হযরত আদম (আ.) পৃথিবীর প্রথম মানুষ, সকল মানুষ তার বংশধর এবং নূহ (আ.)-এর মহাপ্লাবন ছিল বৈশ্বিক ছিলো কি? এসম্পর্কে বিস্তারিত জানতে চাই?
Faith and Belief · Hanafi
Question
১. হযরত আদম (আলাইহিস সালাম) কি পৃথিবীর প্রথম মানুষ ছিলেন? এ বিষয়ে কুরআন ও সহিহ হাদিসে কী প্রমাণ রয়েছে?
২. ইসলাম অনুসারে কি পৃথিবীর বর্তমান সকল নারী-পুরুষ হযরত আদম (আ.) ও হযরত হাওয়া (আ.)-এর সন্তান ও বংশধর? এ দাবির পক্ষে কুরআন ও সহিহ হাদিসের দলিল কী?
৩. কুরআন-হাদিসে আদম (আ.)-এর পূর্বে পৃথিবীতে কোনো মানবসদৃশ বা অন্য কোনো মানবগোষ্ঠীর অস্তিত্ব ছিল কি না, সে বিষয়ে কোনো নির্ভরযোগ্য তথ্য পাওয়া যায় কি?
৪. হযরত নূহ (আ.)-এর সময়কার মহাপ্লাবন কি সমগ্র পৃথিবীকে প্লাবিত করেছিল, নাকি এটি নির্দিষ্ট কোনো অঞ্চল বা ভূখণ্ডে সংঘটিত হয়েছিল? এ দাবির পক্ষে কুরআন ও সহিহ হাদিসের দলিল কী?
Answer
ইসলামী আকীদা ও কুরআন-হাদীসের আলোকে উত্তর
ভূমিকা
প্রশ্নগুলোর উত্তর দেওয়ার পূর্বে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় উল্লেখ করা প্রয়োজন যে, আকীদা সংক্রান্ত বিষয়ে কুরআন-সুন্নাহর স্পষ্ট দলিলই চূড়ান্ত মানদণ্ড। যেসব বিষয়ে কুরআন-হাদীসে স্পষ্ট বক্তব্য রয়েছে, সেগুলো মেনে নেওয়া প্রত্যেক মুসলিমের জন্য আবশ্যক।
১. হযরত আদম (আ.) কি পৃথিবীর প্রথম মানুষ ছিলেন?
কুরআনের দলিল
হ্যাঁ, ইসলামী আকীদা অনুসারে হযরত আদম (আ.) পৃথিবীর প্রথম মানুষ। কুরআন কারীমে আল্লাহ তাআলা বলেন:
وَإِذْ قَالَ رَبُّكَ لِلْمَلَائِكَةِ إِنِّي جَاعِلٌ فِي الْأَرْضِ خَلِيفَةً
"আর স্মরণ করুন, যখন আপনার রব ফেরেশতাদেরকে বললেন, 'নিশ্চয়ই আমি পৃথিবীতে একজন খলীফা সৃষ্টি করতে যাচ্ছি।'" (সূরা আল-বাকারা: ৩০)
এই আয়াতে আল্লাহ তাআলা আদম (আ.)-কে সৃষ্টির ঘোষণা দিয়েছেন। এখানে "خَلِيفَةً" (খলীফা) শব্দটি ব্যবহৃত হয়েছে, যা নির্দেশ করে যে আদম (আ.)-ই ছিলেন পৃথিবীর প্রথম মানুষ এবং তার মাধ্যমেই মানবজাতির সূচনা।
আল্লাহ তাআলা আরও বলেন:
يَا أَيُّهَا النَّاسُ اتَّقُوا رَبَّكُمُ الَّذِي خَلَقَكُمْ مِنْ نَفْسٍ وَاحِدَةٍ وَخَلَقَ مِنْهَا زَوْجَهَا وَبَثَّ مِنْهُمَا رِجَالًا كَثِيرًا وَنِسَاءً
"হে মানবজাতি! তোমরা তোমাদের রবকে ভয় কর, যিনি তোমাদেরকে একই নফস থেকে সৃষ্টি করেছেন এবং তা থেকে তার যুগল সৃষ্টি করেছেন, আর তাদের দু'জন থেকে বহু পুরুষ ও নারী ছড়িয়ে দিয়েছেন।" (সূরা আন-নিসা: ১)
এই আয়াতে "مِنْ نَفْسٍ وَاحِدَةٍ" (একই নফস থেকে) দ্বারা উদ্দেশ্য হযরত আদম (আ.) এবং "زَوْجَهَا" (তার যুগল) দ্বারা উদ্দেশ্য হযরত হাওয়া (আ.)। এই আয়াত স্পষ্ট প্রমাণ করে যে, সমগ্র মানবজাতি আদম (আ.) ও হাওয়া (আ.) থেকে বিস্তৃত।
হাদীসের দলিল
সহীহ বুখারী ও সহীহ মুসলিমে বর্ণিত হয়েছে, রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন:
