যে আত্মীয় নিজে সম্পর্ক ছিন্ন করে, তার সঙ্গে সিলাত রাখার বিধান কি?
Family Life · Hanafi
Question
আমার কিছু প্রশ্ন ছিলো।
১. আমার দাদার ২ টা স্ত্রী। আমার বড় দাদীর ৫ টা ছেলে ২ টা মেয়ে। আর আমার দাদীর ৪ টা ছেলে। মোট ৯ ছেলে ২ টা মেয়ে।
আত্মীয়স্বজন মানে আমার রক্তের সম্পর্কের মানুষের সাথে সুসম্পর্ক বজায় রাখা আমার জন্য ফরজ। তো আমি পর্দা মেইনটেইন করাতে বাসার বাহিরে খুব কম বের হই। সেই সুবাদে কোথাও যাওয়া হয় না।
আমার সৎ চাচা, চাচীরা, ফুফুরা যখন আমাদের বাড়িতে আসেন তখন দেখা হয়। তখন তাদের সাথে সুন্দর, নম্রভাবে কথা বলার চেষ্টা করি। তাছাড়া ফোনে কখনো খোঁজ খবর নেওয়া হয় না। এতে কি আমি তাদের হক পুরোপুরি আদায় করতে পারছি? তাদের ফোন নাম্বারও আমার কাছে নেই। আর যেহেতু অনেকগুলো চাচা, ফুফু তাই তাদের সাথে তেমন কথা হয় না। তারাও তেমন যোগাযোগ রাখেন না বলা চলে। আমার নিজের চাচা, জেঠারা আমাদের বাড়িতে অনেক আসেন তাই তাদের সাথে সম্পর্ক অনেক গভীর।
এতে কি আমি আমার সৎ চাচা, ফুফুদের হক পুরোপুরি আদায় করতে পারছি না?
২. আমার সৎ চাচার বাড়ি আমাদের বাড়ির পাশে। উনাদের সাথে আমাদের সম্পর্ক নেই।
উনারা বলেন আমরা নাকি তাদের জায়গা দখল করেছি। অথচ আব্বু দলিল দিয়ে দেখিয়েছে যে এটা আমাদের জায়গা। এটা নিয়ে আমার জেঠা, জেঠী অনেক ঝগড়া করে। আমাদের কোনো জিনিস হাঁস, ছাগল যদি কোনো কারণে ওদের বাড়িতে যায় আমার আম্মাকে নিকৃষ্ট ভাষায় গালিগালাজ করে আমার জেঠী। আমার আম্মা কিছু বলেন না। চুপচাপ থাকেন তাদের কথার উত্তর দেয় না। উনাদের রাগ উনাদের জায়গা আমরা দখল করেছি এজন্য এমন করেন। আমার আব্বু আম্মাকে সহ্য করতে পারেন না। এমনকি আমার ঐ জেঠী, জেঠার সমাজের সাথেই তেমন সম্পর্ক নেই। তারা এমন টাইপের মানুষ। আব্বু অনেক চেষ্টা করেছে কিন্তু উপকার হয়নি। তাই কেউ কারো সাথে কথা বলেন না। আর কয়েকদিন পরপরই আমার জেঠী আম্মাকে অনেক নিকৃষ্ট ভাষায় গালিগালাজ করে, আম্মা লজ্জায় বাড়ির ভিতরে চলে আসে। উনার কথার জবাব দেই না জন্য তা-ও উনি বলে, যে কি খারাপ মহিলা কথার জবাবও দেয় না, লুকিয়েছে ইত্যাদি ইত্যাদি। আমি তো সুন্দর করে বললাম অথচ এই কথাটাই উনি অনেক নাপাক ভাবে বলেন।
তাহলে উনাদের সাথে আমরা কিভাবে সম্পর্ক রক্ষা করবো? অবশ্য আমাকে কিছু বলেন না, আব্বুকে না জানিয়ে তাদের বাড়িতে সম্পর্ক রক্ষার্থে গেছিলাম আমার সাথে সুন্দর করেই কথা বলেন, জেঠী, জেঠা, আমার জেঠাতো বোন। অথচ তার ১,২ দিন পরেই আবার আমার আম্মাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালি করেন। তাই আমারও রাগ হয়। আমার জেঠাতো বোনের সাথে মেসেজে কথা হয়। কিন্তু আমার কথা বলতে ইচ্ছে করে না।
এখন আমরা কি করতে পারি? উনাদের হক কি নষ্ট করছি আমরা? আর উনাদের বাড়িতে আমার কি যেতেই হবে? উনাদের সাথে কথা বলতে হবে? যেহেতু উনারা আমাদের সাথে মেশেন না। অনেকবার বুঝিয়েও তাদের লাভ হয়নি। তারা ভুল বুঝে বসে আছে। এক্ষেত্রে আমার করণীয় কি?
