৪ মাসের সন্তানের গর্ভপাতের পর রক্তস্রাবকে নেফাস হিসেবে গণ্য করা হবে কি?

Hajj and Umrah · Hanafi

Question No: 3711
Questioner: Shupti 0251
Question Asked: 09 Aug 2026, 12:33 AM
Reviewed & Published: 09 Aug 2026, 01:08 AM
Views: 11
Tokens: 3,707
This answer is according to the 'Hanafi' school of thought.
This answer was reviewed and published by .

Question

আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লহি ওয়া বারকাতুহ।
[নিফাসে উমরাহ এবং দুই হারাম শরীফ জিয়ারত]

২৪শে জুলাই মিসকেরেজ হয়, যা নরমাল ডেলিভারি ছিল। ১৬ সপ্তাহের ভ্রুণ যার মানুষের মত অবয়ব ছিল।  সেপ্টেম্বরের ৪ তারিখ নিফাস শেষ হবে।

নিফাসের রক্ত একদম বন্ধ হয়ে যায়, সাদা ডিসচার্জ বের হয়। এরপর ৪-৫ দিন এভাবে থাকার পর আবার ব্রাউন ডিসচার্জ বের হয়। এক্ষেত্রে কি উমরাহ বা হারাম শরীফ জিয়ারত করা যাবে কি?

আগস্টের ১২ তারিখ থেকে ২৪ তারিখ পর্যন্ত  ইন শা আল্লহ মক্কা, মদিনায় অবস্থান করা হবে।

Answer

উত্তর: وعليكم السلام ورحمة الله وبركاته

প্রশ্নের সারসংক্ষেপ:
আপনি ১৬ সপ্তাহের গর্ভপাতের পর রক্তস্রাব বন্ধ হয়ে সাদা স্রাব দেখেছেন, তারপর ৪-৫ দিন পর আবার বাদামি স্রাব শুরু হয়েছে। আগস্টে উমরাহ ও হারামাইন শরীফাইন জিয়ারতের পরিকল্পনা আছে। জানতে চান, এই অবস্থায় উমরাহ করা যাবে কি না?


উত্তর: ৪ মাসের সন্তানের গর্ভপাতের পর রক্তস্রাবকে নেফাস হিসেবে গণ্য করা হবে। তবে ৪ মাসের পূর্বে গর্ভপাত হলে সেই রক্তস্রাবকে হায়েয হিসেব গণ্য করা হবে যদি তিন দিনের বেশী হয় ।

প্রশ্নের বিবরণমতে যদি ৪ মাসের পর গর্ভপাত হয়, তাহলে নেফাস হিসেবে গণ্য হবে। এক্ষেত্রে আপনি উমরাহ ও হারামাইন শরীফাইন জিয়ারত করতে পারবেন, তবে শর্ত হলো—বাদামি স্রাব যদি নিফাসের (প্রসবোত্তর) রক্তের সাথে সম্পর্কিত না হয় এবং আপনি পবিত্র থাকেন (অর্থাৎ, ওযু বা গোসলের পর স্রাব বন্ধ থাকে), তাহলে তা ইস্তিহাযা (অস্বাভাবিক রক্তস্রাব) হিসেবে গণ্য হবে। এই অবস্থায় নামাজ, রোজা, তাওয়াফ ও উমরাহ করা বৈধ।



This site is protected by reCAPTCHA and the Google Privacy Policy and Terms of Service apply.