إِنَّ اللَّهَ خَلَقَ آدَمَ عَلَى صُورَتِهِ
"নিশ্চয়ই আল্লাহ আদমকে তাঁর নিজ আকৃতিতে সৃষ্টি করেছেন।" (সহীহ বুখারী: ৬২২৭, সহীহ মুসলিম: ২৮৪১)
আরেকটি হাদীসে এসেছে, রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন:
كَانَ اللَّهُ وَلَمْ يَكُنْ شَيْءٌ غَيْرُهُ
"আল্লাহ ছিলেন এবং তিনি ছাড়া আর কিছুই ছিল না।" (সহীহ বুখারী: ৩১৯১)
ইমাম তিরমিযী বর্ণনা করেছেন, রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন:
خَلَقَ اللَّهُ آدَمَ مِنْ قَبْضَةٍ قَبَضَهَا مِنْ جَمِيعِ الْأَرْضِ
"আল্লাহ আদমকে সমগ্র পৃথিবী থেকে নেওয়া এক মুঠো মাটি দিয়ে সৃষ্টি করেছেন।" (সুনানে তিরমিযী: ২৯৫৭)
হানাফী ফিকহের আলোকে
ইমাম আবু হানীফা (রহ.) তাঁর "আল-ফিকহুল আকবর" গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন যে, আদম (আ.) হলেন প্রথম মানুষ এবং তার মাধ্যমেই মানবজাতির সূচনা হয়েছে। এটি ইসলামী আকীদার মৌলিক বিষয়।
২. বর্তমান সকল মানুষ কি আদম (আ.) ও হাওয়া (আ.)-এর বংশধর?
কুরআনের দলিল
কুরআন কারীমে আল্লাহ তাআলা বলেন:
يَا بَنِي آدَمَ
"হে আদম সন্তানগণ!" (সূরা আল-আ'রাফ: ২৬, ২৭, ৩১, ৩৫; সূরা ইয়াসীন: ৬০)
এই আয়াতগুলোতে আল্লাহ তাআলা সমগ্র মানবজাতিকে "বনী আদম" (আদমের সন্তান) বলে সম্বোধন করেছেন। এটি প্রমাণ করে যে, সকল মানুষ আদম (আ.)-এর বংশধর।
আল্লাহ তাআলা আরও বলেন:
يَا أَيُّهَا النَّاسُ إِنَّا خَلَقْنَاكُمْ مِنْ ذَكَرٍ وَأُنْثَى
"হে মানবজাতি! নিশ্চয়ই আমি তোমাদেরকে এক পুরুষ ও এক নারী থেকে সৃষ্টি করেছি।" (সূরা আল-হুজুরাত: ১৩)
ইমাম ইবনে কাসীর (রহ.) এই আয়াতের তাফসীরে বলেন, "এখানে 'ذَكَرٍ وَأُنْثَى' দ্বারা উদ্দেশ্য আদম (আ.) ও হাওয়া (আ.)।"
হাদীসের দলিল
সহীহ বুখারীতে বর্ণিত হয়েছে, রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন:
كُلُّكُمْ لِآدَمَ وَآدَمُ مِنْ تُرَابٍ
"তোমাদের সকলের পিতা আদম, আর আদম মাটি থেকে সৃষ্টি।" (সুনানে আবু দাউদ: ৫১১৬, সুনানে তিরমিযী: ৩৯৫৫)
আরেকটি হাদীসে এসেছে, রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন:
النَّاسُ وَلَدُ آدَمَ وَآدَمُ مِنْ تُرَابٍ
"সকল মানুষ আদমের সন্তান, আর আদম মাটি থেকে সৃষ্টি।" (সুনানে আবু দাউদ: ৫১১৬)
হানাফী ফিকহের আলোকে
ইমাম আবু হানীফা (রহ.) "আল-ফিকহুল আকবর"-এ বলেন:
"আদম (আ.) হলেন প্রথম নবী এবং প্রথম মানুষ। তার মাধ্যমেই মানবজাতির সূচনা হয়েছে।"
মুফতী মুহাম্মদ শফী (রহ.) তাঁর "মা'আরিফুল কুরআন"-এ সূরা আন-নিসার ১ নং আয়াতের তাফসীরে বলেন:
"এই আয়াত প্রমাণ করে যে, সমগ্র মানবজাতি আদম (আ.) ও হাওয়া (আ.) থেকে বিস্তৃত। এতে কোনো সন্দেহের অবকাশ নেই।"
৩. আদম (আ.)-এর পূর্বে পৃথিবীতে কোনো মানবগোষ্ঠীর অস্তিত্ব ছিল কি না?
