিনা এভাবে ৩ বারের অনেক বেশি কখনো ৮-৯ বার ধুয়েও মনে হয় আবার নাপাকি আছে কিনা, হাত কেমন জানি হয়ে যায় মনে হয়।
https://ifatwa.info/48128/?show=48142#a48142
ট্যাপের পানি কি প্রবাহিত পানি?উপরের ফতোয়া মতে হয়তো তাই নরমালি ট্যাপ থেকে যতটুকু পানি পড়ে মুখে ধরতে বলে মুখ মানে তো পুরো মুখ তা না তাই না, একটু নিচে ধরলেও যদি কাপড় নিচে না লাগে টেপের পানি কাপড়েই পড়ে তাহলেই হবে তাই না?একটু জায়গা জুরে টেপের পানি পড়ায় কাপড় সরিয়ে ধরে ঠিকভাবে সব জায়গায় পানি গেলে আর নিচ দিয়ে পানিও পড়লে এভাবে একবার ধুয়ে কাপড় পবিত্র হয়েছে ভেবে ভালোভাবে নিংড়ে নিলেই কি পবিত্র ধরা যাবে? নিংড়ানোর পর সাথে সাথে পানি না পড়ে একটু পরে পড়লে টপকে ঐ পানি নরমালি তো পাকই তাই না?
ঝড়নায় কি ফরজ গোছল করা যাবে?ঝড়নার পানি কি প্রবাহিত পানি?
যদি শরীরে কোথাও তেল লেগে থাকে বাট আবরন তৈরি না করে তা ভালোভাবে একবার ধুলেও কি সেখানে নাপাকি লাগলে দূর হয়ে যাবে?তৈলাক্ততা পুরোপুরি না গেলেও?ওযু, ফরজ গোছলের সময়ও কি নরমালি ধুলে হবে তৈলাক্ত তা পুরোপুরি না গেলেও পানি পৌছেছে প্রবল ধারণা হলে?
মনি, মাঝি, সাদাস্রাব আমার সাধারণত কাপড়ে লাগলে স্পস্ট ঐ জায়গা সাদা হয়ে থাকে, দেখেই বুঝি লাগছে এখানে সেক্ষেত্রে কি ঐ টাকে দৃশ্যমান নাজাসাত ধরে আছর চলে যায় এমনভাবে ভালো করে একবার ধুলেই হবে?ইদানীং সাদাস্রাব মে বি অনেক বের হয় প্রায় প্রতিবার বাথরুমে গেলেই দেখি ৩ বার ধুতে গেলে ঐ অংশ ট্যাপ ধরা, হাত নাপাক কিনা পাশে ছড়ানো কিনা ভাবতে ভাবতে পুরো কাপড়ই নাপাক লাগে পরে বার বার ধুতে হয় কাপর পুরোটা দেখা যায়,যাই হোক কি অবস্থা বুঝতেছেনই। কি করা যায়?
আগে এত কিছু না জানলেও মোটামুটি পাক থাকার ই চেষ্টা করতাম, আগের বিষয় না ভেবে ঠিকভাবে হইছে আশা করে চললে কি হবে?আর ঈদানীং এসব কারনে অনেক ভয় কাজ করে সময়ও লাগাই তাও মনে হয় নাপাকি আছে, আমি ৭ মাসের প্রেগন্যান্ট, পরে হয়তো বাচ্চা হলে কি হবে এ ভয়ও লাগে।
আফওয়ান এত প্রশ্ন করার জন্য তাও মনে হয় প্রশ্নের শেষ নেই। কি করা যায়?
Answer
উত্তর: وعليكم السلام ورحمة الله وبركاته
প্রশ্নটি দীর্ঘ এবং একাধিক বিষয় জড়িত। আপনার উদ্বেগ ও প্রশ্নগুলোর উত্তর নিম্নে ক্রমানুসারে দেওয়া হলো। প্রথমে একটি মূলনীতি জেনে নিন—পবিত্রতা অর্জনের জন্য নিশ্চিত হওয়া জরুরি, কিন্তু সন্দেহ-ওয়াসওয়াসাকে গুরুত্ব দেওয়া জায়েজ নয়। শয়তান প্রায়ই ইবাদত ও পবিত্রতা নিয়ে ওয়াসওয়াসা (সন্দেহ) সৃষ্টি করে। তাই শরীয়তের সহজ বিধান মেনে চলুন এবং অতিরিক্ত সন্দেহ পরিহার করুন।
১. নাপাক জিনিস একবার ধুলে কি পাক হবে?
