স্বপ্নে দেখি হজ্জের দিনগুলো চলে এসেছে,ব্যখ্যা জানতে চাই।
Miscellaneous Fiqh · Hanafi
Question
আমি আজ স্বপ্নে দেখি জিলহজ্জ মাস চলছে আর হজ্জের দিনগুলো চলে এসেছে,,, আমি খেয়াল করিনি একদিন তবে দিনগুলো চলে এসেছে ফলে দেখছি হজের আমেজ চলছে,,,টিভিতেও দেখাচ্ছে এরকম...
আমি ভাবতেছি এসময় কি কি আমল করা লাগবে খুঁজতে হবে।
এ স্বপ্ন কি কোনো অর্থবহ স্বপ্ন উস্তাজ নাকি আমার মনের ভাবনা থেকে?
(২/৩ দিন যাবৎ এবিষয়ে দোয়া করা হয়েছে আলহামদুলিল্লাহ)
Answer
স্বপ্নে জিলহজ্জ মাস ও হজ্জের দিনগুলো দেখা
ওয়া আলাইকুমুস সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহ
প্রিয় বোন,
আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। আপনি দুটি বিষয়ে জানতে চেয়েছেন—(১) এই স্বপ্নটি অর্থবহ কি না, এবং (২) জিলহজ্জ মাসে করণীয় আমলসমূহ। নিম্নে উভয় বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো।
১. স্বপ্নের ব্যাখ্যা: অর্থবহ স্বপ্ন নাকি মনের ভাবনা?
স্বপ্নের প্রকারভেদ
রাসূলুল্লাহ ﷺ স্বপ্নকে তিন প্রকারে বিভক্ত করেছেন:
عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللهِ ﷺ: الرُّؤْيَا ثَلَاثٌ: فَرُؤْيَا حَسَنَةٌ بِشَارَةٌ مِنَ اللهِ، وَرُؤْيَا تَحْزِينٌ مِنَ الشَّيْطَانِ، وَرُؤْيَا مِنْ حَدِيثِ النَّفْسِ
"স্বপ্ন তিন প্রকার: (১) ভালো স্বপ্ন—তা আল্লাহর পক্ষ থেকে সুসংবাদ, (২) দুঃস্বপ্ন—তা শয়তানের পক্ষ থেকে, (৩) আর মনের কথা হতে স্বপ্ন।"
(সহীহ মুসলিম, হাদীস নং: ২২৬৩)
সুতরাং আপনি যে স্বপ্ন দেখেছেন, তা তিন প্রকারের যেকোনো একটি হতে পারে।
আপনার স্বপ্নের বিশ্লেষণ
- আপনি জিলহজ্জ মাস চলছে এবং হজ্জের দিনগুলো এসে গেছে—এমনটি দেখেছেন। স্বপ্নে আপনার চিন্তা ছিল "কি কি আমল করা লাগবে খুঁজতে হবে।"
- এটি এমন একটি স্বপ্ন যা আপনাকে সৎকর্মের দিকে উৎসাহিত করছে এবং দ্বীনের গুরুত্বপূর্ণ বিষয় স্মরণ করিয়ে দিচ্ছে।
- আল্লাহর রাসূল ﷺ বলেন:
لَمْ يَبْقَ مِنَ النُّبُوَّةِ إِلَّا الْمُبَشِّرَاتُ، قَالُوا: وَمَا الْمُبَشِّرَاتُ؟ قَالَ: الرُّؤْيَا الصَّالِحَةُ
"নবুওয়্যাতের মধ্যে শুধু মুবাশ্শিরাত (সুসংবাদদাতা বিষয়) অবশিষ্ট আছে। সাহাবীগণ জিজ্ঞেস করলেন: মুবাশ্শিরাত কী? তিনি বললেন: সৎ স্বপ্ন।"