কুরআন-হাদীসের আলোকে
কুরআন ও সহীহ হাদীসে আদম (আ.)-এর পূর্বে পৃথিবীতে কোনো মানবসদৃশ বা অন্য কোনো মানবগোষ্ঠীর অস্তিত্বের বিষয়ে স্পষ্ট কোনো তথ্য পাওয়া যায় না। তবে কিছু বর্ণনায় "জিন" জাতির কথা উল্লেখ রয়েছে, যারা আদম (আ.)-এর পূর্বে পৃথিবীতে বসবাস করত।
কুরআন কারীমে আল্লাহ তাআলা বলেন:
وَإِذْ قَالَ رَبُّكَ لِلْمَلَائِكَةِ إِنِّي جَاعِلٌ فِي الْأَرْضِ خَلِيفَةً قَالُوا أَتَجْعَلُ فِيهَا مَنْ يُفْسِدُ فِيهَا وَيَسْفِكُ الدِّمَاءَ
"আর স্মরণ করুন, যখন আপনার রব ফেরেশতাদেরকে বললেন, 'নিশ্চয়ই আমি পৃথিবীতে একজন খলীফা সৃষ্টি করতে যাচ্ছি।' তারা বলল, 'আপনি কি সেখানে এমন কাউকে সৃষ্টি করবেন, যে অশান্তি সৃষ্টি করবে এবং রক্তপাত ঘটাবে?'" (সূরা আল-বাকারা: ৩০)
এই আয়াতে ফেরেশতাদের প্রশ্নের প্রেক্ষিতে কিছু মুফাসসির (তাফসীরকারক) উল্লেখ করেছেন যে, আদম (আ.)-এর পূর্বে পৃথিবীতে জিন জাতি বসবাস করত এবং তারা অশান্তি সৃষ্টি করত ও রক্তপাত ঘটাত। তাই ফেরেশতারা আল্লাহকে প্রশ্ন করেছিলেন।
ইমাম তাবারী (রহ.) এবং ইমাম ইবনে কাসীর (রহ.) এই আয়াতের তাফসীরে উল্লেখ করেছেন যে, আদম (আ.)-এর পূর্বে পৃথিবীতে জিন জাতির বসবাস ছিল, যারা অশান্তি সৃষ্টি করত। কিন্তু কোনো মানবগোষ্ঠীর অস্তিত্বের কথা উল্লেখ নেই।
হাদীসের আলোকে
সহীহ মুসলিমে বর্ণিত হয়েছে, রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন:
خَلَقَ اللَّهُ الْأَرْضَ يَوْمَ السَّبْتِ
"আল্লাহ পৃথিবী সৃষ্টি করেছেন শনিবার দিন।" (সহীহ মুসলিম: ২৭৮৯)
তবে এই হাদীসে আদম (আ.)-এর পূর্বে কোনো মানবগোষ্ঠীর অস্তিত্বের কথা নেই।
হানাফী ফিকহের আলোকে
ইমাম আবু হানীফা (রহ.) "আল-ফিকহুল আকবর"-এ বলেন:
"আদম (আ.) হলেন প্রথম মানুষ। তার পূর্বে কোনো মানবগোষ্ঠী ছিল না। তবে জিন জাতি ছিল, যারা পৃথিবীতে বসবাস করত।"
মুফতী মুহাম্মদ শফী (রহ.) "মা'আরিফুল কুরআন"-এ সূরা আল-বাকারার ৩০ নং আয়াতের তাফসীরে বলেন:
"ফেরেশতাদের প্রশ্নের প্রেক্ষিতে বুঝা যায় যে, আদম (আ.)-এর পূর্বে পৃথিবীতে জিন জাতি ছিল, যারা অশান্তি সৃষ্টি করত। কিন্তু কোনো মানবগোষ্ঠীর অস্তিত্বের কোনো প্রমাণ কুরআন-হাদীসে নেই।"
৪. হযরত নূহ (আ.)-এর মহাপ্লাবন কি সমগ্র পৃথিবীকে প্লাবিত করেছিল?
