গর্ভাবস্থায় ৯ মাসে বাচ্চা পেটে মারা গেলে জানাজা, দাফন ও কাফনের বিধান কী?
Miscellaneous Fiqh · Hanafi
Question
গর্ভাবস্থায় ৯ মাস চলাকালীন সময় বাচ্চা পেটে মারা গিয়েছে এক্ষেত্রে জানাজা দাফন কাফনের বিধান কি? কতো মাসের বাচ্চার জানাজা ও দাফন কাফন করা ওয়াজিব হবে? বাচ্চাদের দাফন কাফন ও জানাজা সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে চাচ্ছি।
Answer
গর্ভাবস্থায় বাচ্চা মারা গেলে জানাজা, দাফন ও কাফনের বিধান
উত্তর (সংক্ষেপে):
বিসমিল্লাহির রহমানির রহীম
ওয়ালাইকুম আসসালাম ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু।
১. ৯ মাস গর্ভাবস্থায় পেটে মারা যাওয়া বাচ্চার জানাজা, কাফন ও দাফনের বিধান:
- জানাজা পড়া হবে না: ৯ মাস গর্ভাবস্থার পর বাচ্চা যদি মায়ের পেটে মারা যায় এবং মৃত অবস্থায় ভূমিষ্ঠ হয় (অর্থাৎ প্রসবের পর জীবিত থাকার কোনো আলামত যেমন: কান্না, শ্বাস বা নড়াচড়া প্রকাশ না পায়), তবে হানাফী ফিকহের রাজেহ (গ্রহণযোগ্য) অভিমত অনুযায়ী তার জানাজার নামাজ পড়া হবে না [নূরুল ঈযাহ, পৃষ্ঠা: ১৬৩; ফাতাওয়ায়ে আলমগীরী (১ম খণ্ড), পৃষ্ঠা: ৩৮৫; ফাতাওয়া মাহমুদিয়া (৯ম খণ্ড), পৃষ্ঠা: ৮১, ৮২]।
- গোসল, কাফন ও দাফন: উক্ত মৃত ভূমিষ্ঠ বাচ্চাকে গোসল দেওয়া হবে, একটি কাপড়ে বা টুকরো কাপড়ে পেঁচিয়ে কাফন পরানো হবে এবং সম্মানের সাথে দাফন করা হবে। এছাড়াও সম্মানার্থে তার একটি নাম রাখা হবে [নূরুল ঈযাহ, পৃষ্ঠা: ১৬৩; ফাতাওয়ায়ে আলমগীরী (১ম খণ্ড), পৃষ্ঠা: ৩৮৫]।
২. কত মাসের বাচ্চার জানাজা ও দাফন-কাফন ওয়াজিব?
ইসলামি শরীআতে জানাজা ওয়াজিব হওয়ার বিষয়টি গর্ভাবস্থার মাসের ওপর নির্ভর করে না; বরং তা নির্ভর করে বাচ্চা জীবিত ভূমিষ্ঠ হয়েছে কি না তার ওপর [নূরুল ঈযাহ, পৃষ্ঠা: ১৬৩; ফাতাওয়ায়ে আলমগীরী (১ম খণ্ড), পৃষ্ঠা: ৩৮৫; সিরাজী ফিল মিরাস, পৃষ্ঠা: ১২০]।
- জীবিত ভূমিষ্ঠ হলে (জানাজা ওয়াজিব): গর্ভধারণের মেয়াদ ৫, ৬, ৭, ৮ কিংবা ৯ মাস যা-ই হোক না কেন—বাচ্চা যদি ভূমিষ্ঠ হওয়ার পর কান্নার আওয়াজ, হাঁচি, শ্বাস-প্রশ্বাস বা নড়াচড়ার মাধ্যমে জীবিত থাকার কোনো আলামত প্রকাশ করে এবং তার পরপরই মারা যায়, তবে তার জানাজার নামাজ পড়া ওয়াজিব [নূরুল ঈযাহ, পৃষ্ঠা: ১৬৩; ফাতাওয়ায়ে আলমগীরী (১ম খণ্ড), পৃষ্ঠা: ৩৮৫; সিরাজী ফিল মিরাস, পৃষ্ঠা: ১২০]।
