জীবদ্দশায় সন্তানদের মাঝে সম্পত্তি উপহার (হিবা) প্রদানের ক্ষেত্রে অসমান বণ্টন।

Family Life · Ahle Hadith / Salafi

Question No: 7095
Questioner: Mst Shapna Akter
Question Asked: 19 Oct 2026, 01:14 AM
Reviewed & Published: 19 Oct 2026, 06:52 AM
Views: 33
Tokens: 12,923
This answer is according to the 'Ahle Hadith / Salafi' school of thought.
This answer was reviewed and published by .

Question

মুহতারাম মুফতি সাহেব,
আমার বাবার অনেক সম্পত্তি রয়েছে। এর মধ্যে একটি ৪ তলা বিশিষ্ট দামি বাড়ি রয়েছে (যা ১১ শতক জমির ওপর অবস্থিত), যার বর্তমান মোট বাজারমূল্য প্রায় ৪ কোটি টাকা। বাবা তাঁর এই দামি ৪ তলা বাড়িটি ও সম্পত্তিটি আমার ভাইকে তাঁর জীবনদ্দশায় লিখে দিচ্ছেন।
অন্যদিকে, তিনি আমাদের দুই বোনকে অন্য একটি জায়গায় মোট ১৮ শতক জমি লিখে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তবে এখানে একটি পূর্ব ইতিহাস রয়েছে। বাবা অতীতে এই ১৮ শতক জমির মধ্য থেকে আমাকে আগেই ৫ শতক জমি এককভাবে লিখে দিয়েছিলেন। ওই সময়ে তিনি আমার ভাই বা বোনকে কোনো জমি লিখে দেননি। বাবা যখন আমাকে এই ৫ শতক জমি লিখে দিচ্ছিলেন, তখন আমি তাঁকে এভাবে বৈষম্য করতে নিষেধ করেছিলাম। কিন্তু তিনি আমার নিষেধ শোনেননি এবং জোরপূর্বক তা লিখে দেন। পরবর্তীতে আমি বাবার মন রাখার জন্য বা পরিস্থিতির কারণে তাতে সন্তুষ্টি প্রকাশ করি।
বাবার বর্তমান সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ওই ১৮ শতক জমির বাকি অংশ থেকে এখন আমার বোন পাবে ৯ শতক জমি (যার বর্তমান বাজারমূল্য প্রায় ১ কোটি টাকা) এবং পূর্বের ৫ শতকসহ আমি এখন মোট পাব ৯ শতক জমি (অর্থাৎ এখন নতুন করে পাব ৪ শতক, যার মোট মূল্য প্রায় ১ কোটি টাকা)। অর্থাৎ, আমরা দুই বোন মিলে মোট ২ কোটি টাকা মূল্যের সম্পত্তি পাচ্ছি, যেখানে একা ভাই একাই পাচ্ছেন ৪ কোটি টাকা মূল্যের সম্পত্তি। এছাড়া বাবার আরও কিছু সম্পত্তি আছে, যা ওনার মৃত্যুর পর আমরা শরিয়ত অনুযায়ী মিরাস সূত্রে পাব।
সমস্যা হলো, বাবা জীবনদ্দশায় সম্পত্তি হস্তান্তরের ক্ষেত্রে ভাই ও বোনদের মাঝে এই বড় অংকের বৈষম্যমূলক বণ্টনের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করে ফেলেছেন এবং সেভাবেই লিখে দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। আমি জানি যে, জীবনদ্দশায় সন্তানদের সম্পত্তি উপহার (হিবা) হিসেবে দিলে তাতে সমতা ও ইনসাফ বজায় রাখতে হয়, যা এখানে হচ্ছে না এবং আমাদের বোনদের ওপর এক প্রকার অবিচার বা জুলুম করা হচ্ছে।
এই অবস্থায় শরীয়তের আলোকে ওনার কাছে আমার জানার বিষয়গুলো হলো:
১. অতীতে বাবা যখন আমাকে অন্য ভাই-বোনদের না দিয়ে এককভাবে ৫ শতক জমি লিখে দিয়েছিলেন (যদিও আমি নিষেধ করেছিলাম এবং পরে সন্তুষ্ট হয়েছি), তখন সেই উপহার গ্রহণ করা কি আমার জন্য গুনাহ বা পাপের কাজ হয়েছে?
২. এখন জীবনদ্দশায় সন্তানদের মাঝে সম্পত্তি বণ্টনের ক্ষেত্রে ইসলামী শরিয়ত অনুযায়ী পূর্ণ সমতা ও ইনসাফ বজায় রাখতে হলে মোট সম্পত্তি কীভাবে বণ্টন করা উচিত? (ভাই, আমি এবং আমার বোন—কে কতটুকু বা কেমন মূল্যের সম্পত্তি পাওয়া উচিত?)
৩. বাবার এই বণ্টনকে ইনসাফপূর্ণ করতে এবং বোন বা ভাইয়ের ওপর থেকে জুলুম দূর করতে যদি আমার পূর্বের জমির কোনো অংশ বা বর্তমানের কোনো অংশ ছেড়ে দিতে হয়, তবে আমি আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য তা সানন্দে ছেড়ে দিতে রাজি আছি, ইনশাআল্লাহ। শরিয়তের বিধান অনুযায়ী সমতা ফেরাতে আমার এখন করণীয় কী?
দয়া করে কোরআন-হাদিসের আলোকে বিস্তারিত জানিয়ে কৃতার্থ করবেন।

