ওয়াদা,মানুষের হক্ক,প্রস্রাবের নাপাকি
Miscellaneous Fiqh · Ahle Hadith / Salafi
Question
১)ওয়াদা কখন হয়?আমি যদি কাউকে বলি যে আগামীকাল এটা করবো। তাহলেই কি ওয়াদা হয়ে যাবে?যেমন: আমি আমার টিচার কে বললাম যে আগামীকাল এইটুকু পড়া আপনাকে আমি দিবো। কিন্তু পরে দিতে পারলাম না এটা কি ওয়াদা ভঙ্গ হবে?আবার, আমার টিচার যদি আমাকে বলে যে তুমি কালকে এই কাজ টা করবা। আমি সম্মতি দিলাম কিন্তু পরে আর করা হলো না। তাহলে কি গুনাহ হবে?
আসলে ঠিক কোন কোন ক্ষেত্রে আমার কথাগুলো ওয়াদা হয়ে যাবে 'আমি ওয়াদা দিচ্ছি ' বা 'এরকম কোনো কথা ' উল্লেখ না করলেও?
২)মানুষের হক্ক তো জানা, অজানায় আমাদের অনেকই নষ্ট হয়ে যায়।আমি ইচ্ছায় বা অনিচ্ছায় হক্ক নষ্ট হয়ে গেলে তার জন্য দুয়া করে দেই। এতে কি হক্ক আদায় হবে?
৩) আর আমি যদি সতর্ক থাকার জন্য যদি আমার আশেপাশের সবার কাছে এভাবে মাফ চেয়ে নেই যে,
" আমি যদি অতীত, বর্তমান বা ভবিষ্যতেও কোনোদিন আপনার কোনো হক্ক কোনোভাবে নষ্ট করে থাকি,দয়া করে আমাকে মাফ করে দিন।''
এভাবে ভবিষ্যতের কথা উল্লেখ করে মাফ চাইলে,পরবর্তীতে যদি কোনোভাবে ইচ্ছায় বা অনিচ্ছায় তার হক্ক নষ্ট হয়ে যায় তাহলে কি আবার মাফ চাইতে হবে?
৪)প্রস্রাবের নাপাকি থেকে কি সবসময়ই পবিত্র থাকতে হবে নাকি শুধু নামাজ, কুরআন পড়ার সময়?
অনেক সময় আমার রুকইয়াহর অডিও শুনতে শুনতে ইস্তিফরাগ করতে হয়। তখন বমির বেগ আসলে বা কাশি আসলে প্রস্রাব বের হয়ে যায়। সেলোয়ারে লেগে যায়।চেইঞ্জ করে আসলেও আবার এরকম হয় অনেক সময়ই। এভাবে বারবার চেইঞ্জ করতে থাকলে আমার রুকইয়াহ য় অনেক ব্যাঘাত ঘটে। এসময় করণীয় কি?
৪)আবার হায়েজের সময় এমন হয় যে এই মাত্র নতুন প্যাড পড়েছি আর প্যাডে একটু প্রস্রাব লেগে গেলো। তখন যদি ওই প্যাড টা ফেলে দেই তাহলে তো পুরো প্যাডটাই নষ্ট হলো।আর এভাবে বারবার হতে থাকলে তো প্রচুর প্যাড লাগবে।করণীয় কি?
Answer
উত্তর: ওয়াদা, মানুষের হক, প্রস্রাবের নাপাকি
বিষয়: ফিকহ
মাসআলা: ১. ওয়াদা কখন হয়? ২. মানুষের হক নষ্ট হলে দোয়ায় কি আদায় হবে? ৩. ভবিষ্যতের হকের জন্য আগেই মাফ চাইলে কি যথেষ্ট? ৪. প্রস্রাবের নাপাকি থেকে সবসময় পবিত্র থাকতে হবে কি? রুকইয়াহ ও হায়েয জনিত সমস্যা।
১. ওয়াদা (প্রতিশ্রুতি) কখন হয়?