- মৃত ভূমিষ্ঠ হলে (জানাজা নেই): বাচ্চা যদি পূর্ণ মেয়াদে (৯ মাস বা ১০ মাসেও) মৃত অবস্থায় ভূমিষ্ঠ হয়, তবে তার জানাজা পড়া যাবে না; কেবল গোসল ও কাপড়ে পেঁচিয়ে দাফন করতে হবে [নূরুল ঈযাহ, পৃষ্ঠা: ১৬৩; ফাতাওয়া মাহমুদিয়া (৯ম খণ্ড), পৃষ্ঠা: ৮১, ৮২]।
৩. বাচ্চাদের দাফন, কাফন ও জানাজা সংক্রান্ত ফিকহী শ্রেণীবিন্যাস:
ফিকহে হানাফী অনুযায়ী নবজাতক বা পেটের বাচ্চার অবস্থাকে মূলত তিনটি শ্রেণীতে ভাগ করা হয়:
ক) প্রথম শ্রেণী: জীবিত ভূমিষ্ঠ হওয়া শিশু (استهلال)
- আলামত: ভূমিষ্ঠ হওয়ার সময় কান্না, শব্দ, হাঁচি বা নড়াচড়া করা [নূরুল ঈযাহ, পৃষ্ঠা: ১৬৩; সিরাজী ফিল মিরাস, পৃষ্ঠা: ১২০]।
- বিধান: ১. নাম রাখা ওয়াজিব [নূরুল ঈযাহ, পৃষ্ঠা: ১৬৩]। ২. সাধারণ মৃতের মতো গোসল দেওয়া ওয়াজিব [নূরুল ঈযাহ, পৃষ্ঠা: ১৬৩; ফাতাওয়ায়ে আলমগীরী (১ম খণ্ড), পৃষ্ঠা: ৩৮৫]। ৩. সুন্নাত মোতাবেক কাফন পরানো ওয়াজিব [নূরুল ঈযাহ, পৃষ্ঠা: ১৬৩; ফাতাওয়ায়ে আলমগীরী (১ম খণ্ড), পৃষ্ঠা: ৩৮৫]। ৪. জানাজার নামাজ পড়া ওয়াজিব [নূরুল ঈযাহ, পৃষ্ঠা: ১৬৩; ফাতাওয়া মাহমুদিয়া (৯ম খণ্ড), পৃষ্ঠা: ৮১, ৮২]। ৫. দাফন করা ওয়াজিব [নূরুল ঈযাহ, পৃষ্ঠা: ১৬৩]।
খ) দ্বিতীয় শ্রেণী: মৃত ভূমিষ্ঠ শিশু (যার অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ গঠিত হয়েছে)
- আলামত: গর্ভপাত বা প্রসবের সময় মৃত জন্ম নেওয়া, কিন্তু হাত, পা, আঙুল ইত্যাদি অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ বা আকৃতি স্পষ্ট গঠিত হয়েছে (সাধারণত ৪ মাস বা ১২০ দিন বা তার বেশি বয়সে) [দরসুল ফিকহ (১ম খণ্ড), পৃষ্ঠা: ২৭৭, ২৭৮]।
- বিধান: ১. সম্মানার্থে নাম রাখা হবে [নূরুল ঈযাহ, পৃষ্ঠা: ১৬৩]। ২. গোসল দেওয়া হবে [নূরুল ঈযাহ, পৃষ্ঠা: ১৬৩; ফাতাওয়ায়ে আলমগীরী (১ম খণ্ড), পৃষ্ঠা: ৩৮৫]। ৩. একটি সুনির্দিষ্ট কাপড়ে পেঁচিয়ে কাফন দেওয়া হবে (মাসনুন ৩ বা ৫ কাপড়ের প্রয়োজন নেই) [নূরুল ঈযাহ, পৃষ্ঠা: ১৬৩; ফাতাওয়ায়ে আলমগীরী (১ম খণ্ড), পৃষ্ঠা: ৩৮৫]। ৪. জানাজার নামাজ পড়া হবে না [নূরুল ঈযাহ, পৃষ্ঠা: ১৬৩; ফাতাওয়া মাহমুদিয়া (৯ম খণ্ড), পৃষ্ঠা: ৮১, ৮২]। ৫. দাফন করা হবে [নূরুল ঈযাহ, পৃষ্ঠা: ১৬৩]।
