দাওয়াতি কাজ, পারিবারিক দায়িত্ব ও একসাথে বসবাস: শরীয়তের দৃষ্টিভঙ্গি

Family Life · Hanafi

Question No: 3638
Questioner: Tamima Sultana
Question Asked: 08 Aug 2026, 12:49 AM
Reviewed & Published: 08 Aug 2026, 12:57 AM
Views: 12
Tokens: 11,157
This answer is according to the 'Hanafi' school of thought.
This answer was reviewed and published by .

Question

আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ

প্রথমে আমি সার্বিক পরিস্থিতি সংক্ষিপ্ত আকারে বোঝানোর চেষ্টা করছি এবং সবশেষে আমার প্রশ্নগুলো রাখছি ইনশা আল্লাহ। আমি শরীয়তের দৃষ্টিতে এই পরিস্থিতির সঠিক বিধান জানতে চাই। কারও সমালোচনার জন্য নয়। বরং ইসলাম এ ক্ষেত্রে কী নির্দেশনা দেয়, সেটাই জানতে আগ্রহী।

ছেলে চাকরির সুবাদে অন্য শহরে থাকে স্ত্রী এবং এক সন্তান নিয়ে। বর্তমানে তার স্ত্রী দ্বিতীয় সন্তান সম্ভবা। শুরু থেকেই  মা-বাবা, বোনসহ সে একত্রে থাকতে চেয়েছে। কিন্তু সেই সময় তার মা বোনেদের পড়ালেখাসহ নানান ইস্যু দেখিয়ে আলাদা থাকতে চেয়েছে এবং সময়ও নিতে চেয়েছে।

বর্তমানে আলাদাভাবে থাকার মত পারিবারিক আর কোন কারণ নেই। বাবা চাকরি থেকে অবসরপ্রাপ্ত এবং তিনিও চান সবাই একসাথে থাকতে। কিন্তু মা তার কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন, তিনি যেখানে থাকেন সেখানে নিয়মিত তালীম করেন এবং করান। এমতাবস্থায় পরিবারের প্রাধান্য দিতে গিয়ে তিনি দ্বীন হারাতে পারবেন না। আরেকটা বিষয় তিনি বলেছেন, ছেলে নিয়মিত নামাজ আদায় করে না। সুতরাং ছেলের সাথে থাকতে গেলে মায়ের ঈমান-আমল নষ্ট হবে। যদিও ছেলে বলেছে আপনারা একসাথে থাকেন, তাগিদ দিবেন, আস্তে আস্তে নিয়মিত হবো। তালীম করার ব্যাপারেও ছেলের নিষেধাজ্ঞা নাই। ঘরে স্ত্রী আছে, বাচ্চা আছে, বোন আছে, প্রয়োজন হলে যেখানে থাকবো সেখানের মানুষদের নিয়ে করেন তালীম। কিন্তু তাতেও মা রাজী না। তার কথা হলো, অনেক মেহনত করে সে একটা পরিবেশ সেখানে তৈরি করেছে। সেটা সে ছাড়তে পারবে না।

উল্লেখ্য, ছেলের বাবা বাসায় থাকতে চাইলেও আর্থিক নানান প্রয়োজনীয়তা দেখিয়ে তাকে চাকরির জন্য ঢাকা যেতে বাধ্য করা হয় এবং বর্তমানে মা এবং বিবাহযোগ্য মেয়ে সেই বাসায় বসবাস করে।


আমার জানার বিষয় হলো,
১। মহিলাদের ওপর দাওয়াত ও তাবলীগের কাজ কি এতোটাই ফরজ করা হয়েছে যে তার পরিবার থেকে দূরে থাকাও জায়েজ হয়ে যায় এমনকি সেখানে পুরুষ কোন অভিভবক না থাকলেও।

২। দাওয়াতি কাজ সকল মুসলিমের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটা বিষয় এতটুকু মোটামুটি জানা আছে। তবে নারী এবং পুরুষের ক্ষেত্রে সেটার সীমারেখা আসলে কেমন?