মূলনীতি: ইসলামে ওয়াদা হচ্ছে এমন একটি অঙ্গীকার যা দ্বারা মানুষ কোনো কাজ ভবিষ্যতে করার বা না করার প্রতিশ্রুতি দেয়। ‘আমি ওয়াদা করছি’ শব্দটি বলা জরুরি নয়; বরং যদি কেউ স্পষ্টভাবে বলে, “আগামীকাল আমি তোমাকে এই বই দেব” বা “আমি কাল এই কাজ করব”, তাহলেও তা ওয়াদা হিসেবে গণ্য হবে, যদি তার ইচ্ছা অঙ্গীকার করা হয়।
-
আপনার উল্লেখিত ঘটনা:
(ক) আপনি টিচারকে বললেন, “আগামীকাল এই পড়া আপনাকে দেব।” এটি একটি ওয়াদা। পরে দিতে না পারলে ওয়াদা ভঙ্গ হলো। তবে যদি কোনো ওজর (অক্ষমতা, ভুলে যাওয়া, অসুস্থতা) থাকে, তাহলে গুনাহ হবে না, কিন্তু দেরি করে দিলেও তা পূরণের চেষ্টা করা জরুরি।
(খ) টিচার যদি বলেন, “তুমি কাল এই কাজ করবে” এবং আপনি সম্মতি দেন, তাহলেও তা একটি ওয়াদা (প্রতিশ্রুতি) হয়ে যায়। কারণ সম্মতি দেওয়া মানে অঙ্গীকার করা। পরবর্তীতে তা না করলে ওয়াদা ভঙ্গ হবে। -
কখন ওয়াদা হয় না?
সাধারণ কথাবার্তা যেমন “আমি ভাবছি করব” বা “হয়তো করব” – এটি ওয়াদা নয়, যতক্ষণ না সুনির্দিষ্ট প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়। যেমন: “ইনশাআল্লাহ কাল দেখাব” বললে যদি ইনশাআল্লাহ বলে তবে তা ওয়াদা নয় বরং ইচ্ছাপ্রকাশ। তবে স্পষ্ট অঙ্গীকার করলে ‘ইনশাআল্লাহ’ বলার পরও তা পূরণ করা ওয়াজিব হয় যদি বাধা না আসে। (ইবনু তায়মিয়্যাহ, মাজমু‘ ফাতাওয়া ২৯/২৪৩) -
দলিল:
- “আর তোমরা প্রতিশ্রুতি পূর্ণ কর। নিশ্চয় প্রতিশ্রুতি সম্পর্কে জিজ্ঞাসিত হবে।” (সূরা আল-ইসরা ১৭:৩৪)
- রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন: “মুনাফিকের তিনটি লক্ষণ: যখন কথা বলে মিথ্যা বলে, যখন ওয়াদা করে ভঙ্গ করে, এবং যখন আমানত দেয় খেয়ানত করে।” (সহীহ বুখারী ৩৪, সহীহ মুসলিম ৫৯)
-
সারসংক্ষেপ:
- ওয়াদা হবে যখন আপনি স্পষ্টভাবে ভবিষ্যতে কিছু করার অঙ্গীকার করেন, ‘ওয়াদা’ শব্দটি বলা জরুরি নয়।
- ওয়াদা ভঙ্গ করা গুনাহ, তবে ওজর থাকলে গুনাহ নেই, কিন্তু পূরণের চেষ্টা করতে হবে।
- অনিশ্চিত বা ইনশাআল্লাহ সহ কথা সাধারণত ওয়াদা হয় না, কিন্তু অঙ্গীকারপূর্ণ প্রতিশ্রুতি দিলে তা পূরণ ওয়াজিব।
২. মানুষের হক নষ্ট হলে দোয়া করায় কি আদায় হবে?