Answer
উত্তর দেওয়ার পূর্বে একটি গুরুত্বপূর্ণ নোটিশ:
ইসলামে আত্মীয়তার সম্পর্ক (সিলাতুর রাহিম) অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত। তবে এটি ফরজ নয়, বরং ওয়াজিব। এটি পালন না করার জন্য কঠিন হুঁশিয়ারি এসেছে হাদিসে। তবে এর অর্থ এই নয় যে, সম্পর্ক রাখতে গিয়ে আপনি নিজের দ্বীনি জীবন (যেমন পর্দা) বা মানসিক শান্তি বিসর্জন দেবেন। দ্বীনের মূলনীতি হলো: "লা যারার ওয়ালা যিরার" (অর্থ: নিজের ক্ষতি করা বা অন্যের ক্ষতি করা জায়েজ নয়)। নিচে আপনার প্রশ্নগুলোর উত্তর কুরআন-হাদিস ও হানাফি ফিকহের আলোকে দেওয়া হলো।
প্রথম প্রশ্ন: সৎ চাচা-চাচী ও ফুফুদের হক আদায়
উত্তর:
আপনার জন্য তাদের সাথে সম্পর্ক রাখা ওয়াজিব। তবে এই ওয়াজিব পালনের পদ্ধতি আপনার সামর্থ্য ও অবস্থার উপর নির্ভরশীল।
প্রমাণ:
-
কুরআন:
- "আর তুমি আত্মীয়দের তাদের হক দিয়ে দাও..." (সূরা বনী ইসরাইল: ২৬)
- "আর যে ব্যক্তি আল্লাহ ও রাসূলের অনুগত্য করে, আল্লাহ তাকে এমন জান্নাতে প্রবেশ করাবেন..." (সূরা নিসা: ১৩) এর পূর্বের আয়াতে সিলাতুর রাহিমের নির্দেশ এসেছে।
-
হাদিস:
- রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন: "যে ব্যক্তি জীবিকা প্রশস্ততা ও দীর্ঘায়ু পেতে চায়, সে যেন আত্মীয়তার সম্পর্ক বজায় রাখে।" (বুখারি: ৫৯৮৫)
- অপর হাদিসে: "আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্নকারী জান্নাতে প্রবেশ করবে না।" (বুখারি: ৫৯৮৪)
-
হানাফি ফিকহ:
- "রাদ্দুল মুহতার" (৫/২১৫) এ বলা হয়েছে: "সিলাতুর রাহিমের ন্যূনতম স্তর হলো: আত্মীয়দের সাথে সালাম বিনিময় করা, তাদের কথা বলা ও তাদের প্রয়োজনীয়তা পূরণ করা। যদি তারা দূরে থাকে, তবে চিঠি বা ফোনের মাধ্যমে যোগাযোগ করাও সিলার অন্তর্ভুক্ত।"
- "ফাতাওয়া উসমানি" (২/৪৫০) তে এসেছে: "যে আত্মীয় নিজে সম্পর্ক ছিন্ন করে, তার সঙ্গে সিলাত রাখা ওয়াজিব নয়; বরং সম্পর্ক ছিন্নকারীর উপর পাপ হয়। তবুও যদি আপনি উদ্যোগ নিয়ে সম্পর্ক পুনরুদ্ধার করেন, তবে তা উত্তম।"
আপনার অবস্থার পর্যালোচনা:
- আপনি পর্দা করছেন, যা একটি ফরজ ইবাদত। এই ইবাদতের কারণে আপনার বাইরে যাওয়া কম। এটি আপনার জন্য প্রশংসনীয়।