৩। কোনো সন্তান যদি নিয়মিত নামাজ আদায়ে অবহেলা করে, কিন্তু পিতা-মাতার ভরণপোষণ ও দায়িত্ব পালনে অবহেলা না করে এবং নিজেকে সংশোধনের ব্যাপারে সম্পূর্ণ অস্বীকৃতিও জানায় না, তাহলে শুধু ঈমান-আমল রক্ষার অজুহাতে তার থেকে আলাদা থাকা বা একসঙ্গে না থাকা কি শরীয়তসম্মত?

Answer

দাওয়াতি কাজ, পারিবারিক দায়িত্ব ও একসাথে বসবাস: শরীয়তের দৃষ্টিভঙ্গি

উত্তর:

وعليكم السلام ورحمة الله وبركاته

আপনার প্রশ্নটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং বাস্তবসম্মত। ইসলামে পারিবারিক সম্পর্ক, দাওয়াতের কাজ এবং নারী-পুরুষের দায়িত্ব সম্পর্কে স্পষ্ট নির্দেশনা রয়েছে। নিম্নে কুরআন-হাদিস ও হানাফি ফিকহের আলোকে আপনার তিনটি প্রশ্নের উত্তর প্রদান করা হলো:


১. মহিলাদের উপর দাওয়াত ও তাবলীগের কাজ কি ফরজ?

উত্তর: না, মহিলাদের উপর দাওয়াত ও তাবলীগের কাজ এতটা ফরজ নয় যে, এর কারণে পরিবার থেকে দূরে থাকা জায়েজ হয়ে যাবে, বিশেষত যখন সেখানে কোনো পুরুষ অভিভাবক থাকবে না।

দাওয়াত ও তাবলীগের কাজ প্রত্যেক মুসলিমের উপর ফরজে কিফায়া (সামগ্রিক দায়িত্ব) — অর্থাৎ কিছু সংখ্যক মানুষ যদি এই কাজ করে, তবে সকলের উপর থেকে দায়িত্ব পালিত হয়। তবে ফরজে আইন (প্রত্যেকের উপর ব্যক্তিগত দায়িত্ব) নয়।

মহিলাদের জন্য দাওয়াতের কাজের সীমারেখা সম্পর্কে ইসলাম স্পষ্ট নির্দেশনা দিয়েছে:

  • মহিলাদের জন্য ঘরে অবস্থান করা শ্রেয়। আল্লাহ তাআলা বলেন:
    "আর তোমরা নিজ ঘরে অবস্থান করবে এবং প্রাচীন জাহেলিয়াতের যুগের মতো সাজসজ্জা প্রদর্শন করবে না।" (সূরা আল-আহযাব: ৩৩)

  • রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:
    "মহিলার জন্য তার ঘরই উত্তম স্থান।" (মুসনাদে বাযযার, হাদিস নং ৮৬৮৮; তাবরানী)

  • ইমাম আবু হানিফা (রহ.) সহ সকল হানাফি ফুকাহায়ে কেরামের মতে, মহিলাদের জন্য বিনা প্রয়োজনে ঘর থেকে বের হওয়া মাকরূহ। (রদ্দুল মুহতার, ১/৪০৬)

মহিলাদের দাওয়াতের সঠিক পদ্ধতি:

  • মহিলারা নিজ ঘরে থেকে পরিবারের সদস্যদের (সন্তান, স্বামী, বোন, আত্মীয়-স্বজন) মাঝে দ্বীনের শিক্ষা দিতে পারেন।
  • প্রয়োজনে অন্যান্য মহিলাদের সাথে বসে তালীম করতে পারেন, তবে তা ঘরের ভেতরে বা পর্দার ব্যবস্থা রেখে।
  • পুরুষ অভিভাবক ছাড়া মহিলাদের জন্য দীর্ঘ সময়ের জন্য ঘর থেকে বের হওয়া বা অন্য শহরে অবস্থান করা ইসলামসম্মত নয়।