(সহীহ বুখারী, হাদীস নং: ৬৯৯৯)
যেহেতু আপনার স্বপ্নটি আপনাকে ইবাদত ও আমলের প্রতি উদ্বুদ্ধ করেছে, এটি ইনশাআল্লাহ অর্থবহ স্বপ্ন হওয়ারই সম্ভাবনা বেশি। তবে আপনি ২-৩ দিন যাবৎ এই বিষয়ে দোয়া করেছেন, তাই এটি মনের ভাবনার প্রতিফলনও হতে পারে (হাদীসুন নাফস)। কোনো কোনো ক্ষেত্রে দুটোই মিলে যায়—অর্থাৎ দোয়ার কারণে আল্লাহ তাআলা সত্য স্বপ্ন দেখান, আবার মনের ভাবনাও সাধারণ স্বপ্নে প্রতিফলিত হয়।
স্বপ্নের ফায়সালা
প্রখ্যাত মুফাসসির এবং হানাফী আলেম মুফতী মুহাম্মদ শফী রহ. স্বপ্ন সম্পর্কে বলেছেন—যে স্বপ্ন মানুষকে ভালো কাজের প্রতি উৎসাহিত করে এবং মন্দ কাজ থেকে বিরত রাখে, তা সাধারণত আল্লাহর পক্ষ থেকে হয়ে থাকে। (মা'আরিফুল কুরআন, খণ্ড: ৮, সূরা ইউসুফের তাফসীর প্রসঙ্গে)
ইমাম ইবনে আবিদীন রহ. তাঁর ফতোয়ায় উল্লেখ করেছেন যে, শুভ স্বপ্ন দেখলে আল্লাহর প্রশংসা করা এবং ভালো তা'বীর (ব্যাখ্যা) কামনা করা উচিত। (রদ্দুল মুহতার, খণ্ড: ১, পৃষ্ঠা: ১২২)
আশরাফ আলী থানভী রহ. স্বপ্ন প্রসঙ্গে বলেন—স্বপ্ন নিজে কোনো বিধানের উৎস নয়, তবে সৎ স্বপ্ন কল্যাণের আলামত। (ইমদাদুল ফতোয়া, খণ্ড: ৫, পৃষ্ঠা: ২১৪)
২. জিলহজ্জ মাসের গুরুত্ব ও করণীয় আমলসমূহ
জিলহজ্জ মাস ইসলামের চার সম্মানিত মাসের একটি এবং এর প্রথম দশ দিন অত্যন্ত ফজিলতপূর্ণ।
কুরআন ও হাদীসের দলীল
আল্লাহ তাআলা কুরআনে বলেছেন:
وَالْفَجْرِ وَلَيَالٍ عَشْرٍ
"শপথ ফজরের এবং শপথ দশ রাতের।"
(সূরা আল-ফজর, আয়াত: ১-২)
এই দশ রাত সম্পর্কে ইমাম তাবারী, ইবনে কাসীর, হাসান বসরী, ইবনে আব্বাস রা. সহ অধিকাংশ মুফাসসিরগণ বলেছেন—এটি জিলহজ্জ মাসের প্রথম দশ রাত। (তাফসীরে তাবারী ও তাফসীরে ইবনে কাসীর)
মুফতী মুহাম্মদ শফী রহ. মা'আরিফুল কুরআনে এই আয়াতের তাফসীরে বলেছেন যে, জিলহজ্জের প্রথম দশ দিন বছরের সর্বাধিক ফজিলতপূর্ণ দিন। (মা'আরিফুল কুরআন, খণ্ড: ৮, সূরা আল-ফজরের তাফসীর)
প্রিয় হাদীস
عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ رَضِيَ اللهُ عَنْهُمَا قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللهِ ﷺ: مَا مِنْ أَيَّامٍ الْعَمَلُ الصَّالِحُ فِيهِنَّ أَحَبُّ إِلَى اللهِ مِنْ هَذِهِ الْأَيَّامِ الْعَشْرِ، فَقَالُوا: يَا رَسُولَ اللهِ، وَلَا الْجِهَادُ فِي سَبِيلِ اللهِ؟ فَقَالَ: وَلَا الْجِهَادُ فِي سَبِيلِ اللهِ، إِلَّا رَجُلٌ خَرَجَ بِنَفْسِهِ وَمَالِهِ فَلَمْ يَرْجِعْ مِنْ ذَلِكَ بِشَيْءٍ
