প্রিন্টিং প্রেসে হালাল উপার্জন নিয়ে প্রশ্ন?
Halal and Haram · Hanafi
Question
আমার পিতার উপার্জন হালাল নয়। এছাড়াও অবৈধভাবে এক কোটি টাকার উপরে ঋণ রয়েছে। পাশাপাশি পারিবারিক নানা সমস্যা লেগেই থাকে। এর প্রভাবে আমার দ্বীন মানা এবং দ্বীন উপর চলা কঠিন হয়ে পড়ছে দিন দিন। পাশাপাশি পরিবারের মধ্যে অশান্তি থাকায় নিজের আচার-আচরণ অনেক অনেক ক্ষতি হচ্ছে। আখলাক ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। অনেক বছর ধরে এত কিছু সহ্য করে আসছি। এখন আর সম্ভব না। এভাবে চলতে থাকলে আমি মানসিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়বো। আমি হালাল উপার্জন করে আলাদা বাসা নিয়ে থাকতে চাই। এছাড়াও আমি অনেক বিপদের মধ্যে আছি। এমতাবস্থায় আমার জন্য হালাল উপার্জন অনেক বেশি জরুরী। ঘরে শান্তি না থাকলে কোথাও শান্তি পাওয়া যায় না।
আমি একজন স্টুডেন্ট ও গ্রাফিক্স ডিজাইনার। আমি চাইলে ফ্রিল্যান্সিং করে হালাল অর্থ উপার্জন করতে পারি। কিন্তু এখন আমার কম্পিউটার নষ্ট হয়ে গিয়েছে। কম্পিউটার কেনার টাকা না থাকায় এখন আমার এই দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে আমি কোথায় কি কাজ করতে পারি? আমি চাচ্ছি প্রিন্টিং প্রেস এ কাজ করতে! কঠিন পরিস্থিতির মধ্যে আছি আমি!
এক্ষেত্রে আমার প্রশ্ন হলো -
১. প্রিন্টিং প্রেস এ আমার প্রেক্ষাপটে কি কাজ করা জায়েজ হবে? আর জায়েজ হলে কোন কোন কাজগুলো করবো আর কোন কোন কাজ থেকে বিরত থাকবো?
২. কখনো যদি এমন পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে হয় যেখানে মানুষের ছবি বা কোন প্রাণীর ছবি যুক্ত করা জরুরি, সে ক্ষেত্রে আমার করনীয় কি হবে? সেই কাজের অংশটুকু দ্বারা উপার্জিত অর্থ আমি কি করব?
৩. আল্লাহর কাছে কিভাবে পরিপূর্ণরূপে দোয়া করব? আমি দোয়ার শুরুতে আলহামদুলিল্লাহি রাব্বিল আলামিন, দুরুদ শরীফ, ইসমে আজম, আল্লাহর গুণবাচক নাম, অতঃপর বাংলায় মনে যত কিছু আছে সেসব দোয়া, সবশেষে দোয়া শেষ করে এভাবে দোয়া করি! এটা কি সহীহ পদ্ধতি বা এই পদ্ধতিতে দোয়া করলে দোয়া কবুল হবে?
দয়া করে একটু জানাবেন আমার প্রেক্ষাপটে কী করা দরকার! অনেক ধৈর্য ধরেছি! সবকিছুর একটা সীমা থাকে! কুরআন ও সুন্নাহর আলোকে ব্যাখ্যা চাই!
Answer
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম
আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু।
প্রিয় প্রশ্নকারী ভাই, আপনার দীর্ঘ ও গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নটির জন্য ধন্যবাদ। আপনার কঠিন পরিস্থিতি সম্পর্কে আমরা অবগত হলাম। আল্লাহ তায়ালা আপনার ধৈর্যের উত্তম প্রতিদান দিন এবং আপনার সকল সমস্যার সমাধান করুন। আমিন।
আপনার প্রশ্নটি তিনটি অংশে বিভক্ত। আমি ক্রমান্বয়ে প্রতিটি প্রশ্নের উত্তর দিচ্ছি:
১. প্রিন্টিং প্রেসে কাজ করা জায়েজ হবে কি?