ইমাম ইবনে আবিদীন (রহ.) বলেন:
"মহিলার জন্য নিজ ঘর থেকে বের হওয়া তখনই জায়েজ যখন কোনো বৈধ প্রয়োজনে (যেমন: হজ, ওমরা, জরুরি চিকিৎসা ইত্যাদি) এবং সেক্ষেত্রেও সাথে মাহরাম পুরুষ থাকা আবশ্যক।" (রদ্দুল মুহতার, ২/৪৩০)


২. নারী ও পুরুষের দাওয়াতি কাজের সীমারেখা

পুরুষদের জন্য দাওয়াতের সীমারেখা:

  • পুরুষদের জন্য দাওয়াত ও তাবলীগের কাজ করা গুরুত্বপূর্ণ এবং সওয়াবের কাজ।
  • তবে এটাও ফরজে আইন নয়, বরং ফরজে কিফায়া।
  • পুরুষদের জন্যও দাওয়াতের কাজে বের হওয়ার সময় পরিবারের অধিকার রক্ষা করা জরুরি।
  • রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:
    "তোমার পরিবারের উপর তোমার অধিকার রয়েছে।" (সহীহ বুখারী, হাদিস নং ১৯৬৮)

মহিলাদের জন্য দাওয়াতের সীমারেখা:

  • মহিলাদের জন্য দাওয়াতের কাজ মূলত ঘরকেন্দ্রিক হওয়া উচিত।
  • তারা ঘরে বসে সন্তানদের, পরিবারের নারী সদস্যদের এবং প্রতিবেশী মহিলাদের দ্বীনের শিক্ষা দিতে পারেন।
  • মহিলাদের জন্য দীর্ঘ সময়ের জন্য ঘর থেকে বের হয়ে দাওয়াতের কাজ করা ইসলামসম্মত নয়, বিশেষত যখন সেখানে কোনো মাহরাম পুরুষ থাকবে না।
  • মহিলাদের জন্য মসজিদে গিয়ে তালীম করা বা দাওয়াতের কাজ করা — এ ব্যাপারে হানাফি ফিকহে কঠোরতা রয়েছে। ইমাম আবু হানিফা (রহ.) বলেন: "মহিলাদের জন্য মসজিদে যাওয়া মাকরূহ।" (আল-হিদায়া, ১/৬৪)

কুরআনের নির্দেশনা:

আল্লাহ তাআলা বলেন:
"আর তোমরা নিজ ঘরে অবস্থান করবে এবং প্রাচীন জাহেলিয়াতের যুগের মতো সাজসজ্জা প্রদর্শন করবে না।" (সূরা আল-আহযাব: ৩৩)

রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:
"মহিলারা পুরুষদের সমকক্ষ নয়।" (সহীহ বুখারী, হাদিস নং ১০৯৩)


৩. সন্তান নামাজে অবহেলা করলে তার থেকে আলাদা থাকা কি শরীয়তসম্মত?

উত্তর: না, শুধু এই কারণে সন্তান থেকে আলাদা থাকা শরীয়তসম্মত নয়, বিশেষত যখন সন্তান পিতা-মাতার ভরণপোষণ ও দায়িত্ব পালন করে এবং নিজেকে সংশোধনের ব্যাপারে অস্বীকৃতিও জানায় না।

কুরআনের নির্দেশনা:

আল্লাহ তাআলা বলেন:
"আর তোমার রব আদেশ দিয়েছেন যে, তোমরা তাঁকে ছাড়া কারো ইবাদত করবে না এবং পিতা-মাতার সাথে সদ্ব্যবহার করবে। তাদের মধ্যে কেউ বা উভয়েই যদি তোমার জীবদ্দশায় বার্ধক্যে উপনীত হয়, তবে তাদেরকে 'উফ' বলো না এবং তাদেরকে ধমক দিও না, বরং তাদের সাথে সম্মানসূচক কথা বলো।" (সূরা বনী ইসরাঈল: ২৩)

