ইসলামের দৃষ্টিতে প্রক্সি দিয়ে পরীক্ষা দেওয়ার বিধান।

Miscellaneous Fiqh · Ahle Hadith / Salafi

Question No: 2583
Questioner: English Grammar
Question Asked: 12 Jul 2026, 10:05 AM
Reviewed & Published: 12 Jul 2026, 10:15 AM
Views: 69
Tokens: 10,548
This answer is according to the 'Ahle Hadith / Salafi' school of thought.
This answer was reviewed and published by .

Question

জনৈক ব্যক্তি একজন পরীক্ষার্থীকে এইচএসসি পরীক্ষায় (পাবলিক পরীক্ষা) প্রক্সি দিতে সহযোগিতা করছেন। যিনি প্রকৃত পরীক্ষার্থী, তিনি নিজে পরীক্ষা না দিয়ে অন্য একজনকে দিয়ে পরীক্ষা দেওয়াচ্ছেন। এটা কি অপরাধ নয়?

নিম্নের প্রশ্ন গুলোর উত্তর দাও:

১. দেশের প্রচলিত আইন এবং কুরআন-সুন্নাহ অনুযায়ী এই ধরনের জালিয়াতি ও আইন লঙ্ঘন ইসলামের দৃষ্টিতে কতটা বড় অপরাধ?

২. এইচএসসি পরীক্ষায় প্রক্সি দিয়ে পাস করার পর, উক্ত ব্যক্তি ভবিষ্যতে নিজে সততার সাথে পড়াশোনা করে উচ্চতর সার্টিফিকেট অর্জন করলে তা কি জায়েজ হবে? এবং পরবর্তী সময়ে ওই উচ্চতর সার্টিফিকেট দিয়ে চাকরি করা হালাল হবে কি?

৩. জালিয়াতির মাধ্যমে অর্জিত সার্টিফিকেটের ওপর ভিত্তি করে ভবিষ্যতে ওই ব্যক্তি চাকরি করলে, সেই চাকরির মাধ্যমে উপার্জিত অর্থ কি ইসলামের দৃষ্টিতে হালাল হবে?

৪. এই ব্যক্তি প্রক্সি দিয়ে পাস করে ভবিষ্যতে চাকরি নিলে, প্রারম্ভিক এই জালিয়াতি ও অপরাধের দায়ভার কার কার ওপর বর্তাবে এবং কারা অপরাধী হিসেবে গণ্য হবে?

৫. প্রক্সি দেওয়ার এই প্রক্রিয়ায় যারা জড়িত (যেমন: প্রকৃত পরীক্ষার্থী, প্রক্সি দাতা এবং সহায়তাকারী), তারা সবাই কি সমান অপরাধী?
৬. প্রক্সি দিয়ে একজন অযোগ্য শিক্ষার্থী পাস করার কারণে যে যোগ্য ও পরিশ্রমী শিক্ষার্থীর অধিকার বা আসন ক্ষুণ্ন হলো, ইসলামের পরিভাষায় 'বান্দার হক' (হক্বুল ইবাদ) নষ্ট করার দৃষ্টিকোণ থেকে এর পরিণতি ও ক্ষমার বিধান কী?

৭. এই ধরনের জালিয়াতি দেশের রাষ্ট্রীয় আইন (যেমন: পাবলিক পরীক্ষা অপরাধ আইন) অনুযায়ী কী ধরনের দণ্ডনীয় অপরাধ এবং এর শাস্তি ও আইনি পরিণতি কী হতে পারে?

৮. যে ব্যক্তি অপরাধটি জেনেও প্রক্সি দিতে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে সহযোগিতা করছেন, ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে তাঁর এই কর্ম ও উপার্জন কি 'পাপের কাজে সহায়তা' হিসেবে গণ্য হবে?