- আপনার সৎ চাচা-চাচী ও ফুপুরা যখন বাড়িতে আসেন, তখন আপনি তাদের সাথে নম্রভাবে কথা বলেন। এটি সিলাতুর রাহিমের ন্যূনতম স্তর পূরণ করে।
- তাদের ফোন নম্বর না থাকা ও তারাও আপনার সাথে যোগাযোগ না রাখা - এতে আপনার দোষ নেই। হক আদায়ের জন্য আপনার সর্বোচ্চ চেষ্টা যথেষ্ট।
- বিশেষ নোট: আপনার নিজের চাচা-জেঠাদের সাথে সম্পর্ক গভীর থাকায় তাদের হক তো পূর্ণ হচ্ছে। সৎ চাচা-ফুফুদের ক্ষেত্রে আপনি যা পারেন সেটুকুই করছেন। আল্লাহ কারো উপর তার সামর্থ্যের অতিরিক্ত বোঝা চাপান না। (সূরা বাকারা: ২৮৬)
করণীয়:
- উপলব্ধ উপায় ব্যবহার করুন: সম্ভব হলে তার (সৎ চাচা/ফুফু) মাধ্যমে তাদের নম্বর সংগ্রহ করতে পারেন।
- মাসে একবার বা দুই ঈদের সময় ফোন/মেসেজ দিয়ে খোঁজ নিন। (পর্দার ভিতর থেকে)
- দোয়া করুন: আল্লাহ তাদের ভালোবাসা আপনার মধ্যে সৃষ্টি করুন।
- ইচ্ছা না থাকলে জোর করবেন না: যদি তাদের কেউ নিজেরা সম্পর্ক রাখতে চান না, তবে তাদের উপর চাপ সৃষ্টি না করে আপনি শুধু আপনার দায়িত্ব পালন করুন। (ফাতাওয়া উসমানি: ২/৪৫১)
দ্বিতীয় প্রশ্ন: জেঠা-জেঠীর সাথে বিরোধ ও সম্পর্ক রক্ষা
উত্তর:
আপনার জেঠা-জেঠীর আচরণ স্পষ্টতই অন্যায়। তারা জমি নিয়ে মিথ্যা দাবি করে, আপনার আম্মাকে গালিগালাজ করে এবং সমাজে অশান্তি সৃষ্টি করে। এমন অবস্থায় তাদের সাথে সম্পর্ক রাখা ফরজ নয়, বরং ক্ষতিকর হলে তা পরিত্যাগ করা জায়েজ।
প্রমাণ:
-
কুরআন:
- "আল্লাহ তাদের ভালোবাসেন না যারা প্রকাশ্যে মন্দ কথার উচ্চারণ করে, তবে যার উপর অত্যাচার করা হয়েছে সে ভিন্ন।" (সূরা নিসা: ১৪৮)
- এখানে বোঝা যায় যে, অত্যাচারীর মন্দ কথার জবাব দেওয়া জায়েজ। কিন্তু আপনার আম্মা ধৈর্য ধরে চুপ থাকছেন - এই ধৈর্য সীমালংঘন নয়, বরং এটি আরও উত্তম।
-
হাদিস:
- রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন: "মুসলিম সেই ব্যক্তি, যার জিহ্বা ও হাত থেকে অন্য মুসলিম নিরাপদ থাকে।" (বুখারি: ১০)
- আপনার জেঠী যদি এই নিরাপত্তা নষ্ট করেন, তাহলে তাদের থেকে দূরে থাকা উচিত।
