"মোরগের ক্ষতিপূরণ, অ্যালকোহলযুক্ত লোশন, ওসিলায় দোয়া, ব্যবসার যাকাত, নামাজে মা-বাবার ডাক, আত্মীয়তার সম্পর্কে জানতে চাই?

Miscellaneous Fiqh · Hanafi

Question No: 6262
Questioner: Jakia Mim
Question Asked: 02 Oct 2026, 08:21 PM
Reviewed & Published: 02 Oct 2026, 10:22 PM
Views: 13
Tokens: 10,473
This answer is according to the 'Hanafi' school of thought.
This answer was reviewed and published by .

Question

السلام عليكم و رحمة ال
আমার কয়েকটি প্রশ্নের উত্তর জানার ছিল:
১/বেশ ছোটকালের ঘটনা,একজায়গায় বেড়াতে গিয়ে দেখতে পেলাম ২টা মোরগ-মুরগি ঝগড়া করছে।একটার উপর মায়া আরেকটার উপর রাগ অনুভূতিনুযায়ী একটা কাচের ওষুধের বোতল ছুড়ে মারি।এতে যেটার উপর রাগ হচ্ছিল ওইটা সম্ভবত ঘাড় ভেঙে গেছিল।ওইটার মালিক অনেক বকাঝকা করছিল।আমি তখন ব্যাপারটা বুঝিনি,আমার ভুল হয়েছে।ওইটার মালিক এখনো জীবিত আছেন।আমি কিভাবে এর ক্ষতিপূরণ দিব?টাকা দিব নাকি মুরগী? টাকা দিলেও কত পরিমাণ হিসাব করে দিব?
২/একটা লোশন কেনা হয়েছে,এতে অল্প পরিমান এলকোহল আছে,এটা কি শরিরে ব্যবহার করা যাবে?
৩/মাঝেমধ্যে বলে থাকি যে, আল্লাহ যদি এই ওষুধের ওসিলায় অসুখ দুর করে দেন/আল্লাহ এর ওসিলায় আমার শরিরে রোগ প্রতিরোধ বাড়িয়ে দিবেন/আল্লাহ অমুক ডাক্তারের ওসিলায় অসুখ ভালো করে দিবেন(আশা করি)।এইভাবে বললে কি শির্ক হয়ে যাবে?
৪/ব্যবসার ক্ষেত্রে যাকাত কিভাবে হিসাব করতে হয়?
৫/দুয়াতে যদি এমন বলি-আল্লাহ আপনি তো রসুল সল্লাল্লহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন তার উম্মাতের ব্যাপারে তাকে খুশি করে দিবেন,তিনি আমাদের ভাইও ডেকেছেন।আমিতো তাহারই(সল্লাল্লহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)উম্মাত ও ভাই।তাকে(সল্লাল্লহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) খুশি করার জন্য আমাকে ক্ষমা করে দিন।এই ওসিলায় কি শির্ক হবে?
৬/আমাদের সমাজে প্রচলিত বিছানার দুয়া ইন্নিওয়াযজাতু ওয়াজহিয়া লিল্লাহি ফাতারুছ ছামাওয়াতি...... এইটা কি রসুল সল্লাল্লহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিয়ত বাধার পর সানা হিসেবে পড়তেন?
৭/ফরজ/সুন্নতে মুয়াক্কাদা পড়ার সময় মা/বাবা ডাকলে কি ডাকে সারা দিতে হবে নাকি নামায শেষ করতে হবে আগে?ফরজ/সুন্নত নামায তাশাহুদ পড়েই সালাম ফিরানো যাবে যদি ওজর থাকে?
৮/আমার বাবার সাথে তার ছোট ভাই-বোন খুব বাজে ব্যবহার করছে,দাদুও করেছেন।অনেক মিথ্যা কথা বলেছেন।আগে উনাদের সাথে আমাকে কথা বলতে বারন করতেন না।উনারা বেশি কষ্ট দেয়ার ফলে এখন আমার বাবা উনাদের কল রিসিভ বা আমাকে কথা বলতে বারন করছেন। উনারা কল করলে আমি কথা বলছি জানলে আমার বাবা কষ্ট পাবেন ওইদিকে উনারা আমার আত্নীয় হন।আমার কি করা উচিত?