উত্তর: প্রিন্টিং প্রেসে কাজ করা মূলত জায়েজ। তবে কোন ধরনের কাজ করছেন তার উপর নির্ভর করে হালাল-হারাম নির্ধারিত হবে। প্রিন্টিং প্রেসে এমন অনেক কাজ আছে যা সম্পূর্ণ বৈধ, যেমন:
- বই, ম্যাগাজিন, জার্নাল, শিক্ষা উপকরণ ছাপানো
- ইসলামী বই, কুরআন, হাদীসের বই ছাপানো
- অফিসের ফরম, লেটারহেড, ভিজিটিং কার্ড, লিফলেট ছাপানো
- প্যাকেজিং সামগ্রী, লেবেল, স্টিকার ছাপানো
- ডিজাইন, কম্পোজিং, প্রুফ রিডিং, বাইন্ডিং ইত্যাদি
যেসব কাজ থেকে বিরত থাকতে হবে:
- অশ্লীল বা আপত্তিকর ছবি, পর্নোগ্রাফিক সামগ্রী ছাপানো
- মূর্তি বা ভাস্কর্যের ছবি ছাপানো
- ধর্মীয়ভাবে নিষিদ্ধ বিষয়বস্তু ছাপানো
- মিথ্যা প্রচারণা বা প্রতারণামূলক বিজ্ঞাপন ছাপানো
- হারাম পণ্যের বিজ্ঞাপন বা প্রচারণা
হানাফী ফিকহের আলোকে:
ইমাম আবু হানীফা (রহঃ) সহ সকল ইমামের মতে, এমন কাজ করা জায়েজ যা দ্বারা সমাজের উপকার হয় এবং শরীয়তের কোনো বিধান লঙ্ঘন করে না। প্রিন্টিং প্রেস একটি বৈধ পেশা, তবে কাজের প্রকৃতি দেখে নিতে হবে।
قال الله تعالى: ﴿وَتَعَاوَنُوا عَلَى الْبِرِّ وَالتَّقْوَىٰ وَلَا تَعَاوَنُوا عَلَى الْإِثْمِ وَالْعُدْوَانِ﴾ [المائدة: 2]
"তোমরা সৎকর্ম ও তাকওয়ায় পরস্পরকে সাহায্য করো, এবং পাপ ও সীমালঙ্ঘনে পরস্পরকে সাহায্য করো না।" (সূরা আল-মায়িদা: ২)
২. মানুষের ছবি বা প্রাণীর ছবি যুক্ত করা জরুরি হলে করণীয়
উত্তর: ইসলামী শরীয়তে প্রাণীর ছবি তৈরি করা বা ছাপানো নিষিদ্ধ। রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন:
عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا قَالَ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ: «كُلُّ مُصَوِّرٍ فِي النَّارِ، يَجْعَلُ لَهُ بِكُلِّ صُورَةٍ صَوَّرَهَا نَفْسًا فَيُعَذَّبُ بِهَا فِي جَهَنَّمَ»
"প্রত্যেক ছবি নির্মাতা জাহান্নামে যাবে। সে যে প্রতিটি ছবি তৈরি করবে, তার বদলে তাকে একটি প্রাণ দেওয়া হবে এবং জাহান্নামে তাকে দিয়ে শাস্তি দেওয়া হবে।" (সহীহ বুখারী: ২১০৫, সহীহ মুসলিম: ২১১০)
তবে কিছু ব্যতিক্রম আছে:
- যে ছবি সম্মানজনক উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত হয় (যেমন: পাসপোর্ট, আইডি কার্ড, ড্রাইভিং লাইসেন্স ইত্যাদি) সেগুলো জায়েজ। কারণ এগুলো প্রাণীর ছবি হিসেবে নয়, বরং পরিচয়পত্র হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- যে ছবি অপমানজনক বা তুচ্ছ করা হয় (যেমন: খেলনার ছবি, মেঝেতে পেতে রাখা ছবি) সেগুলো সম্পর্কে ইমামদের মতভেদ আছে।
আপনার করণীয়:
যদি প্রিন্টিং প্রেসে এমন কাজ আসে যেখানে মানুষের ছবি বা প্রাণীর ছবি ছাপানো জরুরি, তাহলে:
- সম্ভব হলে সেই কাজটি এড়িয়ে চলুন
- যদি কাজটি পরিচয়পত্র, পাসপোর্ট, ভিসা ইত্যাদির জন্য হয় (যেমন: সরকারি কাজ), তাহলে সেটা জায়েজ
- যদি কাজটি শুধুমাত্র সৌন্দর্য বা প্রদর্শনের জন্য হয়, তাহলে সেটা এড়িয়ে চলুন
- যদি কাজটি অশ্লীল বা আপত্তিকর হয়, তাহলে সেটা কখনোই করবেন না
উপার্জিত অর্থ সম্পর্কে:
যদি কোনো কাজে ছবি ছাপানো জড়িত থাকে এবং আপনি সেই কাজটি করেছেন, তাহলে সেই নির্দিষ্ট কাজের পারিশ্রমিক গ্রহণ করা মাকরূহ হবে। তবে যদি কাজটি পরিচয়পত্র বা সরকারি প্রয়োজনে হয়, তাহলে তা জায়েজ।
قال العلامة ابن عابدين الشامي في "رد المحتار": وَأَمَّا تَصْوِيرُ مَا لَا رُوحَ فِيهِ فَجَائِزٌ اتِّفَاقًا، وَتَصْوِيرُ مَا فِيهِ رُوحٌ فَحَرَامٌ عَلَى الْمُخْتَارِ
"যে বস্তুতে প্রাণ নেই তার ছবি তৈরি করা সর্বসম্মতভাবে জায়েজ। আর যে বস্তুতে প্রাণ আছে তার ছবি তৈরি করা নিষিদ্ধ (মুখতার মতানুসারে)।" (রদ্দুল মুহতার: ৬/৩৮৫)
৩. দোয়া করার সঠিক পদ্ধতি
উত্তর: আপনার দোয়া করার পদ্ধতি মূলত সঠিক। রাসূলুল্লাহ (সাঃ) এর শিক্ষা অনুযায়ী দোয়ার আদব হলো:
- দোয়ার শুরুতে আল্লাহর প্রশংসা করা (আলহামদুলিল্লাহ)
- রাসূলুল্লাহ (সাঃ) এর উপর দরুদ পাঠ করা
- অতঃপর নিজের প্রয়োজনীয় দোয়া করা
- দোয়ার শেষে আবার দরুদ ও প্রশংসা দিয়ে শেষ করা
হাদীসে এসেছে:
عَنْ فَضَالَةَ بْنِ عُبَيْدٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ قَالَ: بَيْنَا رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَاعِدٌ إِذْ دَخَلَ رَجُلٌ فَصَلَّى فَقَالَ: اللَّهُمَّ اغْفِرْ لِي وَارْحَمْنِي فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «عَجِلْتَ أَيُّهَا الْمُصَلِّي، إِذَا صَلَّيْتَ فَقَعَدْتَ فَاحْمَدِ اللَّهَ بِمَا هُوَ أَهْلُهُ، وَصَلِّ عَلَيَّ، ثُمَّ ادْعُهُ» قَالَ: ثُمَّ صَلَّى رَجُلٌ آخَرُ بَعْدَ ذَلِكَ فَحَمِدَ اللَّهَ وَصَلَّى عَلَى النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ لَهُ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «ادْعُ تُجَبْ»
"ফাযালা ইবনে উবাইদ (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: একদা রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বসা ছিলেন, এমন সময় এক ব্যক্তি প্রবেশ করে নামায পড়ল এবং দোয়ায় বলল: 'আল্লাহুম্মাগফিরলী ওয়ারহামনী' (হে আল্লাহ! আমাকে ক্ষমা করুন এবং আমার উপর রহম করুন)। তখন রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বললেন: 'হে নামাযী! তুমি তাড়াহুড়া করলে। তুমি যখন নামায পড়ে বসো, তখন প্রথমে আল্লাহর প্রশংসা করো যেমনটা তার যোগ্য, অতঃপর আমার উপর দরুদ পাঠ করো, তারপর দোয়া করো।' এরপর আরেক ব্যক্তি নামায পড়ল এবং আল্লাহর প্রশংসা করল ও নবী (সাঃ) এর উপর দরুদ পাঠ করল। তখন নবী (সাঃ) তাকে বললেন: 'দোয়া করো, কবুল হবে।'" (তিরমিযী: ৩৪৭৬, আবু দাউদ: ১৪৮১)
আপনার পদ্ধতি সম্পর্কে:
আপনি যে পদ্ধতিতে দোয়া করেন (আলহামদুলিল্লাহ, দরুদ, ইসমে আজম, আল্লাহর গুণবাচক নাম, অতঃপর বাংলায় দোয়া, সবশেষে দোয়া শেষ করা) - এটি একটি ভালো পদ্ধতি। তবে কিছু বিষয় খেয়াল রাখবেন:
- ইসমে আজম নিয়ে বিশেষ কোনো বাধ্যবাধকতা নেই। ইসমে আজম দিয়ে দোয়া করা ভালো, তবে এটি ফরজ নয়।
- বাংলায় দোয়া করা জায়েজ। আল্লাহ সব ভাষা বোঝেন। তবে আরবিতে দোয়া করা উত্তম, কারণ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) এর শিক্ষিত দোয়াগুলো আরবিতে।