Answer

জীবদ্দশায় সন্তানদের মাঝে সম্পত্তি উপহার (হিবা) প্রদানের ক্ষেত্রে অসমান বণ্টন, অতীত উপহারের হুকুম এবং শরিয়তসম্মত সমতা বিধানের নিয়ম

উত্তর

ইসলামী শরিয়তে সন্তানদের মাঝে হিবায় (জীবদ্দশায় দান) পূর্ণ সমতা ওয়াজিব। ছেলে-মেয়ে সবাইকে সমান দিতে হবে — ছেলেকে দ্বিগুণ নয়, কারণ মিরাসের নিয়ম (ছেলে দ্বিগুণ) হিবায় প্রযোজ্য নয়; হিবায় নাবালেগ-বালেগ, ছেলে-মেয়ে সবাই সমান। রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন: «اتَّقُوا اللَّهَ وَاعْدِلُوا بَيْنَ أَوْلَادِكُمْ» — "আল্লাহকে ভয় করো এবং তোমাদের সন্তানদের মাঝে ইনসাফ করো" (বুখারী ২৫৮৬, মুসলিম ১৬২৩)। অন্য বর্ণনায়: «سَوُّوا بَيْنَ أَوْلَادِكُمْ» — "তোমাদের সন্তানদের মাঝে সমতা রক্ষা করো" (আবু দাউদ ৩৫৪৪, সহীহ)।

তবে আপনার বাবা যা করেছেন,আপনার বাবার এই কাজটি বৈষম্যমূলক বণ্টন হারাম ও জুলুম; তা লেখানো বা কার্যকর করা জায়েয নয়।

আপনার অতীতের ৫ শতক গ্রহণ — যেহেতু আপনি নিষেধ করেছিলেন, জোরপূর্বক হয়েছিল এবং আপনি সন্তুষ্ট হননি বরং পরিস্থিতির চাপে মেনে নিয়েছিলেন — এতে আপনার গুনাহ নেই; গুনাহ বাবার উপর, যিনি বৈষম্য করেছেন।

হিবায় সন্তানদের মাঝে সমতার হুকুম

কুরআন: আল্লাহ তা'আলা বলেন:

«إِنَّ اللَّهَ يَأْمُرُ بِالْعَدْلِ وَالْإِحْسَانِ» — "নিশ্চয়ই আল্লাহ ইনসাফ ও ইহসানের আদেশ দেন" (সূরা নাহল ১৬:৯০)।