Answer

বিসমিল্লাহির রহমানির রহীম

১. ছোটবেলায় মোরগ ছুড়ে মেরে আঘাত করা ও ক্ষতিপূরণের বিধান:

  • শরয়ী সিদ্ধান্ত:
    ছোটবেলায় (নাবালেগ অবস্থায়) বা না বুঝে অন্যের মোরগ বা ধন-সম্পদ বিনষ্ট করলে তার ক্ষতিপূরণ (যমানাত) দেওয়া শরীআতের দৃষ্টিতে ওয়াজিব [ফাতাওয়া মাহমুদিয়া (২৪শ খণ্ড), পৃষ্ঠা: ৯৬, ১৭৪; ফাতাওয়ায়ে আলমগীরী (৪র্থ খণ্ড), পৃষ্ঠা: ৮০,।
  • ক্ষতিপূরণ পরিশোধের নিয়ম:
    মোরগ-মুরগী হলো মূল্যের দিক থেকে নির্ধারণযোগ্য সম্পদ (ছামান)। তাই ক্ষতিপূরণ দেওয়ার দুটি নিয়ম রয়েছে: ১. ওই ঘটনার সময়কার মোরগের আনুমানিক বাজারমূল্য (অথবা বর্তমানে মালিকের সাথে কথা বলে নির্ধারণ করা সমপরিমাণ টাকা) মালিককে পরিশোধ করা জায়েয [ফাতাওয়া মাহমুদিয়া (২৪শ খণ্ড), পৃষ্ঠা: ৯৬]।
    ২. মালিক যদি রাজী থাকেন, তবে টাকা না দিয়ে সমমানের একটি মোরগ কিনে দেওয়াও সম্পূর্ণ জায়েয [ফাতাওয়া মাহমুদিয়া (১৮শ খণ্ড), পৃষ্ঠা: ১৭৪]।
    যদি তৎকালীন মূল্য সুনির্দিষ্টভাবে জানা না থাকে, তবে একটি সর্বোচ্চ সম্ভাব্য মূল্য হিসেব করে মালিককে দিয়ে দেবেন এবং বলবেন— "ছোটবেলায় আপনার একটি ক্ষতি আমার দ্বারা হয়েছিল, তার ক্ষতিপূরণ হিসেবে এটি গ্রহণ করে আমাকে ক্ষমা করে দিন।" [ফাতাওয়া মাহমুদিয়া (২৪শ খণ্ড), পৃষ্ঠা: ৯৬; ফাতাওয়া মাহমুদিয়া (১৯শ খণ্ড), পৃষ্ঠা: ৫৮]।

২. অ্যালকোহলযুক্ত লোশন শরীরে ব্যবহার করার বিধান:

  • শরয়ী সিদ্ধান্ত:
    বর্তমানে প্রসাধনী, ক্রিম, স্প্রে বা লোশনে ব্যবহৃত অ্যালকোহল সাধারণত খেজুর বা আঙুর থেকে তৈরি মদ নয়; বরং পেট্রোলিয়াম, শস্য বা কেমিক্যাল উপাদান থেকে প্রস্তুতকৃত (ইথাইল/সিন্থেটিক অ্যালকোহল)। ইমাম আবু হানীফা (রহ.) ও ইমাম আবু ইউসুফ (রহ.)-এর ফিকহী মূলনীতি এবং 'উমূমে বালওয়া' (ব্যাপকতা)-এর ভিত্তিতে এজাতীয় অ্যালকোহল মিশ্রিত লোশন বা পারফিউম শরীরে ব্যবহার করা সম্পূর্ণ জায়েয ও পবিত্র [দরসুল ফিকহ (১ম খণ্ড), পৃষ্ঠা: ৩৭৭; ফাতাওয়া মাহমুদিয়া (১৮শ খণ্ড), পৃষ্ঠা: ১৯২, ১৯৩]।
    অতএব, ওই লোশন মেখে নামায পড়লেও নামায শতভাগ সহীহ হয়ে যাবে [ফাতাওয়া মাহমুদিয়া (১৮শ খণ্ড), পৃষ্ঠা: ১৯২]।