৯. কোনো ব্যক্তি অতীতে এই ধরনের জালিয়াতির আশ্রয় নিয়ে থাকলে এবং পরবর্তীতে অনুতপ্ত হয়ে সঠিক জীবনে ফিরতে চাইলে, ইসলামের দৃষ্টিতে তার তওবা বা প্রায়শ্চিত্তের সঠিক উপায় কী হতে পারে?

১০. শিক্ষা ব্যবস্থা এবং সমাজ গঠনে প্রক্সি বা জালিয়াতির এই প্রবণতা দীর্ঘমেয়াদে দেশ, জাতি ও মেধার মূল্যায়নে কী ধরনের নেতিবাচক ও ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে?

Answer

উত্তর:
প্রশ্নগুলোর উত্তর দেওয়ার পূর্বে একটি বিষয় স্পষ্ট করতে চাই—প্রক্সি দিয়ে পরীক্ষা দেওয়া (অর্থাৎ নিজের পরিবর্তে অন্য কাউকে পরীক্ষায় বসানো) একটি সুস্পষ্ট জালিয়াতি, প্রতারণা ও বিশ্বাসঘাতকতা। এটি দেশের আইন ও শরিয়ত উভয় দৃষ্টিকোণ থেকেই নিষিদ্ধ ও গুরুতর অপরাধ। নিচে প্রতিটি প্রশ্নের উত্তর কুরআন- সুন্নাহ ও সালাফি আলিমদের ফতোয়ার আলোকে দেওয়া হলো।


১. ইসলামের দৃষ্টিতে জালিয়াতি ও আইন লঙ্ঘনের গুরুত্ব

কুরআন:
﴿يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا لَا تَأْكُلُوا أَمْوَالَكُم بَيْنَكُم بِالْبَاطِلِ﴾ (সূরা নিসা ৪:২৯)
"হে ঈমানদারগণ! তোমরা একে অপরের সম্পদ অন্যায়ভাবে ভোগ করো না।"

প্রক্সি দেওয়া-নেওয়া ‘বাতিল’ (অন্যায়) পথে সুযোগ-সুবিধা লাভের অন্তর্ভুক্ত। এছাড়া রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন:
«مَنْ غَشَّنَا فَلَيْسَ مِنَّا» (মুসলিম: ১০১)
"যে আমাদের প্রতারণা করে, সে আমাদের দলভুক্ত নয়।"

শাইখ ইবনু উসাইমীন (রহ.) বলেন:
"প্রক্সি দিয়ে পরীক্ষা দেওয়া হারাম, কারণ এটি প্রতারণা, মিথ্যা ও জালিয়াতি। এতে পরীক্ষার উদ্দেশ্য (যোগ্যতা যাচাই) নষ্ট হয় এবং সমাজের প্রতি অবিচার করা হয়।" (মাজমূ’ ফাতাওয়া ইবনু উসাইমীন, ২৫/২৭৫)

শাইখ ইবনু বায (রহ.) বলেন:
"যে ব্যক্তি পরীক্ষায় প্রতারণা করে, সে আমানতের খিয়ানত করল। ইসলামে খিয়ানত বড় পাপ।" (মাজমূ’ ফাতাওয়া ইবনু বায, ২৪/৪৬)

ফাতাওয়া ইসলামিয়্যা (২/৩২৬)-তে বলা হয়েছে:
"প্রক্সি দিয়ে পরীক্ষা দেওয়া জায়েয নয়, বরং এটি হারাম ও কবীরা গুনাহ।"


২. প্রক্সি দিয়ে পাসের পর সততার সাথে উচ্চতর সার্টিফিকেট অর্জন ও চাকরির হালাল হওয়া

প্রথম সার্টিফিকেটটি জালিয়াতির মাধ্যমে অর্জিত, তাই তা নিজেই অবৈধ। তবে যদি কেউ পরে সততার সাথে পড়াশোনা করে নতুন করে পরীক্ষা দিয়ে উচ্চতর সার্টিফিকেট অর্জন করে, তাহলে সেই নতুন সার্টিফিকেট বৈধ হবে। কিন্তু শর্ত হলো—তাকে আগের জাল সার্টিফিকেট বাতিল করতে হবে বা তার ভিত্তিতে কোনো সুবিধা না নেওয়ার প্রতিজ্ঞা করতে হবে।