হাদীস (প্রধান দলিল): নু'মান ইবনু বশীর (রাযি.) থেকে — তাঁর বাবা তাঁকে একটি গোলাম দান করলে রাসূলুল্লাহ ﷺ জিজ্ঞেস করলেন: "তুমি কি তোমার সব সন্তানকে এটাই দিয়েছ?" তিনি বললেন: না। রাসূল ﷺ বললেন:

«فَاتَّقُوا اللَّهَ وَاعْدِلُوا بَيْنَ أَوْلَادِكُمْ» — "আল্লাহকে ভয় করো এবং তোমাদের সন্তানদের মাঝে ইনসাফ করো।" (বুখারী ২৫৮৬; মুসলিম ১৬২৩)

অন্য বর্ণনায় রাসূল ﷺ বলেছেন:

«سَوُّوا بَيْنَ أَوْلَادِكُمْ» — "তোমাদের সন্তানদের মাঝে সমতা রক্ষা করো।" (আবু দাউদ ৩৫৪৪; সহীহ)

আরেক বর্ণনায়: «اتَّقُوا اللَّهَ وَاعْدِلُوا بَيْنَ أَوْلَادِكُمْ» — এবং তিনি সেই দান প্রত্যাহার করিয়ে নেন (মুসলিম ১৬২৩-এর বর্ণনায় "فَارْدُدْهُ" — "তা ফিরিয়ে নাও")।

ইজমা ও ফকীহদের মত: ইমাম আহমাদ, ইসহাক, সুফিয়ান সাওরী, ইবনুল মুনযির, ইবন তাইমিয়্যাহ, ইবনুল কাইয়্যিম, ইবন বায, ইবন উসাইমীন, আলবানী, ফাওযান (রহ.) — সবাই বলেছেন: সন্তানদের মাঝে হিবায় সমতা ওয়াজিব; বৈষম্য করা হারাম। ইমাম আহমাদ (রহ.) স্পষ্ট বলেছেন: "সন্তানদের মাঝে দানে ইনসাফ করবে" (মুগনী ৬/৫৯)। ইবন তাইমিয়্যাহ (রহ.) বলেন: "সন্তানদের মাঝে দানে সমতা করা ওয়াজিব, বৈষম্য করা জুলুম" (মাজমু' ফাতাওয়া ৩১/২৯৭)। ইবন উসাইমীন (রহ.) বলেন: "সন্তানদের মাঝে হিবায় সমতা ওয়াজিব; ছেলে-মেয়ে সবাই সমান পাবে — এটাই সহীহ মাযহাব" (শারহুল মুমতি' ১১/৮৭; ফাতাওয়া নূরুন আলাদ দারব)।

গুরুত্বপূর্ণ: মিরাসের নিয়ম (ছেলে দ্বিগুণ) হিবায় প্রযোজ্য নয়। হিবা হলো জীবদ্দশায় দান — এতে সবাই সমান। মিরাস চলে মৃত্যুর পর। ইবন উসাইমীন (রহ.) স্পষ্ট বলেন: "হিবায় ছেলেকে মেয়ের দ্বিগুণ দেওয়া জায়েয নয়; সমতা ওয়াজিব" (ফাতাওয়া ইবন উসাইমীন ১৬/১৯৩)।

বৈষম্যমূলক হিবার হুকুম

  • হারাম ও জুলুম: বৈষম্যমূলক হিবা করা হারাম; তা আল্লাহর আদেশের বিরোধী এবং সন্তানদের মাঝে শত্রুতা-হিংসার কারণ। রাসূল ﷺ বলেছেন: «اتَّقُوا اللَّهَ وَاعْدِلُوا بَيْنَ أَوْلَادِكُمْ» — এবং তিনি সেই দান ফিরিয়ে নিতে বলেছেন।

