ব্যাংকারের দেয়া সোনার মূল্য পরিমাণ সাদাকা

Zakat and Charity · Hanafi

Question No: 6974
Questioner: Tabassum Afia
Question Asked: 16 Oct 2026, 01:33 PM
Reviewed & Published: 16 Oct 2026, 06:56 PM
Views: 11
Tokens: 3,638
This answer is according to the 'Hanafi' school of thought.
This answer was reviewed and published by .

Question

২০১৭ সালে ব্যাংকার স্বামী সোনা দিয়েছিলেন দেনমোহর বাবদ। পরবর্তীতে তালাক হয় আর সেই সোনার সাথে আরো সোনা মিলিয়ে নতুন গহনা বানানো হয়। এখন ২০২৬ সালে সাদাকা করে দিতে চাইলে সেই ব্যাংকারের দেয়া স্বর্ণের তৎকালীন (২০১৭) মূল্য সাদাকা করতে হবে নাকি বর্তমান মূল্য সাদাকা করতে হবে? যেমন যদি ৮ আনা সোনা হয় সেটা কি ২০১৭ সালে যে মূল্য ছিল সেটা না বর্তমানে ২০২৬ সালে যে বাজার মূল্য সেটা সাদাকা করতে হবে?

Answer

প্রশ্নের বিশ্লেষণ

প্রশ্নে উল্লিখিত বিষয়গুলো নিম্নরূপ:

  1. ২০১৭ সালে ব্যাংকার স্বামী দেনমোহর বাবদ সোনা দিয়েছিলেন।
  2. পরবর্তীতে তালাক হয়ে যায়।
  3. সেই সোনার সাথে আরও সোনা মিলিয়ে নতুন গহনা তৈরি করা হয়।
  4. এখন ২০২৬ সালে সাদাকা করতে চাইলে — ২০১৭ সালের তৎকালীন মূল্য না বর্তমান বাজার মূল্য ধরতে হবে?

জবাবঃ- মোহরানা আদায় করা স্বামীর উপর আবশ্যক,এটি স্ত্রীর হক, যতক্ষন স্বামী মোহরানা আদায় না করবে,ততক্ষন পর্যন্ত এটি তার উপর ঋণের বোঝা হয়ে থাকবে।

সুতরাং প্রশ্নে উল্লেখিত ছুরতে স্ত্রীকে মোহরানা যে টাকা হয়ে দিক না কেনো,এটি স্ত্রীর হক।

স্ত্রীর উপর তাহা সদকাহ করা আবশ্যক নয়। স্ত্রী তাহা ব্যবহার করতে পারবে।

এরপরেও স্ত্রী যদি সদকাহ করতে চাই,তাহলে তাহা নফল বলে গন্য হবে।

একতাবস্থায় সে ২০১৭ সালের তৎকালীন মূল্য দিবে নাকি বর্তমান বাজার মূল্য ধরবে,তাতে কোনো সমস্যা নেই।

এটি যেহেতু নফল দান,তাই তার উপর কোনো বাধ্যবাধকতা নেই।

হাদীস শরীফে এসেছেঃ-

عَنْ عَمْرِو بْنِ الشَّرِيدِ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «لَيُّ الْوَاجِدِ يُحِلُّ عِرْضَهُ وَعُقُوبَتَهُ» قَالَ عَلِيٌّ الطَّنَافِسِيُّ: «يَعْنِي عِرْضَهُ شِكَايَتَهُ، وَعُقُوبَتَهُ سِجْنَهُ»

আমর ইবনুশ শারীদ (রাঃ) থেকে তার পিতার সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে স্বচ্ছল ব্যক্তি কোন দেনা পরিশোধ করতে গড়িমসি করে, তাকে অপমান করা ও শাস্তি দেয়া উভয়ই আমার জন্য হালাল। আল আত-তানাফিসী (রাঃ) বলেন, অপমান করা অর্থ তার বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা এবং শাস্তি দেয়ার অর্থ তাকে জেলখানায় কয়েদ করা। [সুনানে ইবনে মাজাহ, হাদীস নং-২৪২৭, সুনানে আবূ দাউদ, হাদীস নং-৩৬২৮]


This site is protected by reCAPTCHA and the Google Privacy Policy and Terms of Service apply.