- দোয়ার মধ্যে ধৈর্য ও একাগ্রতা থাকা জরুরি। দোয়া কবুলের জন্য আন্তরিকতা ও একনিষ্ঠতা প্রয়োজন।
- দোয়ার সময় হাত তুলে দোয়া করা সুন্নত।
- দোয়ার পর "আমিন" বলা এবং হাত দিয়ে মুখমণ্ডল মাসেহ করা।
قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «الدُّعَاءُ هُوَ الْعِبَادَةُ»
"দোয়াই হলো ইবাদত।" (তিরমিযী: ৩৩৭২, আবু দাউদ: ১৪৭৯)
আপনার পরিস্থিতিতে করণীয় সম্পর্কে বিশেষ পরামর্শ:
১. পিতার উপার্জন ও ঋণ সম্পর্কে:
- আপনার পিতার উপার্জন হালাল নয় এবং তার উপর এক কোটি টাকার বেশি ঋণ রয়েছে। এটি আপনার জন্য খুবই কঠিন পরিস্থিতি।
- আপনি আপনার পিতার উপার্জন থেকে খাওয়া-দাওয়া করতে পারেন যদি আপনি জানেন না যে তা হারাম, অথবা যদি আপনি জানেন কিন্তু প্রতিরোধ করতে অক্ষম হন। তবে যদি আপনি নিশ্চিতভাবে জানেন যে তা হারাম, তাহলে সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত।
- আপনার পিতাকে নসীহত করা আপনার দায়িত্ব, তবে তা নম্রভাবে ও হিকমতের সাথে করতে হবে।
২. আলাদা বাসা নেওয়ার সিদ্ধান্ত:
- ইসলামী দৃষ্টিকোণ থেকে, যদি আপনার পিতার সাথে থাকা আপনার দ্বীন ও আখলাকের জন্য ক্ষতিকর হয়, তাহলে আলাদা থাকা জায়েজ হতে পারে। তবে পিতা-মাতার সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করা যাবে না।
- আলাদা বাসা নেওয়ার আগে নিশ্চিত হন যে আপনার হালাল উপার্জন যথেষ্ট হবে।
৩. প্রিন্টিং প্রেসে কাজ করার পরামর্শ:
- প্রিন্টিং প্রেসে কাজ করা জায়েজ, তবে কাজের ধরন দেখে নিতে হবে।
- আপনি গ্রাফিক্স ডিজাইনার হিসেবে প্রিন্টিং প্রেসে ডিজাইন, কম্পোজিং, লেআউট ইত্যাদি কাজ করতে পারেন।
- ফ্রিল্যান্সিং করার জন্যও চেষ্টা চালিয়ে যান। কম্পিউটার কেনার জন্য সঞ্চয় করুন।
৪. মানসিক স্বাস্থ্য সম্পর্কে:
- আপনার মানসিক চাপ ও অসুস্থতার কথা উল্লেখ করেছেন। ইসলাম মানসিক স্বাস্থ্যের প্রতি গুরুত্ব দেয়।
- ধৈর্য ধারণ করুন এবং আল্লাহর উপর ভরসা রাখুন। আল্লাহ বলেন:
قال الله تعالى: ﴿إِنَّ مَعَ الْعُسْرِ يُسْرًا﴾ [الشرح: 6]
"নিশ্চয়ই কষ্টের সাথে স্বস্তি রয়েছে।" (সূরা আশ-শারহ: ৬)
وقال تعالى: ﴿وَمَنْ يَتَّقِ اللَّهَ يَجْعَلْ لَهُ مَخْرَجًا * وَيَرْزُقْهُ مِنْ حَيْثُ لَا يَحْتَسِبُ﴾ [الطلاق: 2-3]
"যে আল্লাহকে ভয় করে, আল্লাহ তার জন্য উত্তরণের পথ তৈরি করে দেন এবং তাকে এমন উৎস থেকে রিযিক দেন যা সে কল্পনাও করতে পারে না।" (সূরা আত-তালাক: ২-৩)
উপসংহার:
আপনার পরিস্থিতি অত্যন্ত কঠিন, তবে আল্লাহর রহমতের উপর ভরসা রাখুন। প্রিন্টিং প্রেসে কাজ করা জায়েজ, তবে কাজের ধরন দেখে নিতে হবে। মানুষের ছবি বা প্রাণীর ছবি ছাপানো থেকে বিরত থাকুন, তবে পরিচয়পত্রের মতো প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে জায়েজ। দোয়ার পদ্ধতি আপনার সঠিক, তবে আরবিতে দোয়া করা উত্তম।
আল্লাহ তায়ালা আপনার জন্য উত্তম পথ খুলে দিন এবং আপনার সকল সমস্যার সমাধান করুন। আমিন।
والله أعلم بالصواب