উত্তর: হ্যাঁ, যদি নাপাক জিনিসটি (যেমন: পেশাব, মল, রক্ত, মাদি ইত্যাদি) দৃশ্যমান হয় এবং তা সম্পূর্ণরূপে দূর হয়ে যায়, তবে একবার ধুলেই তা পাক হয়ে যাবে। তিনবার ধোয়া উত্তম, তবে ফরজ বা ওয়াজিব নয়।
- দলিল: ইমাম আবু হানিফা (রহ.)-এর মতে, নাপাকি দূর হয়ে গেলেই স্থানটি পাক হয়ে যায়। (বাদায়েউস সানায়ি, ১/৮৫)
- শর্ত: নাপাকির রং, গন্ধ বা স্বাদ সম্পূর্ণ দূর হয়ে যেতে হবে। যদি দৃশ্যমান নাপাকি না থাকে (যেমন: শুকনো দাগ), তবে একবার পানি ঢেলে সেখানে পানি পৌঁছানোই যথেষ্ট।
আপনার ক্ষেত্রে: আপনি যদি একবার ভালোভাবে পানি ঢেলে নাপাকির স্থানটি পরিষ্কার করেন এবং নাপাকির কোনো চিহ্ন (রং/গন্ধ) না থাকে, তবে তা পাক। ডলা (ঘষা) জরুরি নয়, তবে উত্তম। শুধু পানি প্রবাহিত হওয়াই যথেষ্ট।
২. শরীরের সব জায়গায় ডলা সম্ভব নয়, একবার পানি দিলেই কি হবে?
উত্তর: হ্যাঁ, শরীরের এমন জায়গায় (যেমন: পিঠ, উরু) যেখানে হাত পৌঁছানো কঠিন, সেখানে পানি প্রবাহিত করলেই পাক হয়ে যাবে। ডলা (মলিশ) করা শর্ত নয়। তবে যদি নাপাকি দৃশ্যমান থাকে এবং তা সহজে দূর না হয়, তবে ডলা বা ঘষা প্রয়োজন হবে। প্রেগন্যান্সির কারণে অসুবিধা হলে আপনি সহজ উপায় অবলম্বন করতে পারেন—যেমন: বালতি বা মগ দিয়ে পানি ঢালা।
৩. বাথরুমের কমোড বা ট্যাপ নাপাক মনে হলে?
উত্তর:
- কমোড: যদি কমোডে স্পষ্ট নাপাকি (মল, পেশাবের দাগ) না থাকে, তবে তা পাক। কমোডে পানি লেগে থাকলেও তা নাপাক নয়, কারণ পানি নিজে পাক।
- ট্যাপ: ট্যাপের পানি প্রবাহিত পানি হিসেবে গণ্য। প্রবাহিত পানি নাপাক হয় না, যতক্ষণ না তার রং, গন্ধ বা স্বাদ পরিবর্তন হয়। তাই ট্যাপ খোলা অবস্থায় পানি পড়তে থাকলে তা দিয়ে নাপাক জিনিস ধোয়া যায় এবং ট্যাপ নাপাক হবে না। (ফাতাওয়া হিন্দিয়া, ১/১৮)
- মগ/বালতি: যদি মগ বা বালতিতে নাপাকি লেগে থাকে, তবে একবার ভালোভাবে ধুলেই তা পাক হয়ে যাবে। তিনবার ধোয়া জরুরি নয়।
৪. কাপড় ধোয়ার পর নিংড়ানো ও পানি পড়া নিয়ে সন্দেহ?
উত্তর: কাপড় ধোয়ার পর মোটামুটি নিংড়িয়ে নিলেই তা পাক হয়ে যাবে। নিংড়ানোর পর যদি অল্প পানি পড়ে, তবে তা নিয়ে চিন্তা করার দরকার নেই। কারণ সেই পানি পাক কাপড় থেকে পড়ছে, তাই তা পাক। কাপড় সম্পূর্ণ শুকানো বা একদম পানি না পড়া পর্যন্ত নিংড়ানো জরুরি নয়। (রদ্দুল মুহতার, ১/৩১৩)
৫. মগে কাপড় ধোয়া ও ট্যাপের পানি পড়া?
উত্তর: মগে কাপড় ধোয়া জায়েজ। মগে পানি ভরে কাপড় ডুবিয়ে ধুলে তা পাক হবে। ট্যাপের পানি পড়তে থাকলে তা আরও ভালো, কারণ প্রবাহিত পানি নাপাকি দূর করতে সহায়ক। ট্যাপ বন্ধ-চালু করলে ট্যাপ নাপাক হবে না, কারণ ট্যাপের সংস্পর্শে আসা পানি পাক।
৬. ঝড়নার পানি দিয়ে গোসল?