  • বাতিল নয়, কিন্তু গুনাহ: ফকীহদের অধিকাংশের মতে বৈষম্যমূলক হিবা বাতিল হয় না (কারণ হিবা একটি বৈধ চুক্তি), কিন্তু তা গুনাহ ও জুলুম; এবং ওয়াজিব ত্যাগের কারণে গুনাহগার হবে। ইবন তাইমিয়্যাহ (রহ.) বলেন: "বৈষম্যমূলক হিবা নাজায়েয, কিন্তু তা বাতিল হয় না; তবে গুনাহ হয়" (মাজমু' ৩১/২৯৭)। ইবন উসাইমীন (রহ.) বলেন: "বৈষম্যমূলক হিবা সহীহ, কিন্তু গুনাহ; ওয়াজিব হলো সমতা" (শারহুল মুমতি' ১১/৮৭)।

  • তবে মৃত্যুশয্যায় (মারাদুল মাওত) হিবা: মৃত্যুশয্যায় দান মিরাসের হুকুমে চলে — তখন ওয়ারিসদের জন্য বৈষম্য আরও কঠিন; এবং ওয়ারিস ছাড়া অন্যদের এক-তৃতীয়াংশের বেশি ওয়াসিয়্যাত জায়েয নয়। কিন্তু জীবদ্দশায় সুস্থ অবস্থায় হিবা — এতে সমতা ওয়াজিব।

আপনার অতীতের ৫ শতক গ্রহণের হুকুম

আপনি নিষেধ করেছিলেন, বাবা জোরপূর্বক লিখে দেন, আপনি পরিস্থিতির চাপে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন। এ অবস্থায়:

  • আপনার গুনাহ নেই: কারণ আপনি নিষেধ করেছেন এবং বৈষম্যে সন্তুষ্ট নন; বরং বাধ্য হয়ে মেনে নিয়েছেন। আল্লাহ বলেন: «لَا يُكَلِّفُ اللَّهُ نَفْسًا إِلَّا وُسْعَهَا» — "আল্লাহ কারও উপর তার সামর্থ্যের বাইরে বোঝা চাপান না" (বাকারা ২:২৮৬)। আর «فَاتَّقُوا اللَّهَ مَا اسْتَطَعْتُمْ» — "সাধ্যমতো আল্লাহকে ভয় করো" (তাগাবুন ৬৪:১৬)।

  • গুনাহ বাবার উপর: যিনি বৈষম্য করেছেন এবং নিষেধ উপেক্ষা করেছেন। রাসূল ﷺ বলেছেন: «كُلُّكُمْ رَاعٍ وَكُلُّكُمْ مَسْئُولٌ عَنْ رَعِيَّتِهِ» — "তোমরা সবাই দায়িত্বশীল এবং প্রত্যেকে নিজ দায়িত্ব সম্পর্কে জিজ্ঞাসিত হবে" (বুখারী ৮৯৩, মুসলিম ১৮২৯)।

  • তবে সতর্কতা: যদি আপনি জানতেন এটি হারাম এবং তবুও সন্তুষ্ট থেকে গ্রহণ করেন, তবে তাওবা করুন। কিন্তু যেহেতু আপনি নিষেধ করেছেন এবং বাধ্য হয়ে মেনেছেন, ইনশাআল্লাহ গুনাহ নেই। ইবন উসাইমীন (রহ.) বলেন: "যাকে বৈষম্যমূলকভাবে দান করা হয়েছে, তার জন্য তা গ্রহণ করা জায়েয; গুনাহ দাতার উপর" (ফাতাওয়া নূরুন আলাদ দারব)।

  • উত্তম পথ: সমতা ফেরাতে আপনি স্বেচ্ছায় সেই ৫ শতকের কিছু বা সব ছেড়ে দিতে পারেন — এটি ইহসান ও আল্লাহর সন্তুষ্টির কাজ; তবে ওয়াজিব নয়, কারণ গুনাহ আপনার নয়।


প্রশ্ন ১-এর উত্তর: অতীতের ৫ শতক গ্রহণ কি গুনাহ?

