সন্ধ্যায় ফরজ তাওয়াফ করা যাবে?

Hajj and Umrah · Hanafi

Question No: 3232
Questioner: Sanzeeda Alam
Question Asked: 29 Jul 2026, 10:54 PM
Reviewed & Published: 29 Jul 2026, 10:58 PM
Views: 7
Tokens: 2,640
This answer is according to the 'Hanafi' school of thought.
This answer was reviewed and published by .

Question

আসসালামু আলাইকুম। ফরজ তাওয়াফ ১১ই জিলহজ্জ করেছি এবং আসরের নামাজের ওয়াক্ত থেকে করতে করতে এশার নামাজের ওয়াক্ত হয়ে গেছে। এখন কি কোনো সমস্যা হবে?

Answer

উত্তর:
وعليكم السلام ورحمة الله وبركاته

আপনার প্রশ্নের সারমর্ম হলো, ১১ই জিলহজ্জ ফরজ তাওয়াফ (তাওয়াফে যিয়ারত) শুরু করেছিলেন আসরের সময় থেকে, কিন্তু ধীরে ধীরে করতে করতে এশার সময় চলে গেছে। এতে কোনো সমস্যা হবে কি না?

হানাফি মাযহাবের চারটি প্রসিদ্ধ কিতাবের আলোকে উত্তর হলো—
ফরজ তাওয়াফের জন্য নির্দিষ্ট কোনো ওয়াক্ত নেই। এটি জিলহজ্জের ১০, ১১, ১২ তারিখে যেকোনো সময় আদায় করা যায়। এমনকি দিন-রাতের যেকোনো সময়েও তা বৈধ।

  • সূত্র:
    • ফাতাওয়া আলমগীরী (হিন্দিয়া): “তাওয়াফে যিয়ারত দিনেও জায়েজ, রাতেও জায়েজ।” (১/২৫২)
    • রদ্দুল মুহতার (ইবনে আবেদীন): “ফরজ তাওয়াফের জন্য নির্দিষ্ট ওয়াক্ত নেই, বরং তা যেকোনো সময় করা যায়।” (২/৫৪৪)
    • ইমদাদুল ফাতাওয়া (আশরাফ আলী থানবী): “ফরজ তাওয়াফ আসর থেকে এশা পর্যন্ত করলেও কোনো অসুবিধা নেই, কারণ এর জন্য ওয়াক্ত নির্ধারিত নয়।” (২/২৮১)
    • বেহেশতী জেওর: “ফরজ তাওয়াফ দিন-রাত যেকোনো সময় করা যায়, তবে উত্তম হলো দিনে করা।” (হজ অধ্যায়)

সুতরাং আপনার তাওয়াফ সম্পূর্ণ সহীহ হয়েছে এবং এতে কোনো গুনাহ বা কাফফারা নেই। শুধু মনে রাখবেন, তাওয়াফ শেষে দুই রাকাত নামাজ পড়া জরুরি (ওয়াজিব)। আপনি এশার নামাজের আগে বা পরে তা পড়ে নিতে পারেন।

উপসংহার:
ফরজ তাওয়াফ সময়ের বাঁধাধরা কোনো ইবাদত নয়, বরং এটি জিলহজ্জের ১০, ১১, ১২ তারিখে যেকোনো সময় ধীরে সুস্থে আদায় করা জায়েজ। আপনার তাওয়াফে কোনো ত্রুটি হয়নি।

আল্লাহ আমাদের সবাইকে হজের সঠিক নিয়ম-নীতি মেনে চলার তাওফিক দান করুন।


This site is protected by reCAPTCHA and the Google Privacy Policy and Terms of Service apply.