ইবনে আব্বাস রা. হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন: "আল্লাহর নিকট এই দশ দিনের (জিলহজ্জের প্রথম দশ দিনের) সৎকর্ম অপেক্ষা অধিক প্রিয় কোনো দিনের সৎকর্ম নেই।" সাহাবীগণ জিজ্ঞেস করলেন: "হে আল্লাহর রাসূল! আল্লাহর পথে জিহাদও না?" তিনি বললেন: "জিহাদও না, তবে সেই ব্যক্তি ছাড়া যে নিজের জান ও মাল নিয়ে বের হয়েছে এবং কিছুই নিয়ে ফিরে আসেনি (অর্থাৎ শহীদ হয়ে সবার কিছুই রেখে যায়নি)।"
(সহীহ বুখারী, হাদীস নং: ৯৬৯)
জিলহজ্জের দশ দিনে করণীয় আমলসমূহ
১. প্রথম ৯ দিনের রোজা
রাসূলুল্লাহ ﷺ জিলহজ্জের প্রথম ৯ দিনের রোজা রাখতে উৎসাহিত করেছেন। বিশেষ করে ৯ই জিলহজ্জ তথা আরাফার দিনের রোজা অত্যন্ত ফজিলতপূর্ণ।
عَنْ أَبِي قَتَادَةَ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللهِ ﷺ: صِيَامُ يَوْمِ عَرَفَةَ أَحْتَسِبُ عَلَى اللهِ أَنْ يُكَفِّرَ السَّنَةَ الَّتِي قَبْلَهُ وَالسَّنَةَ الَّتِي بَعْدَهُ
"আরাফার দিনের রোজা সম্পর্কে আমি আল্লাহর নিকট আশা করি যে, তা পূর্ববর্তী এক বছর ও পরবর্তী এক বছরের গুনাহ মোচন করে দেবে।"
(সহীহ মুসলিম, হাদীস নং: ১১৬২)
মুফতী তাকী উসমানী দামাত বারাকাতুহুম ফতোয়ায় উল্লেখ করেছেন—হজ্জে যারা অংশ নিচ্ছেন না তাদের জন্য প্রথম ৯ দিন রোজা রাখা মুস্তাহাব, বিশেষত আরাফার দিনের (৯ই জিলহজ্জ) রোজা। (ফতোয়া উসমানী, খণ্ড: ২, পৃষ্ঠা: ৩৮৪)
২. তাকবীর, তাহলীল, তাহমীদ ও তাসবীহ অধিক পরিমাণে পাঠ করা
ইবনে উমর রা. হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:
مَا مِنْ أَيَّامٍ أَعْظَمُ عِنْدَ اللهِ وَلَا أَحَبُّ إِلَيْهِ الْعَمَلُ فِيهِنَّ مِنْ هَذِهِ الْأَيَّامِ الْعَشْرِ، فَأَكْثِرُوا فِيهِنَّ مِنَ التَّهْلِيلِ وَالتَّكْبِيرِ وَالتَّحْمِيدِ
"আল্লাহর নিকট এমন কোনো দিন নেই, যে দিনের সৎকর্ম এই দশ দিনের সৎকর্ম অপেক্ষা অধিক মহান ও প্রিয়। সুতরাং তোমরা এ দিনগুলোতে লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ, আল্লাহু আকবার এবং আলহামদুলিল্লাহ অধিক পরিমাণে পাঠ কর।"
