ঈমান নিয়ে ওয়াসওয়াসা।

Faith and Belief · Hanafi

Question No: 7225
Questioner: Rebeya Ruby
Question Asked: 21 Oct 2026, 08:07 PM
Reviewed & Published: 21 Oct 2026, 08:41 PM
Views: 7
Tokens: 12,117
This answer is according to the 'Hanafi' school of thought.
This answer was reviewed and published by .

Question

আসসালামু আলাইকুম হুজুর।

১) ফেসবুকে একটা হাদিস পড়তেছিলাম। মানে ইসলামিক একটা ঘটনা পড়েছি। সেখানে আমাদের নবীর একটা হাদিস ছিল। তো তখন আমার আমাদের নবীর অন্য হাদিস আমার মনে পড়ে যায়। তখন আমার মনে নানান প্রশ্ন আসতে থাকে। সেই প্রশ্ন থেকে আমি মনে মনে বিরক্ত হতে থাকি। যে এত কিছু। তখন আবার মনে মনে নবীকে নিয়ে বাজে কথা বলে ফেলি। তখন আমি সিউর ছিলাম যে আমি বাজে কথা গুলা মনে মনেই বলেছি। এখন আমার ঈমান কি ঠিক আছে হুজুর?

২) একটু পরে আমার মনে আবার এই চিন্তা আসে তখন আমি সন্দেহে পড়ে যাই মনে মনে বললাম নাকি মুখেই বলে ফেললাম। তাই কয়েকবার ঠোঁট খুলা রেখে চেক করি। মনে মনে বলি। সে বাজে কথা গুলা। এভাবে বাজে কথা গুলা বলে চেক করার কারনে ঈমানে কোনো সমস্যা হয়েছে হুজুর?

৩) তার কিছুক্ষন পরে আমি আবার মনে মনে বলতে থাকি সেই বাজে কথা। আর আমার ভিতরে কাপতে থাকে সব কিছু। আমি মনে মনে বললাম নাকি মুখে বললাম সেটা যেন পরে আবার ভুলে না যাই তাই ফোনের নোট এর মধ্যে লিখে রাখতেছিলাম " আমি মুখে কিছু বলি নাই, নাউযুবিল্লাহ "। এটা আমি লিখে রাখছি।
তার পরে থেকে আমার টেনশন হইতেছে যে, আমি ইচ্ছা করে এটা কি বললাম। আমার মনে হইতেছিলো মনে মনে বললে যেহেতু কোনো সমস্যা হয় না, তাই ইচ্ছা করে বলি বাজে কথা গুলা। আমার ঈমান কি ঠিক আছে?

৪) হুজুর কেউ যদি ইচ্ছাকৃত ভাবে এসব বাজে কথা মনে মনে বলে নবীকে নিয়ে তার কিছুক্ষন পরে মানে ১৫-২০ মিনিট পরে আবার তার মনে হয় মনে মনে যেটা বলেছিল সেটা বলা ঠিক হয় নাই। তার ঈমান কি ঠিক আছে?

৫)মনে মনে নবীকে নিয়ে বাজে কথা বলে ফেলেছি। অনেক বাজে কথা। যেটার শাস্তি হত্যা করা। তখন আমি নখ কামড়াচ্ছিলাম।আমি নখ কামড়াতে কামড়াতে মনে মনে সেই বাজে কথা টা বলি তখন সাউন্ড ও হয় নখ কামড়ানোর। তার পরে এক সময় নখ কামড়ানো বন্ধ করে দেই। কিন্ত মুখে আংগুল দিয়েই মুখ খোলা অবস্থা তেই বাকি বাজে কথা বলি মনে মনে। জিহবা নড়ে শুধু। আমি নিজের কানে কিছু শুনতে পাই নাই। কিন্তু আমার সন্দেহ হচ্ছে বাজে কথা কি মুখে উচ্চারণ করে বলে ফেললাম কিনা।

৬)যেহেতু মুখ খোলা ছিল। এগুলা কি মুখে উচ্চারণ করা ধরা হবে? আমার ঈমানে কি কোনো সমস্যা হবে?

৭)নখ কামড়ানোর সময় মনে মনে নবি কে নিয়ে বাজে কথা বলি, তখন আমি আস্তাগফিরুল্লাহ বলি, নাউযুবিল্লাহ বলি, এমন না, এমন না বলি মনে মনেই। আস্তাগফিরুল্লাহ, নাউযুবিল্লাহ এগুলা আবার ফোনে লিখেও রাখি। এখন আমার ঈমান বিয়ে কি ঠিক আছে?

৮)মনে মনে কেউ যদি বাজে কথা বলে চিন্তা করতে করতে। আর সে বুঝতে পারে না এটা কি ইচ্ছায় নাকি অনিচ্ছাকৃত বলতেছে। কারন সে প্রায় ২দিন ধরে একটা চিন্তা করতেছে ।বার বার সেই চিন্তা টা ইচ্ছা করে মাথায় এনে সমাধান খুজতেছে । মনে মনে বাজে কথা বলে আবার আস্তাগফিরুল্লাহ ,নাউযুবিল্লাহ বলতেছে। এভাবে মনে মনে বাজে কথা বলার কারনে ,ইসলাম নিয়ে, নবী নিয়ে সে কি শাতিম হবে?

৯)আমি পেরেশানি তে মরে যাচ্ছি। আমাকে সাহায্য করুন। আপনাদের উত্তর এর উপর আমল করতে পারবো?