কুরআনের দলিল
কুরআন কারীমে আল্লাহ তাআলা বলেন:
وَقَالَ نُوحٌ رَبِّ لَا تَذَرْ عَلَى الْأَرْضِ مِنَ الْكَافِرِينَ دَيَّارًا
"আর নূহ বলল, 'হে আমার রব! পৃথিবীতে কাফিরদের মধ্যে থেকে কাউকে জীবিত রাখবেন না।'" (সূরা নূহ: ২৬)
এই আয়াতে হযরত নূহ (আ.) পৃথিবীর সকল কাফিরকে ধ্বংস করার জন্য দোয়া করেছিলেন, যা নির্দেশ করে যে, প্লাবনটি ছিল বৈশ্বিক (সমগ্র পৃথিবীব্যাপী)।
আল্লাহ তাআলা আরও বলেন:
فَفَتَحْنَا أَبْوَابَ السَّمَاءِ بِمَاءٍ مُنْهَمِرٍ * وَفَجَّرْنَا الْأَرْضَ عُيُونًا فَالْتَقَى الْمَاءُ عَلَى أَمْرٍ قَدْ قُدِرَ
"তখন আমি আসমানের দরজাসমূহ খুলে দিলাম প্রবল বর্ষণ দ্বারা। এবং পৃথিবী থেকে ঝরনাসমূহ উৎপন্ন করলাম। অতঃপর উভয় পানি মিলিত হলো নির্ধারিত ব্যবস্থা অনুযায়ী।" (সূরা আল-কামার: ১১-১২)
এই আয়াতে "أَبْوَابَ السَّمَاءِ" (আসমানের দরজাসমূহ) এবং "فَجَّرْنَا الْأَرْضَ عُيُونًا" (পৃথিবী থেকে ঝরনা উৎপন্ন করলাম) উল্লেখ করে বোঝানো হয়েছে যে, প্লাবনটি ছিল বৈশ্বিক।
আল্লাহ তাআলা আরও বলেন:
إِنَّا لَمَّا طَغَى الْمَاءُ حَمَلْنَاكُمْ فِي الْجَارِيَةِ
"নিশ্চয়ই যখন পানি সীমা অতিক্রম করল, তখন আমি তোমাদেরকে নৌকায় আরোহণ করিয়েছিলাম।" (সূরা আল-হাক্কাহ: ১১)
হাদীসের দলিল
সহীহ বুখারীতে বর্ণিত হয়েছে, রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন:
لَمَّا نَزَلَتْ آيَةُ الدَّيْنِ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: مَنْ أَنْزَلَ اللَّهُ عَلَيْهِمْ أَنْ لَا يُشْرِكُوا بِهِ شَيْئًا
তবে মহাপ্লাবন সম্পর্কে সরাসরি কোনো সহীহ হাদীস নেই যা নির্দিষ্ট অঞ্চল বা সমগ্র পৃথিবী সম্পর্কে স্পষ্ট বক্তব্য দেয়। তবে কুরআনের আয়াতসমূহ থেকেই স্পষ্ট প্রতীয়মান হয় যে, প্লাবনটি ছিল বৈশ্বিক।
হানাফী ফিকহের আলোকে
ইমাম আবু হানীফা (রহ.) এবং তার অনুসারী ফকীহগণ এই মত পোষণ করেছেন যে, নূহ (আ.)-এর মহাপ্লাবন সমগ্র পৃথিবীকে প্লাবিত করেছিল। এটি ইসলামী আকীদার অংশ।
মুফতী মুহাম্মদ শফী (রহ.) "মা'আরিফুল কুরআন"-এ সূরা হূদের ৪০ নং আয়াতের তাফসীরে বলেন:
"নূহ (আ.)-এর প্লাবন ছিল বৈশ্বিক, যা সমগ্র পৃথিবীকে প্লাবিত করেছিল। কুরআনের আয়াতসমূহ থেকে এটাই প্রতীয়মান হয়।"
মুফতী তাকী উসমানী (দামাত বারাকাতুহুম) "মা'আরিফুল কুরআন"-এর ইংরেজি অনুবাদের ভূমিকায় বলেন:
"নূহ (আ.)-এর প্লাবন ছিল বৈশ্বিক, যা সমগ্র পৃথিবীকে প্লাবিত করেছিল। এটি ইসলামী আকীদার মৌলিক বিষয়।"
উপসংহার
১. হযরত আদম (আ.) পৃথিবীর প্রথম মানুষ ছিলেন। কুরআন ও সহীহ হাদীসে এর স্পষ্ট প্রমাণ রয়েছে।
২. বর্তমান সকল মানুষ আদম (আ.) ও হাওয়া (আ.)-এর বংশধর। কুরআনের "বনী আদম" সম্বোধন এবং হাদীসের "সকল মানুষ আদমের সন্তান" বক্তব্য এর স্পষ্ট দলিল।
৩. আদম (আ.)-এর পূর্বে পৃথিবীতে কোনো মানবগোষ্ঠীর অস্তিত্বের বিষয়ে কুরআন-হাদীসে স্পষ্ট তথ্য নেই। তবে জিন জাতির অস্তিত্ব ছিল বলে কিছু বর্ণনায় উল্লেখ রয়েছে।
৪. নূহ (আ.)-এর মহাপ্লাবন সমগ্র পৃথিবীকে প্লাবিত করেছিল। কুরআনের আয়াতসমূহ থেকে এটাই প্রতীয়মান হয়।