(মুসনাদে আহমাদ, হাদীস নং: ৫৪৪৬; এছাড়া সহীহ তারগীব, হাদীস নং: ১১৫০)
ইমাম আবু হানীফা রহ. ও সালাফে সালেহীনদের আমল ছিল জিলহজ্জের প্রথম দশ দিনে তাকবীর উচ্চস্বরে বলা। মুফতী মুহাম্মদ শফী রহ. এর ব্যাখ্যায় বলেন—এ দশ দিনে তাকবীরে তাশরীকের সাথে অন্যান্য তাকবীরও বলা মুস্তাহাব। (মা'আরিফুল কুরআন, খণ্ড: ৮, সূরা আল-হজ্বের তাফসীর)
৩. ঈদুল আযহার দিন (১০ই জিলহজ্জ) কুরবানী করা
সামর্থ্যবান প্রত্যেক মুসলিমের উপর কুরবানী ওয়াজিব।
عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللهِ ﷺ: مَنْ كَانَ لَهُ سَعَةٌ وَلَمْ يُضَحِّ فَلَا يَقْرَبَنَّ مُصَلَّانَا
"যার সামর্থ্য আছে অথচ কুরবানী করে না, সে যেন আমাদের ঈদগাহের কাছেও না আসে।"
(সুনানে ইবনে মাজাহ, হাদীস নং: ৩১২৩; মুসনাদে আহমাদ, হাদীস নং: ৮৩৫৯)
ফতোয়া আলমগীরীতে বলা হয়েছে—কুরবানী সামর্থ্যবানদের উপর ওয়াজিব। (ফতোয়া আলমগীরী, খণ্ড: ৫, পৃষ্ঠা: ২৯৪)
৪. ঈদুল আযহার নামায
১০ই জিলহজ্জ ঈদুল আযহার নামায আদায় করা ওয়াজিব (যাদের উপর জুমু'আ ওয়াজিব তাদের উপর)। ঈদের নামাযের আগে কিছু না খেয়ে ঈদের নামায শেষে কুরবানীর গোশত খাওয়া সুন্নত।
৫. কুরবানীকারীর জন্য (১০ জিলহজ্জ পর্যন্ত) চুল ও নখ না কাটা
عَنْ أُمِّ سَلَمَةَ قَالَتْ: قَالَ رَسُولُ اللهِ ﷺ: إِذَا دَخَلَ الْعَشْرُ وَأَرَادَ أَحَدُكُمْ أَنْ يُضَحِّيَ فَلَا يَأْخُذَنَّ مِنْ شَعْرِهِ وَلَا مِنْ أَظْفَارِهِ
"যখন জিলহজ্জের (প্রথম) দশ দিন শুরু হয় এবং তোমাদের কেউ কুরবানী করার ইচ্ছা রাখে, তাহলে সে যেন চুল ও নখ না কাটে (কুরবানী সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত)।"
(সহীহ মুসলিম, হাদীস নং: ১৯৭৭)
বাহিশতী জেওর (মাওলানা আশরাফ আলী থানভী রহ.)-এ বলা হয়েছে—যে ব্যক্তি কুরবানী করার ইচ্ছা রাখে, সে যেন জিলহজ্জের ১লা থেকে ১০ই জিলহজ্জ কুরবানীর আগ পর্যন্ত চুল ও নখ না কাটে। এটি মুস্তাহাব। (বাহিশতী জেওর, খণ্ড: ৩, ঈদ ও কুরবানী অধ্যায়)
৬. তওবা-ইস্তিগফার ও অতিরিক্ত নফল ইবাদত
এই দশ দিনে তওবা-ইস্তিগফার, নফল নামায, কুরআন তিলাওয়াত, দান-সদকা এবং অন্যান্য নেক আমল বৃদ্ধি করা উচিত।
আপনার স্বপ্ন প্রদর্শিত বিষয়টি কী নির্দেশ করে?