গ) তৃতীয় শ্রেণী: অপূর্ণাঙ্গ গর্ভপাত বা সাকাত (السِقْط)
- আলামত: ৪ মাসের পূর্বে (১২০ দিনের কম বয়সে) গর্ভপাত হওয়া ভ্রূণ বা রক্তপিণ্ড, যার কোনো অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ বা আকৃতি প্রকাশ পায়নি [দরসুল ফিকহ (১ম খণ্ড), পৃষ্ঠা: ২৭৭, ২৭৮]।
- বিধান: এ ক্ষেত্রে গোসল, মাসনুন কাফন বা জানাজা কোনটিই নেই। কেবল পরিচ্ছন্নতার জন্য ধুয়ে একটি কাপড়ে পেঁচিয়ে মাটিতে দাফন (পুতে) করে দেওয়া হবে [নূরুল ঈযাহ, পৃষ্ঠা: ১৬৩; দরসুল ফিকহ (১ম খণ্ড), পৃষ্ঠা: ২৭৭, ২৭৮]।
সংযুক্ত কিতাব, ভলিউম ও পৃষ্ঠা নম্বর:
১. নূরুল ঈযাহ:
- পৃষ্ঠা: ১৬৩: (পরিচ্ছেদ: জানাযার বিধি-বিধান — জীবিত ও মৃত নবজাতকের নাম রাখা, গোসল, কাফন, দাফন ও জানাজার বিশদ নিয়মাবলী) [নূরুল ঈযাহ, পৃষ্ঠা: ১৬৩]।
২. ফাতাওয়ায়ে আলমগীরী (১ম খণ্ড):
- পৃষ্ঠা: ৩৮৫: (অধ্যায়: কিতাবুস সালাত, ২১শ পরিচ্ছেদ: জানাজা নামাজের বিবরণ, ২য় অনুচ্ছেদ: গোসলের মাসায়েল — ৭ নম্বর মাসআলা: জন্মের পর বাচ্চার আওয়াজ হওয়া ও না হওয়ার ফিকহী পার্থক্য) [ফাতাওয়ায়ে আলমগীরী (১ম খণ্ড), পৃষ্ঠা: ৩৮৫]।
৩. ফাতাওয়া মাহমুদিয়া (৯ম খণ্ড):
- পৃষ্ঠা: ৮১–৮২: (অধ্যায়: বাবুল জানাইয — মৃত ভূমিষ্ঠ বাচ্চার জানাজা না পড়া সংক্রান্ত হাদীস ও ফতোয়া) [ফাতাওয়া মাহমুদিয়া (৯ম খণ্ড), পৃষ্ঠা: ৮১, ৮২]।
৪. সিরাজী ফিল মিরাস:
- পৃষ্ঠা: ১২০: (ফছলুন ফিল হামল — জীবিত ভূমিষ্ঠ হওয়া সংক্রান্ত হাদীস "إذا استهل الصبي ورث وصلي عليه" এর ফিকহী প্রয়োগ) [সিরাজী ফিল মিরাস, পৃষ্ঠা: ১২০]।
বিসমিল্লাহির রহমানির রহীম
ওয়ালাইকুম আসসালাম ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু।
গর্ভস্থ সন্তান ভূমিষ্ঠ হওয়া ও তার জানাজা, কাফন এবং দাফনের শরয়ী মাসআলা সম্পর্কে ফিকহে হানাফীর নির্ভরযোগ্য কিতাবসমূহের আলোকে ভলিউম ও পৃষ্ঠা নম্বরসহ বিস্তারিত উত্তর নিচে প্রদান করা হলো:
