হায়েজ নাকি ইস্তেহাজা?
Taharah Purity · Hanafi
Question
Answer
হায়েজ নাকি ইস্তেহাজা? — বিস্তারিত ফিকহি বিশ্লেষণ
প্রশ্নের সারসংক্ষেপ
প্রশ্নকারীর বর্ণনা অনুযায়ী রক্তস্রাবের সময়রেখা:
| তারিখ | অবস্থা | |---|---| | ১৩–১৮ আগস্ট | অল্প লাল স্রাব, ব্লিডিং হয়নি (হায়েজের তারিখ ছিল) | | আগস্টের শেষ → ২ সেপ্টেম্বর | প্রচুর পেট ব্যথাসহ ব্লিডিং (হায়েজের মতো) | | ৫–১১ অক্টোবর | খুবই অল্প লাল স্রাব, ব্লিডিং হয়নি | | ৮ অক্টোবর থেকে | অল্প লাল স্রাব ~২ দিন | | ১০ অক্টোবর থেকে | প্রচুর পেট ব্যথা ও ব্লিডিং শুরু, এখন বাড়ছে |
জবাবঃ-
প্রশ্নের বিবরন মতে ৫ অক্টোবর থেকে হায়েজ ধরবেন।
যদি তাহা ১০ দিন অতিক্রম করে, সেক্ষেত্রে পূর্বের মাস গুলোর অভ্যাস অনুপাতে হায়েজ ধরবেন,বাকি দিন গুলি ইস্তিহাজা হিসেবে ধরে নামাজ চালিয়ে যাবেনা।
অন্যথায় যে কয়দিন ব্লাড আসবে,সবকটি দিন হায়েজ ধরবেন।
হায়েজ (حيض): প্রাপ্তবয়স্কা সুস্থ নারীর জরায়ু থেকে নির্দিষ্ট সময়ে নির্গত স্বাভাবিক রক্তস্রাব। এর সর্বনিম্ন সময় **৩ দিন ৩ রাত ** এবং সর্বোচ্চ **১০ দিন ১০ রাত **। দুই হায়েজের মাঝে সর্বনিম্ন পবিত্রতার সময় ১৫ দিন।
ইস্তেহাজা (استحاضة): হায়েজের সময়সীমার বাইরে বা অসুস্থতাজনিত কারণে হওয়া রক্তস্রাব। এটি হায়েজ নয়; এমতাবস্থায় নামাজ-রোজা বন্ধ হয় না, বরং ওজু করে ইবাদত করা যায়।
রাসূলুল্লাহ ﷺ ফাতিমা বিনতে আবু হুবাইশ (রাযি.)-কে বলেছিলেন: "إِنَّ دَمَ الْحَيْضِ دَمٌ أَسْوَدُ يُعْرَفُ، فَإِذَا كَانَ ذَلِكَ فَأَمْسِكِي عَنِ الصَّلَاةِ، وَإِذَا كَانَ الْآخَرُ فَتَوَضَّئِي وَصَلِّي" "হায়েজের রক্ত কালো ও চেনা যায়। যখন তা হয়, নামাজ থেকে বিরত থাকো; আর যখন অন্য রকম হয়, ওজু করে নামাজ পড়ো।" — সুনানে আবু দাউদ, হাদিস ২৮৬; সুনানে নাসাঈ, হাদিস ৩৫৫ (হাসান)