আপনার স্বপ্নটি মূলত বর্তমান সময়ের (জিলহজ্জের দিনগুলো) গুরুত্ব সম্পর্কে মনে করিয়ে দিচ্ছে। এটি আপনার জন্য একটি তাযকির (স্মরণ করিয়ে দেয়া), যাতে আপনি এই বরকতময় দিনগুলোর ফজিলত সম্পর্কে সচেতন হন এবং যথাযথ আমলে আত্মনিয়োগ করেন। হাদীসে এসেছে:
إِنَّ اللهَ يَبْعَثُ لِهَذِهِ الْأُمَّةِ عَلَى رَأْسِ كُلِّ مِائَةِ سَنَةٍ مَنْ يُجَدِّدُ لَهَا دِينَهَا
(আবু দাউদ, হাদীস নং: ৪২৯১)
অর্থাৎ, আল্লাহ এই উম্মতের জন্য প্রতিটি যুগে দ্বীন পুনরুজ্জীবিতকারী প্রেরণ করেন। আপনার স্বপ্নও আল্লাহর পক্ষ থেকে একটি হেদায়াতের নিদর্শন বিবেচনা করা যেতে পারে, যা আপনাকে ইবাদতে সক্রিয় হতে উদ্বুদ্ধ করছে।
৩. ব্যবহারিক পরামর্শ
১. স্বপ্ন দেখে ভালো কিছু হলে আলহামদুলিল্লাহ বলা এবং কারো কাছে শুধুমাত্র ভালো ব্যাখ্যাই কামনা করা। ২. স্বপ্নের কারণে আতঙ্কিত হওয়ার প্রয়োজন নেই। এটি এমনিতেও জিলহজ্জ মাস—এতে আমলের বিশাল সুযোগ বিদ্যমান। ৩. জিলহজ্জের বাকি দিনগুলোতে নিম্নোক্ত আমলগুলো করুন:
- প্রথম ৯ দিন রোজা রাখার চেষ্টা করুন (বিশেষত ৯ই জিলহজ্জ আরাফার রোজা)
- প্রতিদিন তাকবীর-তাহলীল-তাহমীদ অধিক পরিমাণে পাঠ করুন
- কুরআন তিলাওয়াত, নফল নামায, দান-সদকা, জিকির-আযকার করুন
- কুরবানীর ইচ্ছা থাকলে ১০ই জিলহজ্জ কুরবানী করুন
- ঈদের নামায আদায় করুন
মুফতী তাকী উসমানী দামাত বারাকাতুহুম বলেন—এই দিনগুলোর প্রতিটি মুহূর্ত অমূল্য। সামর্থ্য অনুযায়ী যত বেশি সম্ভব নেক আমল করা উচিত, কারণ এ দিনগুলোতে আমলের ছওয়াব বহুগুণ বাড়িয়ে দেওয়া হয়। (ফতোয়া উসমানী, খণ্ড: ২)
সারসংক্ষেপ
| প্রশ্ন | উত্তর | |---|---| | স্বপ্নটি অর্থবহ কি না? | সম্ভবত অর্থবহ (হতে পারে দোয়ার প্রতিক্রিয়া বা আল্লাহর পক্ষ থেকে তাযকির), তবে এটি মনের ভাবনা থেকেও হতে পারে |
আপনি দ্রুত হজ্বে যেতে পারেন,ইনশাআল্লাহ। স্বপ্নে এদিকেও ইঙ্গিত রয়েছে।
| জিলহজ্জের আমল | ১ম ৯ দিন রোজা, তাকবীর-তাহলীল-তাহমীদ, তওবা-ইস্তিগফার, নফল ইবাদত, ১০ই জিলহজ্জ কুরবানী ও ঈদের নামায |
আল্লাহ তাআলা আমাদের সকলকে এই বরকতময় দিনগুলোর আমল করার তাওফীক দান করুন এবং আমাদের সকল ইবাদত কবুল করুন। আমীন।
উল্লেখযোগ্য গ্রন্থপঞ্জি:
- সহীহ বুখারী (হাদীস: ৯৬৯, ৬৯৯৯)
- সহীহ মুসলিম (হাদীস: ১১৬২, ১৯৭৭, ২২৬৩)
- মুসনাদে আহমাদ (হাদীস: ৫৪৪৬)
- সুনানে ইবনে মাজাহ (হাদীস: ৩১২৩)
- রদ্দুল মুহতার (ইবনে আবিদীন)
- ফতোয়া উসমানী (মুফতী তাকী উসমানী)
- মা'আরিফুল কুরআন (মুফতী মুহাম্মদ শফী)
- বাহিশতী জেওর (মাওলানা আশরাফ আলী থানভী)
- ইমদাদুল ফতোয়া (মাওলানা আশরাফ আলী থানভী)
- ফতোয়া আলমগীরী