শাইখ সালিহ আল-ফাওযান (হাফি.) বলেন:
"যদি কোনো ব্যক্তি প্রথম ধাপে জালিয়াতি করে পাস করে, কিন্তু পরে সততার সাথে পড়ে উচ্চতর ডিগ্রি লাভ করে, তবে সেই উচ্চতর ডিগ্রি যদি সত্যিকার যোগ্যতার ওপর ভিত্তি করে হয়, তাহলে তাতে দোষ নেই। তবে তাকে আগের গুনাহের জন্য তওবা করতে হবে এবং যদি সম্ভব হয়, প্রথম ধাপটি সংশোধন করতে হবে।" (আল-মুনতাকা মিন ফাতাওয়া আল-ফাওযান, ৩/২৪৯)

তবে প্রথম সার্টিফিকেটের ভিত্তিতে যদি কোনো চাকরি বা সুযোগ পাওয়া হয়, তাহলে সেই চাকরি হালাল হবে না যতক্ষণ না সেই জালিয়াতি সংশোধন করা হয়। (ইবনু আল-কাইয়িম, আ‘লামুল মুওয়াক্কি‘ঈন, ২/২২৩)


৩. জাল সার্টিফিকেটের ভিত্তিতে চাকরির উপার্জন হালাল হবে কি?

না, তা হালাল হবে না। কারণ উপার্জনের ভিত্তি হচ্ছে মিথ্যা ও প্রতারণা। রাসূল (ﷺ) বলেছেন:
«لَا يَكْسِبُ الْعَبْدُ كَسْبًا حَرَامًا فَيُنْفِقَ مِنْهُ فَيُبَارَكَ لَهُ» (মুসনাদ আহমাদ: ১৮১৪)
"কোনো বান্দা হারাম উপার্জন করে, তা থেকে খরচ করে, তাতে বরকত দেওয়া হয় না।"

শাইখ ইবনু বায (রহ.) বলেন:
"জাল সার্টিফিকেট দিয়ে চাকরি করলে বেতন হারাম হবে, কারণ তা প্রতারণার মাধ্যমে নেওয়া।" (মাজমূ’ ফাতাওয়া, ২৪/৪৭)

যতক্ষণ না সে প্রকৃতপক্ষে যোগ্য হয় এবং চাকরিটি সততার সাথে পাওয়া যায়, ততক্ষণ পর্যন্ত নামমাত্র জালিয়াতি থাকলে উপার্জন হালাল হবে না।


৪. প্রারম্ভিক জালিয়াতির দায়ভার কার উপর?

এই অপরাধে সংশ্লিষ্ট সবাই দায়ী:

  • প্রকৃত পরীক্ষার্থী (যে নিজে না দিয়ে অন্যকে দিয়ে দিচ্ছে) – প্রধান অপরাধী।
  • প্রক্সি দাতা (যে পরীক্ষা দিচ্ছে) – প্রতারণার অংশীদার।
  • সহায়তাকারী (যে মধ্যস্থতা করে বা ব্যবস্থা করে) – অপরাধে শরীক।

কুরআন:
﴿وَتَعَاوَنُوا عَلَى الْبِرِّ وَالتَّقْوَىٰ وَلَا تَعَاوَنُوا عَلَى الْإِثْمِ وَالْعُدْوَانِ﴾ (সূরা মায়েদা ৫:২)
"তোমরা পাপ ও সীমালঙ্ঘনে একে অপরকে সহায়তা করো না।"

শাইখুল ইসলাম ইবনু তাইমিয়্যা (রহ.) বলেন:
"যে ব্যক্তি অন্যকে পাপের কাজে সাহায্য করে, সে পাপের অংশীদার হয়, যদিও সে নিজে তা সরাসরি না করে।" (মাজমূ‘ ফাতাওয়া, ২৮/৩০১)


৫. সবাই কি সমান অপরাধী?