১. ৯ মাস গর্ভাবস্থায় পেটে মারা যাওয়া বাচ্চার জানাজা, কাফন ও দাফনের বিধান:
- জানাজা পড়া হবে না: ৯ মাস গর্ভাবস্থার পর বাচ্চা যদি মায়ের পেটে মারা যায় এবং মৃত অবস্থায় ভূমিষ্ঠ হয় (অর্থাৎ প্রসবের পর জীবিত থাকার কোনো আলামত যেমন: কান্না, শ্বাস বা নড়াচড়া প্রকাশ না পায়), তবে হানাফী ফিকহের রাজেহ (গ্রহণযোগ্য) অভিমত অনুযায়ী তার জানাজার নামাজ পড়া হবে না [১, ২, ৩]।
- গোসল, কাফন ও দাফন: উক্ত মৃত ভূমিষ্ঠ বাচ্চাকে গোসল দেওয়া হবে, একটি কাপড়ে বা টুকরো কাপড়ে পেঁচিয়ে কাফন পরানো হবে এবং সম্মানের সাথে দাফন করা হবে। এছাড়াও সম্মানার্থে তার একটি নাম রাখা হবে।
২. কত মাসের বাচ্চার জানাজা ও দাফন-কাফন ওয়াজিব?
ইসলামি শরীআতে জানাজা ওয়াজিব হওয়ার বিষয়টি গর্ভাবস্থার মাসের ওপর নির্ভর করে না; বরং তা নির্ভর করে বাচ্চা জীবিত ভূমিষ্ঠ হয়েছে কি না তার ওপর ।
- জীবিত ভূমিষ্ঠ হলে (জানাজা ওয়াজিব): গর্ভধারণের মেয়াদ ৫, ৬, ৭, ৮ কিংবা ৯ মাস যা-ই হোক না কেন—বাচ্চা যদি ভূমিষ্ঠ হওয়ার পর কান্নার আওয়াজ, হাঁচি, শ্বাস-প্রশ্বাস বা নড়াচড়ার মাধ্যমে জীবিত থাকার কোনো আলামত প্রকাশ করে এবং তার পরপরই মারা যায়, তবে তার জানাজার নামাজ পড়া ওয়াজিব।
- মৃত ভূমিষ্ঠ হলে (জানাজা নেই): বাচ্চা যদি পূর্ণ মেয়াদে (৯ মাস বা ১০ মাসেও) মৃত অবস্থায় ভূমিষ্ঠ হয়, তবে তার জানাজা পড়া যাবে না; কেবল গোসল ও কাপড়ে পেঁচিয়ে দাফন করতে হবে।
৩. বাচ্চাদের দাফন, কাফন ও জানাজা সংক্রান্ত ফিকহী শ্রেণীবিন্যাস:
ফিকহে হানাফী অনুযায়ী নবজাতক বা পেটের বাচ্চার অবস্থাকে মূলত তিনটি শ্রেণীতে ভাগ করা হয়:
ক) প্রথম শ্রেণী: জীবিত ভূমিষ্ঠ হওয়া শিশু (استهلال)
- আলামত: ভূমিষ্ঠ হওয়ার সময় কান্না, শব্দ, হাঁচি বা নড়াচড়া করা।
- বিধান: ১. নাম রাখা ওয়াজিব। ২. সাধারণ মৃতের মতো গোসল দেওয়া ওয়াজিব । ৩. সুন্নাত মোতাবেক কাফন পরানো ওয়াজিব । ৪. জানাজার নামাজ পড়া ওয়াজিব। ৫. দাফন করা ওয়াজিব।
খ) দ্বিতীয় শ্রেণী: মৃত ভূমিষ্ঠ শিশু (যার অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ গঠিত হয়েছে)