না, ইনশাআল্লাহ আপনার গুনাহ হয়নি। কারণ:

  1. আপনি বাবাকে বৈষম্য করতে নিষেধ করেছিলেন — এটি সঠিক কাজ; আপনি দায়িত্ব পালন করেছেন।
  2. বাবা জোরপূর্বক লিখে দেন — আপনি বাধ্য হয়েছেন।
  3. আপনি সন্তুষ্ট নন; বরং পরিস্থিতির চাপে মেনে নিয়েছেন — এতে আপনার কোনো ইচ্ছাকৃত গুনাহ নেই।

তবে করণীয়:

  • আল্লাহর কাছে তাওবা করুন (যদি সন্তুষ্টির কোনো অনুভূতি থাকে)।
  • বাবাকে সমতা ফেরানোর জন্য নরমভাবে উপদেশ দিন — এটি আপনার দায়িত্ব (নসীহা)।
  • চাইলে স্বেচ্ছায় সেই ৫ শতকের কিছু বা সব ছেড়ে দিয়ে সমতা ফেরাতে পারেন — এটি ইহসান; তবে ওয়াজিব নয়।

দলিল: আল্লাহ বলেন: «وَلَا تَكْسِبُ كُلُّ نَفْسٍ إِلَّا عَلَيْهَا» — "প্রত্যেক আত্মা যা অর্জন করে তা তার নিজের উপর" (আনআম ৬:১৬৪)। অর্থাৎ গুনাহ দাতার উপর, গ্রহীতার উপর নয় — যদি গ্রহীতা বাধ্য হয়।


প্রশ্ন ২-এর উত্তর: শরিয়ত অনুযায়ী সম্পত্তি কীভাবে বণ্টন করা উচিত?

মূল নীতি: হিবায় পূর্ণ সমতা

জীবদ্দশায় হিবায় সব সন্তানকে সমান দিতে হবে — ছেলে-মেয়ে, বড়-ছোট, সবাই সমান। মিরাসের নিয়ম (ছেলে দ্বিগুণ) এখানে প্রযোজ্য নয়। ইবন উসাইমীন (রহ.) বলেন: "হিবায় ছেলে-মেয়ে সবাই সমান; এটি ওয়াজিব" (ফাতাওয়া ইবন উসাইমীন ১৬/১৯৩)।


প্রশ্ন ৩-এর উত্তর: সমতা ফেরাতে আপনার করণীয়

আপনি আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য ছাড়তে রাজি — এটি প্রশংসনীয় ইহসান। করণীয়:

বাবাকে নরমভাবে নসীহা দিন

  • হাদীসটি বলুন: «اتَّقُوا اللَّهَ وَاعْدِلُوا بَيْنَ أَوْلَادِكُمْ» (বুখারী ২৫৮৬)।
  • বলুন: হিবায় ছেলে-মেয়ে সমান — মিরাসের নিয়ম এখানে নয় (ইবন উসাইমীন)।
  • বলুন: বৈষম্য সন্তানদের মাঝে শত্রুতা সৃষ্টি করে; রাসূল ﷺ বৈষম্যমূলক দান ফিরিয়ে নিতে বলেছেন (মুসলিম ১৬২৩)।
  • ধৈর্য ও হিকমতের সাথে; রাগ করে নয়। আল্লাহ বলেন: «وَجَادِلْهُم بِالَّتِي هِيَ أَحْسَنُ» — "সর্বোত্তম পন্থায় তাদের সাথে বিতর্ক করো" (নাহল ১৬:১২৫)।

সকলের মাঝে সমানভাবে বন্টনের পরামর্শ দিন। সমান ভাবে না দিলেও প্রয়োজনে ভাইয়ের অর্ধেক যেনো প্রত্যেক বোনকে দেয়া হয়,সেটি বুঝান,জরুরত পড়লে পারিবারিক মুরব্বিদের সহায়তা নিন।


This site is protected by reCAPTCHA and the Google Privacy Policy and Terms of Service apply.