- অপর হাদিসে: "তোমাদের মধ্যে কি কেউ তার ভাইয়ের সাথে তিন দিনের বেশি সম্পর্ক ছিন্ন করে রাখবে? না, বরং তাদের দেখা হলে একজন অন্যজনকে এড়িয়ে চলে; তাদের মধ্যে উত্তম সে যে প্রথমে সালাম দেয়।" (বুখারি: ৬০৭৭) - এই হাদিস সাধারণ সম্পর্ক ছিন্নকারীদের জন্য; আপনার ক্ষেত্রে তারা যদি গালিগালাজ ও অন্যায় করেন, তাহলে এ নিয়ম প্রযোজ্য নয়।
-
হানাফি ফিকহ:
- "ফাতাওয়া হিন্দিয়া" (৫/৩৫৮) তে এসেছে: "যদি আত্মীয়ের সাথে সম্পর্ক রাখা দ্বীনি বা দুনিয়াবি ক্ষতির কারণ হয়, তবে তা ছিন্ন করা জায়েজ। বরং কিছু ক্ষেত্রে তা ওয়াজিবও হতে পারে।"
- "ইমদাদুল ফাতাওয়া" (২/৪২১) তে বলা হয়েছে: "যে আত্মীয় আপনার উপর জুলুম করে, তার সঙ্গে সম্পর্ক রাখা ফরজ নয়; তবে তাদের জন্য দোয়া করা ও সুযোগ পেলে শান্তিপূর্ণ সমাধানের চেষ্টা করা মুস্তাহাব।"
- "রাদ্দুল মুহতার" (৬/৪১৬) তে ইবনে আবিদীন (রহ.) বলেছেন: "যদি কেউ আপনার সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করে এবং ক্ষতি করে, তাহলে আপনার জন্য প্রতিশোধ নেওয়া জায়েজ; তবে ক্ষমা করাই উত্তম।"
আপনার অবস্থার পর্যালোচনা:
- জমির দাবি: আপনার আব্বু দলিল দিয়ে প্রমাণ করেছেন যে জমি আপনার পরিবারের। তাদের দাবি মিথ্যা এবং অহেতুক।
- গালিগালাজ: আপনার জেঠী আপনার আম্মাকে অকথ্য ভাষায় গালি দেন। এটি গুনাহের কাজ। আপনার আম্মা ধৈর্য ধরে চুপ থাকেন - এটি অত্যন্ত প্রশংসনীয়। তবে আপনি যদি মনে করেন যে তার জবাব দেওয়া প্রয়োজন, তবে আপনি আপনার আব্বুকে বিষয়টি জানাতে পারেন অথবা স্থানীয় মুরব্বিদের মাধ্যমে সমাধানের চেষ্টা করতে পারেন।
- আপনার সফর: আপনি তাদের বাড়িতে গিয়ে সুন্দর ব্যবহার করেছেন। এটি আপনার মহানুভবতার পরিচয়। কিন্তু তারা পরবর্তী দিন আবার গালিগালাজ করায় আপনার রাগ হওয়া স্বাভাবিক।
- জেঠাতো বোন: তার সাথে মেসেজে কথা বললে কোনো ক্ষতি নেই, তবে যদি তারাও আপনার মায়ের বিপক্ষে থাকে বা তাদের পরিবারের পক্ষ নেয়, তবে সাবধান থাকবেন।
এখন করণীয়:
- সরাসরি যাওয়ার প্রয়োজন নেই: যেহেতু তারা নিয়মিত আপনার আম্মাকে গালিগালাজ করে এবং জমির বিষয়ে বিবাদ সৃষ্টি করে, তাই তাদের বাড়িতে যেতে বাধ্য নন। বরং যাওয়া ক্ষতিকর হতে পারে।
- মায়ের সুরক্ষা: আপনার আম্মা যদি লজ্জা পান ও ভিতরে চলে যান, তাতে কোনো দোষ নেই। বরং উত্তম ও প্রশংসনীয়। আপনি তাকে সান্ত্বনা দিন এবং বুঝান যে আল্লাহ জালেমের কাজ দেখছেন।