- আলামত: গর্ভপাত বা প্রসবের সময় মৃত জন্ম নেওয়া, কিন্তু হাত, পা, আঙুল ইত্যাদি অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ বা আকৃতি স্পষ্ট গঠিত হয়েছে (সাধারণত ৪ মাস বা ১২০ দিন বা তার বেশি বয়সে)।
- বিধান: ১. সম্মানার্থে নাম রাখা হবে। ২. গোসল দেওয়া হবে। ৩. একটি সুনির্দিষ্ট কাপড়ে পেঁচিয়ে কাফন দেওয়া হবে (মাসনুন ৩ বা ৫ কাপড়ের প্রয়োজন নেই)। ৪. জানাজার নামাজ পড়া হবে না। ৫. দাফন করা হবে।
গ) তৃতীয় শ্রেণী: অপূর্ণাঙ্গ গর্ভপাত বা সাকাত (السِقْط)
- আলামত: ৪ মাসের পূর্বে (১২০ দিনের কম বয়সে) গর্ভপাত হওয়া ভ্রূণ বা রক্তপিণ্ড, যার কোনো অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ বা আকৃতি প্রকাশ পায়নি।
- বিধান: এ ক্ষেত্রে গোসল, মাসনুন কাফন বা জানাজা কোনটিই নেই। কেবল পরিচ্ছন্নতার জন্য ধুয়ে একটি কাপড়ে পেঁচিয়ে মাটিতে দাফন (পুতে) করে দেওয়া হবে।
সংযুক্ত কিতাব, ভলিউম ও পৃষ্ঠা নম্বর:
১. নূরুল ঈযাহ:
- পৃষ্ঠা: ১৬৩: (পরিচ্ছেদ: জানাযার বিধি-বিধান — জীবিত ও মৃত নবজাতকের নাম রাখা, গোসল, কাফন, দাফন ও জানাজার বিশদ নিয়মাবলী) ।
২. ফাতাওয়ায়ে আলমগীরী (১ম খণ্ড):
- পৃষ্ঠা: ৩৮৫: (অধ্যায়: কিতাবুস সালাত, ২১শ পরিচ্ছেদ: জানাজা নামাজের বিবরণ, ২য় অনুচ্ছেদ: গোসলের মাসায়েল — ৭ নম্বর মাসআলা: জন্মের পর বাচ্চার আওয়াজ হওয়া ও না হওয়ার ফিকহী পার্থক্য)।
৩. ফাতাওয়া মাহমুদিয়া (৯ম খণ্ড):
- পৃষ্ঠা: ৮১–৮২: (অধ্যায়: বাবুল জানাইয — মৃত ভূমিষ্ঠ বাচ্চার জানাজা না পড়া সংক্রান্ত হাদীস ও ফতোয়া)।
৪. সিরাজী ফিল মিরাস:
- পৃষ্ঠা: ১২০: (ফছলুন ফিল হামল — জীবিত ভূমিষ্ঠ হওয়া সংক্রান্ত হাদীস "إذا استهل الصبي ورث وصلي عليه" এর ফিকহী প্রয়োগ)।
৫. দরসুল ফিকহ (১ম খণ্ড):
- পৃষ্ঠা: ২৭৭–২৭৮: (অধ্যায়: গর্ভপাতের হুকুম — অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ প্রকাশ পাওয়া ও না পাওয়ার ফিকহী পার্থক্য)।
দুআ
اللَّهُمَّ اجْعَلْهُ لَنَا فَرَطًا وَسَلَفًا وَذُخْرًا وَشَفِيعًا مُجَابًا
"হে আল্লাহ! তাকে আমাদের জন্য অগ্রগামী, পূর্বসূরি, সঞ্চয় ও কবুলকৃত সুপারিশকারী বানিয়ে দিন।"
والله أعلم بالصواب