৩. "আল্লাহ এই ওষুধের/ডাক্তারের ওসিলায় আরোগ্য দেবেন" বলার বিধান:

  • শরয়ী সিদ্ধান্ত:
    এভাবে বলা বিন্দুমাত্র শিরক নয় এবং এটি সম্পূর্ণ জায়েয [ফাতাওয়া মাহমুদিয়া (১ম খণ্ড), পৃষ্ঠা: ১৮৬; ফাতাওয়া মাহমুদিয়া (২০শ খণ্ড), পৃষ্ঠা: ৫২, ৮৬] ।
    কারণ, এখানে প্রকৃত আরোগ্য দানকারী ও শিফা প্রদানকারী হিসেবে একমাত্র আল্লাহ তা'আলাকেই বিশ্বাস করা হচ্ছে ("আল্লাহ দূর করে দেবেন")। আর ডাক্তার বা ওষুধকে কেবল বাহ্যিক উসিলা বা মাধ্যম (সাবাব) হিসেবে উল্লেখ করা হচ্ছে, যা শরীআতে সম্পূর্ণরূপে অনুমোদিত [ফাতাওয়া মাহমুদিয়া (১ম খণ্ড), পৃষ্ঠা: ১৮৬; ফাতাওয়া মাহমুদিয়া (২০শ খণ্ড), পৃষ্ঠা: ৫২]।

৪. ব্যবসার ক্ষেত্রে যাকাত হিসাব করার নিয়ম:

  • শরয়ী সিদ্ধান্ত:
    যাকাতের বর্ষ পূর্তির দিনে (হাওলানে হাওল) ব্যবসায়ের যাকাত হিসাব করার নিয়ম নিম্নরূপ [দরসুল ফিকহ (১ম খণ্ড), পৃষ্ঠা: ১৫৯, ১৬১; ফাতাওয়া মাহমুদিয়া (১৬শ খণ্ড), পৃষ্ঠা: ১৯০]:
    ১. পণ্যমূল্য: ব্যবসার সমস্ত বিক্রয়যোগ্য মালামালের বর্তমান বাজারমূল্য হিসাব করবেন (খুচরা ব্যবসায়ী হলে খুচরা মূল্যে, পাইকারী হলে পাইকারী মূল্যে) [দরসুল ফিকহ (১ম খণ্ড), পৃষ্ঠা: ১৬১]।
    ২. নগদ ও পাওনা: এর সাথে ব্যবসার নগদ টাকা, ব্যাংকে জমা এবং যে পাওনা টাকা পাওয়ার আশা আছে তা যোগ করবেন [দরসুল ফিকহ (১ম খণ্ড), পৃষ্ঠা: ১৫৯]।
    ৩. দেনা বাদ দেওয়া: মোট হিসেব থেকে ব্যবসার তাৎক্ষণিক দেনা বা ঋণ থাকলে তা বিয়োগ করবেন [দরসুল ফিকহ (১ম খণ্ড), পৃষ্ঠা: ১৬০]।
    ৪. যাকাতের পরিমাণ: অবশিষ্ট নিট সম্পদ যদি নেসাব পরিমাণ (কমপক্ষে ৫২.৫ তোলা রূপার বাজারমূল্যের সমপরিমাণ) হয়, তবে তার ২.৫% (আড়াই শতাংশ বা ৪০ ভাগের ১ ভাগ) যাকাত হিসেবে প্রদান করতে হবে [দরসুল ফিকহ (১ম খণ্ড), পৃষ্ঠা: ১৫৯]।