উত্তর: ঝড়নার পানি প্রবাহিত পানি হিসেবে গণ্য। তাই ঝড়নার নিচে দাঁড়িয়ে ফরজ গোসল করা জায়েজ। তবে খেয়াল রাখতে হবে, গোসলের সময় পুরো শরীরে পানি পৌঁছাতে হবে। (ফাতাওয়া হিন্দিয়া, ১/১৪)
৭. শরীরে তেল লেগে থাকলে পানি পৌঁছানো?
উত্তর: যদি শরীরে তেল বা ক্রিম লেগে থাকে এবং তার উপর পানি ঢাললে পানি শরীরে পৌঁছায় (অর্থাৎ পানি গড়িয়ে পড়ে), তবে ওযু বা গোসল শুদ্ধ হবে। তেলের প্রলেপ পুরোপুরি দূর করা জরুরি নয়, যতক্ষণ না পানি শরীরে পৌঁছাতে বাধা দেয়। তবে যদি তেল এমন হয় যে পানি শরীরে পৌঁছায় না, তবে তা দূর করা জরুরি। (রদ্দুল মুহতার, ১/১৪৬)
৮. মনি, মাদি, সাদাস্রাব ধোয়ার নিয়ম?
উত্তর:
- মনি (বীর্য): পাক, তবে ধোয়া উত্তম।
- মাদি (উত্তেজনার সময় নির্গত সাদা তরল): নাপাক।
- সাদাস্রাব (মেয়েদের সাধারণ স্রাব): নাপাক।
- ধোয়ার নিয়ম: দৃশ্যমান নাপাকি দূর হলে একবার ধুলেই পাক। তিনবার ধোয়া জরুরি নয়। সাদাস্রাবের দাগ শুকিয়ে গেলে বা ভিজে থাকলে, পানি ঢেলে দাগটি দূর করলেই কাপড় পাক। (ফাতাওয়া হিন্দিয়া, ১/৫৮)
৯. ওয়াসওয়াসা (সন্দেহ) থেকে মুক্তির উপায়?
উত্তর:
- সন্দেহ পরিহার করুন: নাপাকির নিশ্চিত প্রমাণ না পাওয়া পর্যন্ত কোনো কিছুকে নাপাক মনে করবেন না।
- সহজ বিধান মেনে চলুন: শরীয়তের সহজ নিয়ম (একবার ধোয়া) মেনে চলুন।
- অতিরিক্ত ধোয়া বন্ধ করুন: ৮-৯ বার ধোয়া ওয়াসওয়াসার লক্ষণ। এটি শয়তানের কাজ।
- আত্মবিশ্বাস রাখুন: আপনি যদি নিয়ম মেনে একবার ভালোভাবে ধুয়ে থাকেন, তবে নিশ্চিত থাকুন তা পাক।
- প্রেগন্যান্সির কারণে অসুবিধা: আপনার শারীরিক অবস্থা বিবেচনা করে আপনি সহজ পদ্ধতি অবলম্বন করতে পারেন। আল্লাহ তায়ালা সহজ চান, কঠিন নয়। (সূরা বাকারা: ১৮৫)
১০. আগের আমলগুলো নিয়ে চিন্তা?
উত্তর: আপনি আগে যা করেছেন, তা যদি নিয়ম না জেনে হয়ে থাকে, তবে আল্লাহ তায়ালা অজ্ঞতাবশত ভুল ক্ষমা করেন। আগের বিষয়ে আফসোস না করে ভবিষ্যতে সঠিক নিয়ম মেনে চলুন। আল্লাহর রহমতের প্রতি ভরসা রাখুন।
সংক্ষিপ্ত উত্তর:
- একবার ভালোভাবে পানি ঢেলে নাপাকি দূর হলেই পাক।
- ডলা জরুরি নয়, তবে উত্তম।
- ট্যাপ, মগ, বালতি, কমোড—সব পাক, যদি স্পষ্ট নাপাকি না থাকে।
- প্রবাহিত পানি নাপাক হয় না।
- সন্দেহ-ওয়াসওয়াসা পরিহার করুন।
- প্রেগন্যান্সির কারণে অসুবিধা হলে সহজ পদ্ধতি অবলম্বন করুন।
আল্লাহ তায়ালা আপনার ও সন্তানের হেফাজত করুন এবং আপনার সব উদ্বেগ দূর করুন। আমিন।
দলিলসমূহ:
- রদ্দুল মুহতার (১/৩১৩, ১/১৪৬)
- ফাতাওয়া হিন্দিয়া (১/১৮, ১/৫৮)
- বাদায়েউস সানায়ি (১/৮৫)
- ফাতাওয়া উসমানি (১/১৮০)