উত্তর: মানুষের হক (হুক্কুকুল ইবাদ) আল্লাহর হকের মতো নয়। মানুষের হক নষ্ট করলে শুধু দোয়া করলে তা আদায় হয় না। বরং নষ্ট হওয়া হকের ক্ষতিপূরণ দিতে হবে অথবা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির কাছ থেকে মাফ চাইতে হবে। যদি মাফ না পাওয়া যায়, তবে কিয়ামতের দিন তার হিসাব থেকে নেওয়া হবে।
-
দলিল:
রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন: “যে ব্যক্তি তার ভাইয়ের ওপর জুলুম করেছে, সে যেন আজই তার কাছ থেকে মাফ চেয়ে নেয়, কারণ (কিয়ামতে) দিরহাম-দীনার থাকবে না, বরং তার সওয়াব থেকে নেওয়া হবে এবং জুলুমের পরিমাণ অনুযায়ী তা দেওয়া হবে।” (সহীহ বুখারী ২৪৪৯) -
আপনার প্রশ্ন:
যদি ইচ্ছায় বা অনিচ্ছায় হক নষ্ট হয়, এবং আপনি শুধু দোয়া করেন “আল্লাহ মাফ করুন”, তাহলে তা হক আদায়ের জন্য যথেষ্ট নয়। বরং আপনি যদি তার নিকট মাফ না চান, তবে কিয়ামতে তার হিসাব থেকে আপনার নেকি কেটে তাকে দেওয়া হবে। তবে যদি তিনি মারা যান বা তার কাছে যাওয়া অসম্ভব হয়, তাহলে তাওবা, ইস্তিগফার ও তার জন্য দোয়া করা কিছুটা লাঘব করতে পারে। ইমাম ইবনু তায়মিয়্যাহ ও ইবনু কাইয়িম বলেছেন: যার কাছে পৌঁছানো অসম্ভব, তার জন্য দোয়া করা এবং তার পক্ষ থেকে সাদাকা করা উপকারী হতে পারে। কিন্তু পূর্ণ আদায় হয় না। (আল-ফুরকান বায়না আওলিয়াইর রহমান, ইবনু তায়মিয়্যাহ)
সারসংক্ষেপ: দোয়া কেবল তখনই উপকারী যখন সরাসরি মাফ চাওয়া সম্ভব নয়। তবে সাধারণভাবে হক আদায়ের জন্য সরাসরি মাফ চাওয়া বা ক্ষতিপূরণ দেওয়া জরুরি।
৩. ভবিষ্যতের হকের জন্য আগে মাফ চাইলে কি যথেষ্ট?
উত্তর: ভবিষ্যতে কী হবে তা অজানা। তাই সাধারণভাবে “আমি যদি ভবিষ্যতে আপনার কোনো হক নষ্ট করি, তাহলে মাফ করে দিন” বলে নিলে তা যথেষ্ট নয়। কারণ হক নষ্ট হওয়ার পর আবার মাফ চাইতে হবে। আগেই মাফ নিয়ে নিলে ভবিষ্যতে নষ্ট করলে তা মাফ বলে গণ্য হবে না।
-
ইবনু উসাইমীন (রহ.) বলেন: “মানুষের অধিকার নষ্ট হয়ে গেলে শুধু সাধারণভাবে মাফ চাইলেই হয় না; বরং নষ্ট হওয়ার পর সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির কাছে সুনির্দিষ্টভাবে মাফ চাইতে হবে এবং যদি সম্পদ নষ্ট হয় তাহলে ফেরত দিতে হবে।” (শারহুল আকীদাহ আল-ওয়াসিতিয়্যাহ)
-
আপনার প্রশ্ন:
আপনি সবার কাছে বলেছেন, “আমি অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যতে আপনার কোনো হক নষ্ট করে থাকলে মাফ করবেন।” এটি ভবিষ্যতের জন্য কার্যকর নয়। বরং যদি পরে কোনো হক নষ্ট হয়, তাহলে পুনরায় মাফ চাইতে হবে। আগের মাফ চাওয়া নতুন অপরাধের জন্য কাজ করবে না।
সারসংক্ষেপ: ভবিষ্যতের অপরাধের জন্য আগে থেকে মাফ চেয়ে নেওয়া যথেষ্ট নয়। প্রতিটি হক নষ্টের পর আলাদাভাবে মাফ চাইতে হবে।
৪. প্রস্রাবের নাপাকি থেকে সবসময় পবিত্র থাকতে হবে কি?