৫. দোয়ায় রাসূল (সা.)-এর উম্মতের সুসংবাদ ও উসিলা দিয়ে ক্ষমা চাওয়ার বিধান:

  • শরয়ী সিদ্ধান্ত:
    দোয়ায় এভাবে বলা বিন্দুমাত্র শিরক নয়; বরং আল্লাহর দয়া এবং রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর মাকাম ও ভালোবাসার দোহাই দিয়ে আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করা সম্পূর্ণ জায়েয ও দোয়ার একটি উত্তম পদ্ধতি [ফাতাওয়া মাহমুদিয়া (১ম খণ্ড), পৃষ্ঠা: ১৮৬; ফাতাওয়া মাহমুদিয়া (৩য় খণ্ড), পৃষ্ঠা: ১৩০; নূরুল ঈযাহ, পৃষ্ঠা: ৬০]।
    যেহেতু ক্ষমার প্রার্থনা একমাত্র আল্লাহর কাছেই করা হচ্ছে, তাই এতে শিরকের কোনো সুযোগ নেই।

৬. "ইন্নি ওয়াজ্জাহতু ওয়াজহিয়া..." দোয়াটি নামাযে সানা হিসেবে পড়া সংক্রান্ত:

  • শরয়ী সিদ্ধান্ত:
    রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে তাহরীমার (নিয়ত বাঁধার) পর নামাযের শুরুতে 'সানা' হিসেবে বিভিন্ন দোয়া বর্ণিত আছে।
    ১. ফিকহে হানাফী অনুযায়ী ফরয ও সুন্নাত নামাযের শুরুতে সানা হিসেবে "সুবহানাকাল্লাহুম্মা ওয়াবিহামদিকা..." পড়াই সর্বাধিক মাসনুন ও উত্তম [নূরুল ঈযাহ, পৃষ্ঠা: ৭০]।
    ২. "ইন্নি ওয়াজ্জাহতু ওয়াজহিয়া..." দোয়াটি নামাযের নিয়তের পূর্বে মনে মনে পড়া অথবা নফল/তাহাজ্জুদ নামাযে সানা হিসেবে পড়া জায়েয রয়েছে **[নূরুল ঈযাহ, পৃষ্ঠা: ৭০; ফাতাওয়া মাহমুদিয়া (৭ম খণ্ড), পৃষ্ঠা: ৯০] **

৭. নামাযের সময় পিতা-মাতা ডাকলে করণীয় এবং ওজরে সংক্ষেপে সালাম ফিরানো:

  • ক) পিতামাতার ডাকে সাড়া দেওয়া:
    • ফরয নামাযে: ফরয নামাযরত অবস্থায় পিতা-মাতা ডাকলে সাধারণ অবস্থায় নামায ভাঙা যাবে না। তবে যদি পিতা-মাতা কোনো বিপদে পড়েন বা সাহায্যের প্রয়োজন হয় (যেমন: পড়ে যাওয়া, আগুন লাগা, দুর্ঘটনা ইত্যাদি), তবে ফরয নামায ভেঙে তৎক্ষণাৎ তাদের সাহায্য করা ওয়াজিব [নূরুল ঈযাহ, পৃষ্ঠা: ৬২; ফাতাওয়া মাহমুদিয়া (৬ষ্ঠ খণ্ড), পৃষ্ঠা: ১০৭]।
    • সুন্নাত/নফল নামাযে: পিতা-মাতা যদি সন্তান নামাযে আছে জেনে ডাকেন, তবে নামায শেষ করে সাড়া দেবে। আর যদি তারা সন্তান নামাযে থাকার বিষয়টি না জেনে সাধারণ প্রয়োজনে ডাকেন, তবে নফল/সুন্নাত নামায ভেঙে তাদের ডাকে সাড়া দেওয়া উত্তম [নূরুল ঈযাহ, পৃষ্ঠা: ৬২; ফাতাওয়া মাহমুদিয়া (৬ষ্ঠ খণ্ড), পৃষ্ঠা: ১০৭]।
  • খ) ওজরের কারণে তাশাহহুদ পড়ে সালাম ফিরানো:
    চার রাকাআত বিশিষ্ট ফরয বা সুন্নতে মুয়াক্কাদা নামাযের দ্বিতীয় রাকাআতে তাশাহহুদ পড়ে সালাম ফিরিয়ে দিলেই নামায সম্পন্ন হয় না, বরং নামায অপূর্ণ থাকে। অতি জরুরী ওজর হলে নামায ছেড়ে দেওয়া যাবে, তবে পরে উক্ত নামায ক্বাযা করে নিতে হবে [নূরুল ঈযাহ, পৃষ্ঠা: ৭৭–৭৮; ফাতাওয়া মাহমুদিয়া (৭ম খণ্ড), পৃষ্ঠা: ৯০]।

৮. বাবার সাথে আত্মীয়দের বিবাদ ও বাবার নিষেধের ক্ষেত্রে করণীয়:

  • শরয়ী সিদ্ধান্ত:
    ইসলামে পিতা-মাতার সেবা ও আনুগত্য করা যেমন ফরয, তেমনি রক্তসম্পর্কিত আত্মীয়দের (চাচা, ফুফু, দাদা ইত্যাদি) সাথে সিলাতুর রাহেম (আত্মীয়তার সম্পর্ক) বজায় রাখাও ফরয [ফাতাওয়া মাহমুদিয়া (১৯শ খণ্ড), পৃষ্ঠা: ৩৩।
  • ফিকহী মূলনীতি ও সমাধান:
    ১. শরীআতের নিয়ম হলো—গোনাহ বা অন্যায়ের কাজে কারো আনুগত্য বৈধ নয় ('লা ত্বা'আতা লি মাখলূক্বিন ফী মা'ছিয়াতিল খালিক্ব') [ফাতাওয়া মাহমুদিয়া (১৯শ খণ্ড), পৃষ্ঠা: ৩৫, ৭৫]। তাই পিতা যদি কোনো শরয়ী কারণ ছাড়া আত্মীয়দের সাথে সম্পর্ক সম্পূর্ণ ছিন্ন করতে বলেন, তবে বাবার ভয়ে আত্মীয়তার সম্পর্ক চিরতরে কেটে দেওয়া জায়েয নয়।
    ২. বাস্তবসম্মত করণীয়: বাবাকে কোনোভাবে কষ্ট দেওয়া যাবে না এবং তার সামনে বেআদবি করা যাবে না। বাবার মান-সম্মান রক্ষা করে চলবেন। অন্যদিকে চাচা-ফুফুদের সাথে প্রত্যক্ষ বিবাদে না জড়িয়ে গোপনীয়তা ও বুদ্ধিমত্তার সাথে (যাতে বাবা না জানেন বা কষ্ট না পান) মাঝে মাঝে ফোনে সালাম দেওয়া, কুশল নেওয়া বা খবরাখবর বজায় রাখবেন। এতে সিলাতুর রাহেমের ফরযও আদায় হবে এবং বাবার মন রক্ষা করাও সম্ভব হবে [ফাতাওয়া মাহমুদিয়া (১৯শ খণ্ড), পৃষ্ঠা: ৩৭, ৫৮; ফাতাওয়া মাহমুদিয়া (২৪শ খণ্ড), পৃষ্ঠা: ১৭৪]।

আল্লাহ ভালো জানেন।


This site is protected by reCAPTCHA and the Google Privacy Policy and Terms of Service apply.