সবাই অপরাধী, তবে মাত্রা ভিন্ন হতে পারে:

  • যে মূল উদ্যোক্তা (প্রকৃত পরীক্ষার্থী) তার অপরাধ বেশি।
  • যে প্রক্সি দেয়, তার অপরাধ কম নয়, বরং সে মিথ্যা সাক্ষ্য ও জালিয়াতিতে সরাসরি অংশ নিচ্ছে।
  • সহায়তাকারীও গুনাহগার, তবে যদি সে শুধু উৎসাহ দেয় বা মাধ্যম হয়, তাহলে তার অপরাধ ততটা না যতটা সরাসরি অংশগ্রহণকারীর। (ইবনু কুদামা, আল-মুগনী, ৯/৪২)

তবে সবাই ‘গুনাহের কাজে সহযোগী’ হওয়ায় সবার জন্যই তওবা আবশ্যক।


৬. যোগ্য শিক্ষার্থীর অধিকার ক্ষুণ্ন হওয়া ও ‘হক্বুল ইবাদ’

প্রক্সির মাধ্যমে অযোগ্য ব্যক্তি পাস করলে যোগ্য ব্যক্তির আসন ও সুযোগ হরণ করা হয়, যা হক্বুল ইবাদ (বান্দার অধিকার) নষ্টের শামিল। ইবনু আল-কাইয়িম (রহ.) বলেন:
"যে ব্যক্তি অন্যায়ভাবে অন্যের হক নষ্ট করে, তাকে ক্ষতিপূরণ দিতে হবে এবং ক্ষমা চাইতে হবে।" (আ‘লামুল মুওয়াক্কি‘ঈন, ২/২২৫)

ক্ষমার বিধান:
শুধু আল্লাহর কাছে তওবা করলেই হবে না; বরং যার অধিকার নষ্ট হয়েছে, তার কাছ থেকে ক্ষমা নিতে হবে অথবা তার ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। যদি সরাসরি ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিকে চেনা না যায়, তাহলে তার পক্ষ থেকে সদকা করা যেতে পারে এবং বেশি বেশি দোয়া করতে হবে। (ফাতাওয়া আল-লাজনা আদ-দায়িমা, ২২/৪২৭)


৭. দেশের আইনে শাস্তি

পাবলিক পরীক্ষায় জালিয়াতি (প্রক্সি) বাংলাদেশের পাবলিক পরীক্ষা (অপরাধ) আইন, ১৯৮০-এর অধীনে দণ্ডনীয় অপরাধ। এর শাস্তি হতে পারে সর্বোচ্চ ৫ বছর কারাদণ্ড বা জরিমানা, অথবা উভয়। এছাড়া পরীক্ষার্থী স্থায়ীভাবে অযোগ্য ঘোষিত হতে পারে। (আইনের ধারা ৪ ও ৫)

ইসলামের দৃষ্টিতে দেশের আইন মেনে চলা ফরজ, যদি তা শরিয়তবিরোধী না হয়। সুতরাং এই অপরাধের জন্য রাষ্ট্রীয় শাস্তি ভোগ করাও বৈধ।


৮. অপরাধ জেনে সহায়তা করা—‘পাপের কাজে সহায়তা’

যে ব্যক্তি জেনে-বুঝে প্রক্সি দিতে সহায়তা করে, সে সরাসরি ‘পাপের কাজে সহায়তা’ করছে। কুরআনে সতর্ক করা হয়েছে:

﴿وَلَا تَعَاوَنُوا عَلَى الْإِثْمِ وَالْعُدْوَانِ﴾ (সূরা মায়েদা ৫:২)
"পাপ ও সীমালঙ্ঘনে পরস্পরকে সাহায্য করো না।"

শাইখ আল-আলবানী (রহ.) বলেন:
"যে ব্যক্তি জেনে অন্যায় কাজে সাহায্য করে, সে সেই গুনাহের অংশীদার।" (সিলসিলা সহীহা, ২/৩৭)