উত্তর: প্রস্রাব নাপাক (অপবিত্র)। তবে সর্বদা পবিত্র থাকা ফরজ নয়; বরং পবিত্রতা আবশ্যক হয় তখনই যখন আপনি সালাত আদায় করবেন, কুরআন স্পর্শ করবেন বা তাওয়াফ করবেন। সাধারণ অবস্থায় জামায়ে নাপাকি লাগলে তা ধোয়া জরুরি হয় কেবল সালাতের সময়ের জন্য।
-
দলিল:
রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন: “যখন তোমাদের কারো জুতায় নাপাকি লাগে, তাহলে তা মাটি ঘষে পরিষ্কার করে নাও।” (সুনানে আবু দাউদ ৩৮৫)
ইমাম নববী বলেন: “নাপাকি ধোয়া ওয়াজিব কেবল সালাতের জন্য।” (আল-মাজমূ‘) -
আপনার রুকইয়াহ ও প্রস্রাবের সমস্যা:
আপনি রুকইয়াহ (কুরআন শুনা) করার সময় বমি বেগ বা কাশি এলে প্রস্রাব বের হয়ে যায় এবং সেলোয়ারে লাগে।- রুকইয়াহ শুনা: এটি সালাত নয়, তাই নাপাকি অবস্থায় কুরআন শুনতে কোনো বাধা নেই। তবে আপনি যদি নিজে কুরআন তিলাওয়াত করেন বা স্পর্শ করেন, তাহলে অবশ্যই পবিত্র হতে হবে।
- করণীয়:
(ক) প্রস্রাব বের হলে সেলোয়ার ধুয়ে ফেলুন বা পরিবর্তন করুন। তবে বারবার পরিবর্তনে রুকইয়াহ বাধাগ্রস্ত হলে, আপনি নাপাকি অবস্থায় রুকইয়াহ শুনতে পারেন; কারণ শ্রবণে পবিত্রতা শর্ত নয়।
(খ) সম্ভব হলে আগেই টয়লেট করে নিন বা প্রস্রাবের চাপ কমিয়ে নিন।
(গ) কাশি বা বমি বেগ এলে একটি পাত্র বা টিস্যু রাখুন যাতে দ্রুত পরিষ্কার করতে পারেন।
(ঘ) দীর্ঘস্থায়ী প্রস্রাবের সমস্যা হলে (যেমন স্ট্রেস ইনকন্টিনেন্স) আপনি ‘মাজুর’ (অপারগ) হিসেবে গণ্য হবেন। এমন অবস্থায় সালাতের জন্যও প্রতি ওয়াক্ত তাজা অজু করে নিলেই চলবে, এবং জামায়ে নাপাকি লাগলে তা ধোয়া জরুরি নয় যদি প্রতি ওয়াক্তে এভাবেই হয়। তবে আপনার সমস্যা যদি অস্থায়ী হয়, তবে ধোয়া জরুরি।
-
হায়েযের সময় প্যাডে প্রস্রাব লেগে গেলে:
হায়েয অবস্থায় নারী সাধারণত সালাত, কুরআন স্পর্শ ইত্যাদি থেকে বিরত থাকেন। তাই প্যাডে প্রস্রাব লাগলে তা ধোয়া বা পরিবর্তনের জন্য অপেক্ষা না করে আপনি ওই প্যাড ব্যবহার চালিয়ে যেতে পারেন। তবে প্যাডের যে স্থানে প্রস্রাব লেগেছে তা নাপাক; আপনি চাইলে ওই স্থান কেটে ফেলতে পারেন বা টিস্যু দিয়ে মুছে ফেলতে পারেন। কিন্তু সম্পূর্ণ প্যাড নাপাক হয় না; কেবল লেগে থাকা অংশ। তাই পুরো প্যাড ফেলে দেওয়ার প্রয়োজন নেই।- পরামর্শ:
হায়েযের সময় নাপাকি নিয়ে অতিরিক্ত চিন্তা না করে প্যাড পরিবর্তন না করেও ব্যবহার করতে পারেন। তবে যদি আপনি স্বাচ্ছন্দ্য বোধ না করেন, তাহলে প্যাড পরিবর্তন করুন; অর্থনৈতিক দিক বিবেচনা করে আলাদা করে একটি হালকা কাপড় ব্যবহার করতে পারেন যা বারবার ধোয়া যায়।
- পরামর্শ:
-
শাইখ ইবনু বায (রহ.) বলেন: “নাপাকি কেবল সেই জিনিসকে অপবিত্র করে যা সরাসরি স্পর্শ করে। অন্য অংশ পবিত্র। সুতরাং প্যাডে অল্প প্রস্রাব লাগলে পুরো প্যাড নাপাক নয়।” (মাজমু‘ ফাতাওয়া ইবনি বায ১০/২৫৫)
সারসংক্ষেপ:
- প্রস্রাবের নাপাকি থেকে সর্বদা পবিত্র থাকা জরুরি নয়, কেবল সালাত, কুরআন তিলাওয়াত ও স্পর্শ, তাওয়াফ ইত্যাদির জন্য জরুরি।
- রুকইয়াহ শোনার জন্য পবিত্রতা শর্ত নয়, তাই নাপাক অবস্থায় শুনতে পারেন। তবে নিজে তিলাওয়াত করলে পবিত্র হবেন।
- বারবার প্যাড পরিবর্তন না করে শুধু নাপাক অংশ পরিষ্কার করে নিন; অথবা হায়েযের অবস্থায় প্যাড ফেলার প্রয়োজন নেই কারণ আপনি ইতিমধ্যে সালাত থেকে বিরত।
সারসংক্ষেপ (শেষ কথা)
১. ওয়াদা:
- ওয়াদা হয় যখন কেউ সুনির্দিষ্ট অঙ্গীকার করে, ‘ওয়াদা’ শব্দ জরুরি নয়।
- ওয়াদা ভঙ্গ করা গুনাহ; ওজর থাকলে গুনাহ হালকা।
- টিচারকে দেওয়া প্রতিশ্রুতি ওয়াদা হিসেবে গণ্য হবে।
২. মানুষের হক:
- শুধু দোয়া যথেষ্ট নয়; সরাসরি মাফ চাওয়া বা ক্ষতিপূরণ দিতে হবে।
- মৃত ব্যক্তির জন্য দোয়া ও সাদাকা উপকারী, কিন্তু পূর্ণ আদায় হয় না।
৩. ভবিষ্যতের মাফ:
- ভবিষ্যতের হকের জন্য আগে মাফ নিলে কাজ হবে না; প্রতিটি নষ্ট হকের পর আলাদাভাবে মাফ চাইতে হবে।
৪. প্রস্রাবের নাপাকি:
- সর্বদা পবিত্র থাকা জরুরি নয়; কেবল ইবাদতের জন্য।
- রুকইয়াহ শুনতে নাপাকি বাধা নয়।
- প্যাডে অল্প প্রস্রাব লাগলে পুরো প্যাড নাপাক নয়; শুধু অংশ পরিষ্কার করে নিন।
পরামর্শ: আরামের জন্য রুকইয়াহর সময় যদি প্রস্রাব বের হয়, তাহলে চাইলেই পরিবর্তন না করে শুধু নাপাক অংশ ধুয়ে নিন বা টিস্যু দিয়ে মুছে ফেলুন। বারবার পরিবর্তন না করাই উত্তম। আল্লাহই তাওফিক দাতা।