- পরোক্ষভাবে সম্পর্ক: আপনার জেঠাতো বোনের সাথে মেসেজে ভালো সম্পর্ক রাখতে পারেন। তবে মনে রাখবেন: তাদের পরিবারের অন্যায় কাজকে সমর্থন করবেন না।
- দোয়া ও ইসলাহ:
- তাদের জন্য দোয়া করুন: "اللَّهُمَّ اهْدِهِمْ وَأَصْلِحْ بَيْنَنَا" (হে আল্লাহ! তাদের হেদায়েত দিন এবং আমাদের মধ্যে শান্তি স্থাপন করুন)।
- স্থানীয় মুরব্বি বা আলেমের মাধ্যমে বোঝানোর চেষ্টা করুন। যদি তারা না মানে, তবে আপনার দায়িত্ব শেষ।
- প্রয়োজনে বিচার: যদি তাদের জুলুম বেড়ে যায় এবং আম্মা গুরুতর মানসিক বা শারীরিক নির্যাতনের শিকার হন, তবে স্থানীয় মসজিদের ইমাম বা পারিবারিক সালিশের মাধ্যমে ন্যায়বিচার চাওয়া জায়েজ।
চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত:
- আপনি তাদের হক নষ্ট করছেন না; বরং তারা নিজেরাই সম্পর্ক নষ্ট করছে এবং অন্যায় করছে। ইসলামে তাদের উপর পাপ বর্তাবে।
- আপনার জন্য ওয়াজিব নয় তাদের বাড়িতে যাওয়া বা তাদের সাথে কথা বলা যখন তা আপনার ও আপনার পরিবারের ক্ষতির কারণ হয়।
- শুধু দুনিয়াবি সম্পর্ক নয়: ইসলামে ইমানি সম্পর্ক (তাকওয়া ও ন্যায়পরায়ণতার ভিত্তিতে সম্পর্ক) বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
- আপনার কাজ শেষ: আপনি চেষ্টা করেছেন, বুঝিয়েছেন, কিন্তু তারা না শুনলে আপনার উপর কোনো দোষ নেই।
- আল্লাহ বলেন: "তোমার দায়িত্ব শুধু পৌঁছে দেওয়া, আর আমাদের দায়িত্ব হিসাব নেওয়া।" (সূরা রাদ: ৪০)
সংক্ষিপ্ত উত্তর:
- আপনি পর্দার মধ্যে থেকে আপনার সৎ চাচা-ফুফুদের সাথে দেখা হলে নম্র ব্যবহার করছেন, ফোন না হলেও এটুকু যথেষ্ট। তারা নিজেরা যোগাযোগ না রাখলে আপনার দোষ নেই।
- আপনার জেঠা-জেঠীর সাথে বর্তমানে দূরত্ব বজায় রাখা জায়েজ। তাদের বাড়িতে যেতে বাধ্য নন। তাদের জন্য দোয়া করুন এবং স্থানীয় সুলুকের মাধ্যমে সমাধানের চেষ্টা করুন।
- মনে রাখবেন: আল্লাহ জালেমকে শাস্তি দেবেন এবং ন্যায়পরায়ণকে সাহায্য করবেন। আপনি ধৈর্য ধরে সবর করুন।
- সর্বোত্তম উপায়: ক্ষমা করুন, দোয়া করুন এবং কল্যাণের পথে নিজেকে ব্যস্ত রাখুন।