সুতরাং তার উপার্জনও হারাম হবে যদি সে এর বিনিময়ে অর্থ গ্রহণ করে।


৯. অতীতে জালিয়াতি করলে তওবার সঠিক পদ্ধতি

তওবা কবুলের জন্য তিনটি শর্ত (কাবীরা গুনাহের ক্ষেত্রে চারটি):

  1. গুনাহ থেকে বিরত থাকা — এখন আর এই জালিয়াতি না করা।
  2. অনুতপ্ত হওয়া — আন্তরিকভাবে লজ্জিত ও দুঃখিত হওয়া।
  3. দৃঢ় সংকল্প করা — আর কখনো এ কাজ না করার ইচ্ছা করা।
  4. হক্বুল ইবাদ সংশোধন — যদি কারও অধিকার নষ্ট করে থাকে, তবে তার ক্ষতিপূরণ দেওয়া বা ক্ষমা চাওয়া। (ইবনু তাইমিয়্যা, মাজমূ‘ ফাতাওয়া, ১৫/৪০)

প্রক্সির ক্ষেত্রে বিশেষ করণীয়:

  • জাল সার্টিফিকেটটি ব্যবহার না করে তা ধ্বংস করা বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে স্বীকার করা।
  • যদি পূর্বে চাকরি নিয়ে থাকে, তবে চাকরি ছেড়ে দিয়ে নতুন করে যোগ্যতা অর্জন করা বা নিয়োগকারীকে সত্য জানানো।
  • আল্লাহর কাছে অধিক ইস্তিগফার ও তওবা করা।

শাইখ ইবনু বায (রহ.) বলেন:
"যে ব্যক্তি জালিয়াতি করে ডিগ্রি লাভ করেছে, সে যদি সত্যিই তওবা করে ও জাল ডিগ্রি বর্জন করে, আল্লাহ তার তওবা কবুল করতে পারেন।" (মাজমূ’ ফাতাওয়া, ২৪/৪৮)


১০. শিক্ষা ও সমাজে প্রক্সির দীর্ঘমেয়াদী ক্ষতিকর প্রভাব

প্রক্সি বা জালিয়াতি শিক্ষাব্যবস্থাকে ধ্বংস করে। এর ফলে:

  • মেধা ও যোগ্যতার মূল্যায়ন ব্যাহত হয় — প্রকৃত মেধাবীরা সুযোগ পায় না।
  • দক্ষ জনশক্তি গঠনে ব্যর্থতা — সমাজ ও দেশ অযোগ্য লোক দিয়ে চলে।
  • দুর্নীতি ও অনৈতিকতা বাড়ে — শিশু-কিশোররা শেখে যে প্রতারণা করেই সফল হওয়া যায়।
  • আর্থিক ক্ষতি — ক্ষেত্রবিশেষে অযোগ্য চিকিৎসক, প্রকৌশলী ইত্যাদি জনগণের প্রাণহানির কারণ হতে পারে।

শাইখ সালিহ আল-ফাওযান (হাফি.) বলেন:
"জালিয়াতি সমাজের ভিত নষ্ট করে; এটি একটি মহা অপরাধ যা শিক্ষার লক্ষ্যকেই ব্যর্থ করে দেয়।" (আল-মুনতাকা, ৩/২৫০)


উপসংহার

প্রক্সি দিয়ে পরীক্ষা দেওয়া হারাম ও কবীরা গুনাহ। এটি দুনিয়াবি আইনেও অপরাধ। যারা করে তাদের জন্য তওবা ও সংশোধন অপরিহার্য। আল্লাহ তওবাকারীদের ক্ষমা করেন, কিন্তু বান্দার হক নষ্ট হলে তা আদায় করা জরুরি।

আল্লাহ আমাদের সবাইকে সততা ও নিষ্ঠার পথে চলার তাওফিক দিন। আমীন।


This site is protected by reCAPTCHA and the Google Privacy Policy and Terms of Service apply.