Answer

وعليكم السلام ورحمة الله وبركاته

১) ফেসবুকে একটা হাদিস পড়তেছিলাম। মানে ইসলামিক একটা ঘটনা পড়েছি। সেখানে আমাদের নবীর একটা হাদিস ছিল। তো তখন আমার আমাদের নবীর অন্য হাদিস আমার মনে পড়ে যায়। তখন আমার মনে নানান প্রশ্ন আসতে থাকে। সেই প্রশ্ন থেকে আমি মনে মনে বিরক্ত হতে থাকি। যে এত কিছু। তখন আবার মনে মনে নবীকে নিয়ে বাজে কথা বলে ফেলি। তখন আমি সিউর ছিলাম যে আমি বাজে কথা গুলা মনে মনেই বলেছি। এখন আমার ঈমান কি ঠিক আছে হুজুর?

জবাবঃ- আপনার ঈমান ঠিক আছে।

২) একটু পরে আমার মনে আবার এই চিন্তা আসে তখন আমি সন্দেহে পড়ে যাই মনে মনে বললাম নাকি মুখেই বলে ফেললাম। তাই কয়েকবার ঠোঁট খুলা রেখে চেক করি। মনে মনে বলি। সে বাজে কথা গুলা। এভাবে বাজে কথা গুলা বলে চেক করার কারনে ঈমানে কোনো সমস্যা হয়েছে হুজুর?

জবাবঃ- আপনার ঈমান ঠিক আছে।

৩) তার কিছুক্ষন পরে আমি আবার মনে মনে বলতে থাকি সেই বাজে কথা। আর আমার ভিতরে কাপতে থাকে সব কিছু। আমি মনে মনে বললাম নাকি মুখে বললাম সেটা যেন পরে আবার ভুলে না যাই তাই ফোনের নোট এর মধ্যে লিখে রাখতেছিলাম " আমি মুখে কিছু বলি নাই, নাউযুবিল্লাহ "। এটা আমি লিখে রাখছি। তার পরে থেকে আমার টেনশন হইতেছে যে, আমি ইচ্ছা করে এটা কি বললাম। আমার মনে হইতেছিলো মনে মনে বললে যেহেতু কোনো সমস্যা হয় না, তাই ইচ্ছা করে বলি বাজে কথা গুলা। আমার ঈমান কি ঠিক আছে?

জবাবঃ- আপনার ঈমান ঠিক আছে।

৪) হুজুর কেউ যদি ইচ্ছাকৃত ভাবে এসব বাজে কথা মনে মনে বলে নবীকে নিয়ে তার কিছুক্ষন পরে মানে ১৫-২০ মিনিট পরে আবার তার মনে হয় মনে মনে যেটা বলেছিল সেটা বলা ঠিক হয় নাই। তার ঈমান কি ঠিক আছে?

জবাবঃ- আপনার ঈমান ঠিক আছে।

৫)মনে মনে নবীকে নিয়ে বাজে কথা বলে ফেলেছি। অনেক বাজে কথা। যেটার শাস্তি হত্যা করা। তখন আমি নখ কামড়াচ্ছিলাম।আমি নখ কামড়াতে কামড়াতে মনে মনে সেই বাজে কথা টা বলি তখন সাউন্ড ও হয় নখ কামড়ানোর। তার পরে এক সময় নখ কামড়ানো বন্ধ করে দেই। কিন্ত মুখে আংগুল দিয়েই মুখ খোলা অবস্থা তেই বাকি বাজে কথা বলি মনে মনে। জিহবা নড়ে শুধু। আমি নিজের কানে কিছু শুনতে পাই নাই। কিন্তু আমার সন্দেহ হচ্ছে বাজে কথা কি মুখে উচ্চারণ করে বলে ফেললাম কিনা।

জবাবঃ- আপনার ঈমান ঠিক আছে।

৬)যেহেতু মুখ খোলা ছিল। এগুলা কি মুখে উচ্চারণ করা ধরা হবে? আমার ঈমানে কি কোনো সমস্যা হবে?

জবাবঃ- আপনার ঈমান ঠিক আছে।

৭)নখ কামড়ানোর সময় মনে মনে নবি কে নিয়ে বাজে কথা বলি, তখন আমি আস্তাগফিরুল্লাহ বলি, নাউযুবিল্লাহ বলি, এমন না, এমন না বলি মনে মনেই। আস্তাগফিরুল্লাহ, নাউযুবিল্লাহ এগুলা আবার ফোনে লিখেও রাখি। এখন আমার ঈমান বিয়ে কি ঠিক আছে?

জবাবঃ- আপনার ঈমান ঠিক আছে।

৮)মনে মনে কেউ যদি বাজে কথা বলে চিন্তা করতে করতে। আর সে বুঝতে পারে না এটা কি ইচ্ছায় নাকি অনিচ্ছাকৃত বলতেছে। কারন সে প্রায় ২দিন ধরে একটা চিন্তা করতেছে ।বার বার সেই চিন্তা টা ইচ্ছা করে মাথায় এনে সমাধান খুজতেছে । মনে মনে বাজে কথা বলে আবার আস্তাগফিরুল্লাহ ,নাউযুবিল্লাহ বলতেছে। এভাবে মনে মনে বাজে কথা বলার কারনে ,ইসলাম নিয়ে, নবী নিয়ে সে কি শাতিম হবে?

জবাবঃ- না।

৯)আমি পেরেশানি তে মরে যাচ্ছি। আমাকে সাহায্য করুন। আপনাদের উত্তর এর উপর আমল করতে পারবো?

জবাবঃ- জ্বী,পারবেন।


This site is protected by reCAPTCHA and the Google Privacy Policy and Terms of Service apply.