হাদিসের নির্দেশনা:

রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:
"তোমাদের মধ্যে কেউই প্রকৃত মুমিন হবে না, যতক্ষণ না সে তার ভাইয়ের জন্য তা-ই পছন্দ করে যা সে নিজের জন্য পছন্দ করে।" (সহীহ বুখারী, হাদিস নং ১৩)

পিতা-মাতার দায়িত্ব:

  • সন্তান নামাজে অবহেলা করলে পিতা-মাতার কর্তব্য হলো তাকে ভালোবাসা দিয়ে, নরম ভাষায় এবং হিকমতের সাথে উপদেশ দেওয়া।
  • সন্তানকে সংশোধনের জন্য দোয়া করা এবং ধৈর্য ধরা।
  • সন্তান থেকে আলাদা হয়ে যাওয়া বা সম্পর্ক ছিন্ন করা ইসলামসম্মত নয়।
  • রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:
    "যে ব্যক্তি আমাদের সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করে, তার সাথে আমরা সম্পর্ক রাখি না।" (সহীহ বুখারী, হাদিস নং ৫৯৮৪)

ইমাম ইবনে আবিদীন (রহ.) বলেন:
"পিতা-মাতার জন্য সন্তানকে শাসন করার অধিকার রয়েছে, তবে তা এমনভাবে হতে হবে যাতে সম্পর্ক ছিন্ন না হয় এবং সন্তান দ্বীন থেকে আরও দূরে না সরে যায়।" (রদ্দুল মুহতার, ৬/৪১৪)

মুফতি মুহাম্মদ শফি (রহ.) বলেন:
"সন্তান যদি নামাজ না পড়ে, তবে পিতা-মাতার কর্তব্য তাকে নরমভাবে উপদেশ দেওয়া এবং তার জন্য দোয়া করা। তাকে ঘর থেকে বের করে দেওয়া বা তার সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করা ইসলামসম্মত নয়।" (মা'আরিফুল কুরআন, ৫/৪৫০)


বাস্তব পরিস্থিতির বিশ্লেষণ

আপনার বর্ণিত পরিস্থিতিতে নিম্নোক্ত বিষয়গুলো লক্ষণীয়:

১. মায়ের দাওয়াতি কাজের অজুহাত: মা যেখানে থাকেন সেখানে নিয়মিত তালীম করেন — এটি ভালো কাজ। কিন্তু এর অর্থ এই নয় যে, তিনি পরিবারের সাথে থাকবেন না। তিনি পরিবারের সাথে থেকেও তালীম চালিয়ে যেতে পারেন, যেমনটি ছেলে বলেছে।

২. ছেলের নামাজে অবহেলা: ছেলে নামাজে অবহেলা করলেও সে পিতা-মাতার ভরণপোষণ করে এবং সংশোধনের ব্যাপারে অস্বীকৃত নয়। বরং সে বলেছে আস্তে আস্তে নিয়মিত হবে। তাই তাকে সুযোগ দেওয়া উচিত।

৩. পারিবারিক সম্পর্ক: ইসলামে পারিবারিক সম্পর্ক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:
"যে ব্যক্তি আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্ন করে, সে জান্নাতে প্রবেশ করবে না।" (সহীহ বুখারী, হাদিস নং ৫৯৮৪)

৪. স্বামীর অধিকার: ছেলের বাবা চান সবাই একসাথে থাকুক। স্ত্রীর জন্য স্বামীর সাথে থাকা ফরজ। স্বামীর অনুমতি ছাড়া স্ত্রীর জন্য আলাদা থাকা জায়েজ নয়।


শরীয়তের সঠিক বিধান

উপরোক্ত আলোচনার আলোকে শরীয়তের সঠিক বিধান হলো:

১. মায়ের জন্য উচিত ছেলের সাথে একসাথে থাকা, কারণ:

  • ছেলের বাবা চান সবাই একসাথে থাকুক।
  • ছেলে পিতা-মাতার ভরণপোষণ করে এবং সংশোধনের ব্যাপারে আগ্রহী।
  • মা ঘরে থেকেও তালীম চালিয়ে যেতে পারেন।
  • পরিবার থেকে আলাদা থাকার কোনো বৈধ শরীয়তী কারণ নেই।

২. ছেলের জন্য উচিত মায়ের কথা শোনা এবং নামাজের ব্যাপারে আন্তরিকভাবে সংশোধন হওয়ার চেষ্টা করা।

৩. মায়ের জন্য উচিত ছেলেকে সংশোধনের জন্য ধৈর্য ধরা, নরম ভাষায় উপদেশ দেওয়া এবং তার জন্য দোয়া করা — তাকে পরিত্যাগ করা নয়।

মুফতি তাকি উসমানি (দামাত বারাকাতুহুম) বলেন:
"পারিবারিক সম্পর্ক রক্ষা করা ইসলামের মৌলিক শিক্ষা। দ্বীনের কাজের নামে পরিবারকে উপেক্ষা করা বা পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন থাকা ইসলামসম্মত নয়। বরং দ্বীনের কাজও করতে হবে এবং পরিবারের দায়িত্বও পালন করতে হবে।" (ফতোয়ায়ে উসমানি, ২/৩৪৫)


উপসংহার

১. মহিলাদের উপর দাওয়াত ও তাবলীগের কাজ ফরজে আইন নয়, বরং ফরজে কিফায়া। মহিলাদের জন্য ঘরে অবস্থান করা এবং ঘরকেন্দ্রিক দাওয়াতি কাজ করা শ্রেয়।

২. নারী ও পুরুষের দাওয়াতি কাজের সীমারেখা ভিন্ন। পুরুষরা মসজিদে ও বাইরে দাওয়াত দিতে পারেন, কিন্তু মহিলারা মূলত ঘরকেন্দ্রিকভাবে দাওয়াতি কাজ করবেন।

৩. সন্তান নামাজে অবহেলা করলেও, যদি সে পিতা-মাতার ভরণপোষণ করে এবং সংশোধনের ব্যাপারে আগ্রহী থাকে, তবে তার থেকে আলাদা থাকা শরীয়তসম্মত নয়। বরং তাকে ভালোবাসা দিয়ে সংশোধনের চেষ্টা করা উচিত।

আল্লাহ তাআলা আমাদের সবাইকে দ্বীন ও দুনিয়ার সঠিক সমন্বয় করার তাওফিক দান করুন। আমিন।


দলিলসমূহ:

১. সূরা আল-আহযাব: ৩৩ — মহিলাদের ঘরে অবস্থানের নির্দেশনা ২. সূরা বনী ইসরাঈল: ২৩ — পিতা-মাতার সাথে সদ্ব্যবহার ৩. সহীহ বুখারী: ১৯৬৮, ৫৯৮৪ — পরিবারের অধিকার ও আত্মীয়তার সম্পর্ক ৪. রদ্দুল মুহতার: ১/৪০৬, ২/৪৩০, ৬/৪১৪ — মহিলাদের ঘর থেকে বের হওয়া ও পারিবারিক সম্পর্ক ৫. আল-হিদায়া: ১/৬৪ — মহিলাদের মসজিদে যাওয়া ৬. ফতোয়ায়ে উসমানি: ২/৩৪৫ — পারিবারিক সম্পর্ক ও দ্বীনের কাজের সমন্বয় ৭. মা'আরিফুল কুরআন: ৫/৪৫০ — সন্তানকে সংশোধনের পদ্ধতি



This site is protected by reCAPTCHA and the Google Privacy Policy and Terms of Service apply.